Class 10 Model Activity Task History 2021 Part 5 / 4 / 3 / 2 / 1

পোস্টটি শেয়ার করুন

Class 10 Model Activity Task History 2021 Part 5 / 4 / 3 / 2 / 1 | Class 10 Model Activity Task History | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 ইতিহাস |

তোমরা যারা ক্লাস 10 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ ( ২০২১ সাল ) জন্য Model Activity Task দেওয়া হয়েছে।  

তোমার ঘরে বসে এই Model Activity Task এর উত্তর গুলো তৈরি করো।  

বিঃদ্রঃ – অবশ্যই তোমরা আগে নিজেরা চেষ্টা করবে। কোনো প্রশ্ন যদি বুঝতে না পারো আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো।  

Class 10 Model Activity Task History Pdf Download

তুমি যদি Class 10 Model Activity Task 2021 History এর Pdf নিজের মোবাইলে ডাউনলোড করতে চাও । তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নাও Part 1 এবং Part 2

Class 10 All Subject All PartAnswer Pdf
Class 10 History Part 1 Download
Class 10 HistoryPart 2 Download

Class 10 Model Activity Task History 2021 Part 5

১ ) ‘ ক ‘ স্তম্ভের সাথে ‘ খ ‘ স্তম্ভ মেলাও : 

উত্তর – 

১.১ ) ভাইসরয় গ ) লর্ড ক্যানিং
১.২ ) চৈত্র মেলাঘ ) নবগোপাল মিত্র
১.৩ ) জমিদার সভাক ) রাধাকান্ত দেব 
১.৪ ) বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটখ ) তারকনাথ পালিত

২ ) সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করো :

২.১ ) ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের বিদ্রোহের অভিঘাতে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সমাপ্তি ঘটেছিল। 

উত্তর – সত্য। 

২.২ )  ভারত সভা গড়ে উঠেছিল দেশের জনগণকে বৃহত্তর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে একজোট করার জন্য। 

উত্তর – সত্য। 

২.৩ ) ভারতে ছাপা প্রথম বাংলা বই ‘ এ গ্রামার অফ দা বেঙ্গল ল্যাংগুয়েজ। ‘

উত্তর – সত্য।  

২.৪ ) ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উত্তর – মিথ্যা।  

৩ ) দুটি বা তিনটি বাক্যে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও 

৩.১ ) মহেন্দ্রলাল সরকার কেন স্মরণীয় ?

উত্তর – মহেন্দ্রলাল সরকার আমাদের সকলের মাঝে স্মরণীয় হয়ে আছেন কারণ –

i ) তিনি ‘ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সাইন্স ‘ নামক সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন।  

ii ) তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। 

৩.২ ) শিক্ষা বিস্তারে শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনের ভূমিকা উল্লেখ করো। 

উত্তর – শিক্ষা বিস্তারে শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনের ভূমিকা – 

i ) শ্রীরামপুর মিশনারীরা শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বাংলাদেশ ৬৭০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে ১০৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলেন।  

ii ) নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যালয়, উচ্চশিক্ষার জন্য শ্রীরামপুরে এশিয়ার প্রথম ডিগ্রি কলেজ প্রভৃতিও  শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন এর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। 

৪ ) সাত বা আটটি বাক্যে উত্তর দাও 

৪.১ ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাচিন্তায় কোন দিকটি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছিল ?

উত্তর – প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে মানুষের জীবন ও অস্তিত্ব ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত একথা –  রবীন্দ্রনাথ মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছিলেন। তাই তার শিক্ষাচিন্তায় প্রকৃতি ও পরিবেশের দিকটি শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছিল। 

i ) পরিবেশ সচেতনতা প্রকাশ – শান্তিনিকেতনের আশ্রমের শিক্ষানীতি তিনি গড়ে তুলেছেন প্রকৃতির সান্নিধ্যেই। 

ii )  নাগরিক জীবনের বিরোধিতা – রবীন্দ্রনাথ আধুনিক নবজীবনকে প্রকৃতি ও পরিবেশের বড় শত্রু বলে মনে করতেন। এজন্য তার শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে নগর কলকাতা থেকে বহুদূরে, শান্তিনিকেতনে। 

iii ) অরণ্য রক্ষা ও বৃক্ষরোপণ – রবীন্দ্রনাথ তার শিক্ষানীতিতে অরণ্য সম্পদ রক্ষা ও বৃক্ষ রোপনের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি শান্তিনিকেতনে বৃক্ষরোপণ উৎসবের সূচনা করেন। 

iv ) গ্রাম জীবনকে সমর্থন – রবীন্দ্রনাথ ইঁট ও কংক্রিটের নগর এর পরিবর্তে গাছপালায় ঢাকা গ্রাম বাংলার বিষয়কে তার শিক্ষানীতিতে গুরুত্ব দিয়েছেন। এজন্য তিনি শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। 

Class 10 History Model Activity Task 2021 Part -1 

ক ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : 

১ ) স্মৃতিকথা কিভাবে ইতিহাসের উপাদান হিসাবে ব্যবহার হতে পারে উদাহরণসহ আলোচনা করো। 

উত্তর – স্মৃতিকথা হল স্মৃতিমূলক সাহিত্য।  ব্যাখ্যা করা বলা যায়  – 

এখানে লেখক তার জীবনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এবং সমসাময়িক দেশকালের স্মৃতি রোমন্থ করে গ্রন্থাগারে প্রকাশ করেন । 

এ প্রসঙ্গে বিপিনচন্দ্র পালের ‘ সত্তর বছর ‘ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ জীবনস্মৃতি ‘ ও সরলা দেবী চৌধুরানী ‘ জীবনের ঝরাপাতা ‘ নামক স্মৃতিকথা বলা হয় । 

২ ) বাংলার নবজাগরণ ছিল কলকাতা শহরকেন্দ্রিক –  মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো ।

উত্তর – উনিশ শতকের গোড়ায় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, সমাজ প্রভৃতি ক্ষেত্রে এক নবচেতনার সূচনা হয়।  যা বাংলায় নবজাগরণ নামে পরিচিত।  বাংলার নবজাগরণ মূলত ছিল কলকাতা শহরকেন্দ্রিক।  তাই সামগ্রিকভাবে সমস্ত বাংলায় ছড়িয়ে পড়েনি।  তবে এই নবজাগরণ এর মাধ্যমে বাংলার ধর্ম ও সমাজে আধুনিকতার সঞ্চার হয়েছিল। 

৩ ) চুয়াড় বিদ্রোহকে ‘ চুয়াড় বিপ্লব ‘ বললে কেন ভুল বলা হবে ?

উত্তর – বিপ্লব শব্দটি ১৭৬৮ – ৬৯ এবং ১৭৯৮ -৯৯  খ্রিস্টাব্দের দুই পর্বে সংঘটিত চুয়াড়দের সংগ্রামে তা অনুপস্থিত।  এই সংগ্রাম চুয়াড়দের জীবনধারায় কোন পরিবর্তন আনতে পারেনি। বিদ্রোহের পর সরকার ‘ জঙ্গলমহল ‘ নামে আলাদা প্রশাসনিক এলাকা করে দিলেও বহিরাগত জমিদার, ইজারাদার, মহাজন ইত্যাদি শ্রেণীর অত্যাচার থেকে মুক্ত হয়নি। তাই  চুয়াড়দের সংগ্রামকে ‘ বিপ্লব ‘ না বলে ‘ বিদ্রোহ ‘ আখ্যা দেওয়াই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত হবে। 

খ ) ভারতের মানচিত্রে নিম্নলিখিত স্থানগুলি চিহ্নিত করো ও নাম লেখ :

উত্তর – তোমরা নিজেরা বই দেখে করে নাও। 

গ ) উপযুক্ত তথ্য সহযোগে নিচের ছকটি পূরণ করো :

উত্তর – 

বঙ্গদর্শন – 

সম্পাদক – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। 

সময়কাল – ১৮৭২। 

বিষয়বস্তু – ইতিহাস, সঙ্গীত, সাহিত্য, সমালোচনা কৃষক সমস্যা, হিন্দু মুসলিম সমস্যা প্রভৃতি বিষয়ের উপর রচনা প্রকাশিত হয়।  

সোমপ্রকাশ – 

সম্পাদক – দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ। 

সময়কাল – ১৮৫৮। 

বিষয়বস্তু – উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ‘ সোমপ্রকাশ ‘ ছিল শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্তের অন্যতম প্রধান মুখপাত্র।  বিধবাবিবাহ, বহুবিবাহ প্রভৃতি সম্পর্কে প্রতিবেদন এতে নিয়মিত প্রকাশিত হতো। 

বামবোধনী – 

সম্পাদক – উমেশচন্দ্র দত্ত । 

সময়কাল – ১৮৬৩। 

বিষয়বস্তু – বামাবোধিনী মূল উদ্দেশ্য ছিল বামা সমাজের বন্ধনমুক্তি তথা নারী শক্তির জাগরণ। 

গ্রামবার্তা প্রকাশিকা – 

সম্পাদক – হরিনাথ মজুমদার । 

সময়কাল – ১৮৬৩। 

বিষয়বস্তু – এই পত্রিকায় জমি, জমিদার, কৃষক, মহাজন, নীলকর বিষয়ের ওপর আলোচনা থাকতো। 

হুতোম প্যাঁচার নকশা – 

সম্পাদক – কালিপ্রসন্থ সিংহ । 

সময়কাল – ১৮৬১। 

বিষয়বস্তু – এই গ্রন্থে সমকালীন কলকাতার সমাজ জীবনের দুর্নীতি, কপটতা ও ভন্ডামীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন।

ঘ ) নির্ভুল তথ্য দিয়ে ফাঁকা ঘরগুলো পূরণ করো :

উত্তর – 

সাঁওতাল – 

সময়কাল – ১৮৫৫ – ৫৬। 

অঞ্চল – বিহারের রাজমহল পাহাড়ের নিকটবর্তী অঞ্চল  – বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, বীরভূম। 

নেতৃত্ব –  সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব। 

কারণ – সাঁওতালদের বাসভূমি ‘ দাখিন -ই – কোহ ‘ অঞ্চলে সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি। সাঁওতালদের ওপর অত্যাচার। 

প্রভাব – এই বিদ্রোহ ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। 

মুন্ডা – 

সময়কাল – ১৮৯৯ – ১৯০০। 

অঞ্চল – বিহারের ছোট নাগপুর অঞ্চল । 

নেতৃত্ব –  বিরসা মুন্ডা। 

কারণ – ইংরেজ সৃষ্ট ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার ভাঙন ধরে ও তাদের বেকার শ্রম দানে বাধ্য করা। 

প্রভাব – এই বিদ্রোহের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা ব্যর্থ হলেও এই বিদ্রোহ মুন্ডাদের রাজনৈতিক চেতনা জাগ্রত করতে সমর্থ হয়। 

নীল – 

সময়কাল – ১৮৫৯ – ৬০। 

অঞ্চল – পাবনা, ফরিদপুর, খুলনা, দিনাজপুর । 

নেতৃত্ব – বিভূচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস। 

কারণ – নীলকররা দরিদ্র চাষিকে বিঘা প্রতি মাত্র দুই টাকা দাম দিয়ে তার জমিতে নীলচাষে বাধ্য করতো এবং উৎপন্ন নীল, নীলকরদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করতো। 

প্রভাব – এই বিদ্রোহের মাধ্যমে কৃষক, জমিদার, শিক্ষিত, মধ্যবিত্ত ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। 

ওয়াহাবি – 

সময়কাল – ১৮২৩ – ৫৫। 

অঞ্চল – পাঞ্জাব, বাংলা, বিহার, মিরাট । 

নেতৃত্ব – সৈয়দ আহমেদ তিতুমীর । 

কারণ – ইসলাম ধর্মের কুসংস্কার দূর করে কুরআন নির্দেশিত পথে ইসলামের শুদ্ধিকরণ । 

প্রভাব – ওয়াহাবি আন্দোলনে মূল লক্ষ্য ইংরেজদের বিতাড়িত করা।  তাই অনেকে একে জাতীয় আন্দোলন বলে আখ্যা দিয়েছেন। 

ফরাজি – 

সময়কাল – ১৮১৮। 

অঞ্চল – ফরিদপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ।  

নেতৃত্ব – হাজি শরিয়ত উল্লাহ । 

কারণ – ভারতকে ইসলামের দেশে পরিণত করা । 

প্রভাব – ফরাজি আন্দোলনের ধর্মীয় ভাব যুক্ত থাকলেও এটি মূলত ছিল একটি কৃষক বিদ্রোহ। 


আরও দেখো –

Life Science Class 10 Task 2021

Physical Science Class 10 Task 2021


Class 10 History Model Activity Task 2021 Part – 2

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো  : 

১ ) নারী ইতিহাস চর্চার প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উত্তর – প্রাচীন যুগের ইতিহাস আলোচনা করলে দেখা যায় সেখানে নারীদের অবস্থান সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা পাওয়া যায় না।  ধীরে ধীরে যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে সামাজিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে। সমাজে স্থান পেতে থাকে নারী সমাজ।  ইতিহাসের সেই পুরনো দিন থেকে আজ পর্যন্ত নারীরা কিভাবে অবস্থান করেছে সেই আলোচনায় হলো নারীর ইতিহাস। 

মনোভাব  – প্রাচীনকাল থেকেই মনে করা হতো নারীরা পুরুষের থেকে অনেক দিক থেকে পিছিয়ে। আর এই মনোভাবের ফলে ইতিহাসে নারীদের চর্চা খুব বেশি স্থান পায়নি। পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাসে দেখা গেছে নারীদের অবদান। ভারতের প্রাচীন ইতিহাসে আমরা কমবেশি নারীদের পেয়ে থাকি। লোপামুদ্রা থেকে যার শুরু সুলতান রাজিয়াতে তার প্রকাশ।\

বঞ্চনা – সমাজের পুরুষের মনে দূর মনোভাব ছিল যে নারীদের সবসময় আড়াল করে রাখতে হবে।  শুধুমাত্র এই বঞ্চনার শিকার থেকেই নারীদের ইতিহাস প্রাচীন থেকেই সীমিত হয়ে পড়ে। 

অধিকার –  প্রাচীন যুগের ইতিহাস থেকে মধ্যযুগ পর্যন্ত সময়ের ইতিহাসকে আলোচনা করলে দেখা যায় নারীকে কখনো তার নিজের অধিকার দেওয়া হতো না। 

আধুনিক নারী  – আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চা অনেক পরে শুরু হয়েছে। আধুনিক ভারতের থেকে নারীদের ইতিহাসে আসে পরিবর্তন। এখানে স্থান পেয়েছে মালেকা বেগম, রাজশ্রী বসু, সরোজিনী নাইডু, ইন্দ্রাগান্ধির মতো নারীরা। 

পরবর্তীকালে নারীরা সমাজে স্থান পেতে থাকে। তারা বিভিন্ন উচ্চপদে নিযুক্ত হতে থাকে। নারীদের এই বিকাশের ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ এক ইতিহাস। 

২ ) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা হলো একটি ব্যতিক্রমী পত্রিকা আলোচনা করো। 

উত্তর – পন্ডিত হরিনাথ মজুমদার ‘ গ্রামবার্তা প্রকাশিকা ‘ পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন। আর্থিক দুরবস্থা, পরিকাঠামোগত অসুবিধা সত্ত্বেও দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তিনি এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।  যাতে সমাজের নিপীড়িত, অত্যাচারিত, অবহেলিত মানুষের অবস্থা পরিবেশিত হয়। 

গ্রামবার্তা প্রকাশিকার বৈশিষ্ট্য – 

i ) ব্রিটিশ সরকার ও তার সহযোগী জমিদার ও মহাজন কর্তৃক প্রজা শোষণ ও অত্যাচারের কথা এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।  এমনকি জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির জমিদারি ব্যবস্থাও তাঁর সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পায়নি। 

ii ) গ্রাম ও গ্রামবাসী প্রজার অবস্থা, সমসাময়িক বিভিন্ন খবর এই পত্রিকায় প্রকাশিত হতো। 

iii ) এই পত্রিকায় সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান ইত্যাদি প্রকাশিত হয়েছিল। 

গ্রামবার্তা প্রকাশিকার অবদান – 

i ) আগের সমস্ত পত্র-পত্রিকা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল বলে তাতে শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানসিক প্রতিফলন ধরা পড়েছিল। কিন্তু ‘ গ্রামবার্তা প্রকাশিকা ‘ শুধু গ্রাম থেকেই প্রকাশিত হয়। 

ii ) এটিই ছিল বাংলার গ্রামীণ সংবাদপত্রের জনক। 

iii ) এতে গ্রামের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, বঞ্চনা, নিপীড়নের কথা, নীলকরদের অত্যাচারের কথা তুলে ধরা হয়েছিল বলে এটি ছিল ব্যতিক্রমী পত্রিকা। 

৩ ) নীল বিদ্রোহ সম্পর্কে সমকালীন শিক্ষিত বাঙালি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল ?

উত্তর – বাংলায় নীল বিদ্রোহের বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বাংলার মধ্যবিত্ত শ্রেণীর একাংশের যোগদান ও নীল বিদ্রোহের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন। 

মধ্যবিত্ত বাঙালি বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে যারা নীল আন্দোলনকে সমর্থন জানান তাদের মধ্যে শিশির কুমার ঘোষ ও ‘ হিন্দু প্যাট্রিয়ট ‘ পত্রিকার সম্পাদক হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়।

হিন্দু প্যাট্রিয়ট – হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এর ভবানীপুরের বসতবাড়িটি নীলচাষীদের আদালতে পরিণত হয়। তিনি নীলচাষীদের দুর্দশার কাহিনী তার পত্রিকার পাতায় দিনের-পর-দিন প্রকাশ করতে থাকেন। 

শিশির কুমার ঘোষ – গ্রামীণ সাংবাদিক শিশিরকুমার গ্রামাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে নীলচাষীদের জ্বলন্ত সংবাদ সংগ্রহ করতেন। 

খৃষ্টান মিশনারী – ১৮৬০ সালে দীনবন্ধু মিত্র এই বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে ‘ নীলদর্পণ ‘ নাটকটি রচনা করেন। 

আইনজীবীদের অংশগ্রহণ – বিশিষ্ট আইনজীবী শম্ভুনাথ পন্ডিত, প্রসন্নকুমার ঠাকুর প্রমূখ নীল বিদ্রোহীদের পক্ষ নিয়ে ওকালতি করেছিলেন। তবে অধিকাংশ আইনজীবী নীল বিদ্রোহকে সমর্থন করেননি। 

৪ ) উপযুক্ত তথ্য দিয়ে নিচের ছকটি পূরণ করো :

উত্তর – 

স্কুল বুক সোসাইটি – 

ব্যাক্তিত্ব – ডেভিড হেয়ার। 

অন্যান্য উদ্যোগ – i ) হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  ii ) হেয়ার স্কুল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।  iii ) ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি স্থাপন করেছিলেন। 

ব্রাহ্ম সমাজ – 

ব্যাক্তিত্ব – রামমোহন রায়। 

অন্যান্য উদ্যোগ – i ) নারী জাতির উন্নয়ন করেছিলেন।  ii ) সতীদাহ প্রথা নিবারনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। 

অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন – 

ব্যাক্তিত্ব – ডিরোজিও। 

অন্যান্য উদ্যোগ – i ) নব্য বঙ্গ আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। ii ) জাতিভেদ প্রথার বিরোধিতা করেছিলেন।  iii ) বিভিন্ন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন। 


আরও দেখো

Class 10 English Task 2021


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

আমি এই পোস্টটিতে তোমার সাথে শেয়ার করেছি –  Class 10 Model Activity Task History 2021 Part 5 / 4 / 3 / 2 / 1 | Class 10 Model Activity Task History | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 ইতিহাস | ক্লাস ১০ মডেল আক্টিভিটি টাস্ক ইতিহাস |

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।


পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Comment