বিজ্ঞানের অপব্যবহার রচনা / Biggan er Opobabohar Rachana

622
বিজ্ঞানের অপব্যবহার রচনা
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

আপনি কি অনলাইনে বিজ্ঞানের অপব্যবহার রচনা / Biggan er Opobabohar Rachana  খুঁজছেন,

যদি তাই হয়, 

আপনি সঠিক পোস্টে এসেছেন।

আমি এই পোস্টটিতে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি – বিজ্ঞানের অপব্যবহার ,বিজ্ঞানের অবদান, Biggan er Opobabohar ইত্যাদি।

আমার এই পোস্টটি বিজ্ঞানের অপব্যবহার রচনার দারুন নোট।  আপনি পরীক্ষায় যদি এই রচনাটি লিখতে পারেন তাহলে আপনি ফুল মার্কস পাবেন।

পোস্টটিকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল।

biggan er opobabohar rachana
biggan er opobabohar rachana

Biggan er Opobabohar Rachana

ভূমিকা –

মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে উত্তরণের প্রধান উপাদান হলো বিজ্ঞান।

বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কার মানুষকে মধ্যযুগীয় জীবন বোধ থেকে নবজাগ্রত আধুনিক জীবনবোধে উত্তীর্ণ করেছে।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে বিজ্ঞানের স্পর্শ। তাই আজকের সভ্যতায় বিজ্ঞান কে অস্বীকার করা যায় না।

কিন্তু বিজ্ঞানকে গ্রহণ করার সময় তার ভালোর সঙ্গে খারাপ কেও আমরা গ্রহণ করেছি।

বিজ্ঞানের অবদান

সভ্যতার সূচনা লগ্ন থেকে বিজ্ঞান তার নিজস্ব শক্তির দ্বারা বৈজ্ঞানিক বুদ্ধি কে বিকশিত করেছে।

গ্যালিলিও, কোপারনিকাসের যুগ থেকে আজ পর্যন্ত মানুষের বিজ্ঞান মনস্কতা কুসংস্কারের অচলায়তনকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করেছে।

একবিংশ শতাব্দীর জীবনযাত্রায় মানুষের যে প্রগতি ও স্বাচ্ছন্দ্য তার মূলে আছে বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কার।

বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিষ্কারের সংযোজনের সভ্যতা যেরকম সমৃদ্ধ হয়েছে তেমনি মানুষের জীবনে এসেছে বিপুল পরিবর্তন।

আদিম যুগের অরণ্যচারী মানুষ আজ পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে মহাকাশের নিচে নিজের বিজয় পতাকা তুলে ধরেছেন।

বিজ্ঞানের অপব্যবহার

বিজ্ঞান চর্চার প্রসারের ফলে যেমন প্রাচীন অন্ধ সংস্কার ক্রমশ দূর হয়েছে কিন্তু সেই জায়গায় নতুন কিছু সমস্যারও সৃষ্টি হয়েছে।

ধর্মের পাশাপাশি যেরকম অপ ধর্মের সৃষ্টি হয়েছে তেমনি বিজ্ঞানের পাশে সৃষ্টি হয়েছে অপবিজ্ঞান।

সকল দেশে বিজ্ঞানের পাশে এ অপবিজ্ঞানের প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। পরমাণু বিজ্ঞান মানুষকে বিপুল শক্তি দান করেছিল সভ্যতার অগ্রগতির ক্ষেত্রে কিন্তু মানুষ তাকে প্রয়োজনে যতটা না ব্যবহার করল তার থেকে অপ্রয়োজনে তাকে বেশি ব্যবহার করে বিজ্ঞানের অভিশাপ কে আমাদের সামনে তুলে ধরল।

বিশ্বের শক্তিশালী দেশ গুলি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিল। পরমাণু শক্তিবাহী ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে মানুষের মারোনাযোগ্য তা ব্যবহার করা হলো। এই সঙ্গে যুক্ত করা হলো দুরারোগ্য রোগের জীবাণু।

পরমাণু অস্ত্রে বলিয়ান হয়ে তার অপপ্রয়োগের মধ্য দিয়ে যুদ্ধকামী শক্তিগুলি পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর ধ্বংসকে আসন্ন করে তুলেছে।

পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োগ কত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমকালে হিরোশিমা ও নাগাসিমার ঘটনা।

আর আজকের পৃথিবীতে যুদ্ধ কতটা মারাত্মক তার প্রমাণ হয় বিশ্বযুদ্ধ।

সারা পৃথিবীতে যে পরিমাণ বোমার সঞ্চার করা হয়েছে তার দ্বারা এই পৃথিবী কে কয়েক মিনিটে মহাশ্মশান করে দেয়া যায়।

পৃথিবীতে প্রতিবছর চার লক্ষ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয় শুধু ধ্বংসাত্মক অস্ত্র নির্মাণের জন্য।

উপসংহার

সারা পৃথিবী জুড়ে বিজ্ঞানের যে অপপ্রয়োগ ঘটেছে তার জন্য দায়ী বিবেকবোধহীন লোভী কিছু মানুষ।

বিশ্বের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ আজ আতঙ্কিত হয়ে উঠেছে এই ভেবে যে আমাদের তিলোত্তমার মত পৃথিবী খুব শীঘ্রই না ধ্বংসস্তূপে পরিনিত হয়।

তাই এই পরিপেক্ষিতে এই বক্তব্য আজ উঠে আসে যুদ্ধ অস্ত্রের জন্য অর্থ ব্যয় না করে সেই টাকা মানব কল্যাণে ব্যয় করা হোক।


আরও পড়ুন ক্লিক করে –

একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রচনা

মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা প্রবন্ধ রচনা

বিশ্ব উষ্ণায়ন অনুচ্ছেদ রচনা


আশা করি এই পোস্টটি থেকে আপনি –   বিজ্ঞানের অপব্যবহার রচনা / Biggan er Opobabohar Rachana সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

আশা করি বিজ্ঞানের অপব্যবহার রচনার এই পোস্টটি আপনার অনেক উপকারে এসেছে।

আপনাকে জানাই অনেক ধন্যবাদ রচনার এই পোস্টটি পড়ার জন্য।

এই পোস্টটি আপনার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here