[ 4th Part ] Class 10 Model Activity Task Bengali Part 7 October

13064
Class 10 Model Activity Task Bengali
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

[ 4th Part ] Class 10 Model Activity Task Bengali Part 7 October | Model Activity Task Bengali Class 10 Part 1- Part 2 Part 4 Part 5 Part 6 Part 7| মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 বাংলা উত্তর 2021

তোমরা যারা ক্লাস 10 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ অক্টোবর মাসে যে বাংলার নতুন ( ২০২১ সাল ) Model Activity Task দেওয়া হয়েছে। তার সমস্ত উত্তর এখান থেকে দেখে নাও ।

Class 10 All Subject Part 7Answer Pdf

Model Activity Task Class 10 Bengali Part 7 October 2021

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 7 October

১ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

১.১ ) ‘ হরিদার জীবনে সত্যিই একটা নাটকীয় বৈচিত্র্য আছে । ‘ – হরিদার জীবনের বৈচিত্র্যকে ‘ নাটকীয় ‘ বলা হয়েছে কেন ? 

উঃ – হরিদার জীবনের বৈচিত্র্যকে ‘ নাটকীয় ‘ বলার কারণ – হরিদার জীবনের নাটকীয় বৈচিত্র্য ছিল তাঁর  বৃত্তি অর্থাৎ বহুরূপী সেজে মানুষকে চমকে দেওয়ার পেশা । এতে তাঁর রোজগার সামান্য হলেও তাঁর জীবনে বৈচিত্রে এনে দেয় এই পেশা । হরিদা কখনোই একটি চরিত্রে বহুরুপ ধারণ করেননি, সপ্তাহে একদিন ভিন্ন ভিন্ন বহুরূপ ধারণ করে পথে বের হন । কখনো সেজেছেন উন্মাদ পাগল, কখনো বাইজি, কখনো বিরাগী আবার কখনো বা পুলিশ । নাটকের বিভিন্ন চরিত্রের মতোই তিনিও ভিন্ন ভিন্ন দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন, এইভাবে একা হরিদাই নাটকের বহু চরিত্র ও  বহুরসের উপভোগ্যতা এনে নিজেকেই যেন নাটকীয় বৈচিত্রে পরিপূর্ণ করেছেন । 

১.২ ) ‘ কি হেতু মাত, গতি তব আজি / এ ভবনে ? – বক্তা কাকে ‘ মাত ‘ সম্বোধন করেছেন ? তার আগমনের কারণ কি ? 

উঃ – উদ্ধৃতাংশটির বক্তা বীরশ্রেষ্ঠ ইন্দ্রজিৎ ধাত্রীমা প্রভাষার ছদ্মবেশধারী দেবী লক্ষ্মীকে ‘ মাত ‘ বলে সম্বোধন করেছেন । 

আগমনের কারণ – দেবী লক্ষ্মী ধাত্রী প্রভাষার রূপে প্রমোদ উদ্যানে হাজির হলে ইন্দ্রজিৎ তাঁকে আসার কারণ ও লঙ্কার কুশল জিজ্ঞাসা করেন । অত্যন্ত হতাশার সঙ্গে তিনি রামের সঙ্গে ভীষণ যুদ্ধে ইন্দ্রজিতের প্রিয় ভাই বীরবাহুর মৃত্যু সংবাদ ও পুত্র শোকে শোকাহত পিতা রাবণের যুদ্ধযাত্রার প্রস্তুতির কথা জানান । 

১.৩ ) ‘ হাই বিধি বাম মম প্রতি ‘ – বক্তা কে ? তার এমন মন্তব্যের কারণ বিশ্লেষণ করো । 

উঃ – উদ্ধৃত অংশটি মধুসূদন দত্ত রচিত ‘ অভিষেক ‘ নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে । এখানে বক্তা স্বয়ং রাবণ । 

বক্তার এমন মন্তব্যের কারণ – বীরবাহুর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ক্রুদ্ধ ইন্দ্রজিৎ লঙ্কায় উপস্থিত হয়ে রাবণের কাছে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করেন । একবার পুত্রশোক পাওয়ার পর রামের বিরুদ্ধে এই ভয়ানক যুদ্ধতে আর এক প্রিয় পুত্রকে পাঠাতে চান না রাবণ । কিন্তু ভাগ্য তার প্রতি একটাই বিরুপ যে,  শেষ পর্যন্ত রক্ষকুলশেখর ইন্দ্রজিৎকেও যুদ্ধে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি । 

১.৪ ) ‘ ওরে ওই স্তব্ধ চরাচর ‘ – চরাচর শব্দের অর্থ কি ? সেখানে স্তব্ধতা বিরাজমান কেন ? 

উঃ – চরাচর শব্দের অর্থ হলো সমগ্র পৃথিবী বা জগৎ । 

 চরাচর স্তব্ধতার কারণ – কবি প্রলয় বা ধ্বংসকে ফুটিয়ে তুলতে কখনো শিব, আবার কখনো সর্বনাশী জ্বালামুখী স্বরূপ চন্ডীমূর্তির রুদ্রতাণ্ডবের উপমা টেনে এনেছেন । বিনাশের অট্টহাসির গভীর ব্যঞ্জনা যেন সমগ্র জগতে সৃষ্টি করেছে এক রুদ্ধশ্বাস পরিবেশ । প্রলয়ের ভয়াবহ বিস্ফোরণের অজানা আশঙ্কায় এ পৃথিবী নিস্তব্ধ । কবির এ ভাবনায় প্রকাশ পেয়েছে উদ্ধৃত অংশে । 

১.৫ ) ‘ দেখি তোমার ট্যাঁকে এবং পকেটে একই আছে ? – উদ্দিষ্ট ব্যক্তির ট্যাঁক এবং পকেট থেকে কি কি পাওয়া গিয়েছিল ? 

উঃ – উদ্ধৃতাংশটি কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘ পথের দাবী ‘ থেকে নেওয়া হয়েছে । 

পলিটিকাল সাসপেক্ট সব্যসাচী মল্লিককে ধরার জন্য পুলিশ অত্যন্ত সন্দেহবশত গিরিশ মহাপাত্রকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ এবং খানাতল্লাশি করে । এ সময় তার – 

ট্যাঁক থেকে পাওয়া গিয়েছিল – গিরীশ মহাপাত্রের ট্যাঁক থেকে একটি টাকা আর গন্ডা ছয়েক পয়সা পাওয়া গিয়েছিল । 

পকেট থেকে পাওয়া গিয়েছিল – গিরীশের পকেট থেকে একটি লোহার কম্পাস, একটা কাঠের ফুটরুল, কয়েকটা বিড়ি, একটা দেশলাই ও একটা গাজার কল্কে পাওয়া গিয়েছিল । 

২ ) নিম্নরেখ পদগুলির ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো । 

২.১ ) তোরা সব জয়ধ্বনি কর । 

উঃ – ব্যাসবাক্য – জয়সূচক ধ্বনি । ( মধ্যপদলোপি কর্মধারয় সমাস ) 

২.২ ) দেবতা বাঁধা যজ্ঞ – যূপে পাষাণ স্তূপে ! 

উঃ – ব্যাসবাক্য – যজ্ঞের নিমিত্ত যূপ ( নিমিত্ত তৎপুরুষ সমাস ) 

২.৩ ) আমি এখন তবে চললুম কাকাবাবু । 

উঃ – ব্যাসবাক্য – যিনি কাকা তিনি বাবু । ( সাধারণ কর্মধারয় সমাস )  

২.৪ ) হিন্দু – মুসলমানের মাতৃভূমি গুকবাগ এই বাংলা । 

উঃ – ব্যাসবাক্য – হিন্দু ও মুসলমান ( দন্ধ সমাস ) 

২.৫ ) তার শোকে মহাশোকী রাক্ষসাধিপতি । 

উঃ – ব্যাসবাক্য – রাক্ষসদের অধিপতি ( সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস ) 

আরও দেখো নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে –

Class 10 History Part 7

Class 10 Geography Part 7

Class 10 Bengali Part 7 Answers | Class 10 Bengali October Answers | 4th Part Class 10 Model Activity Task Bengali 2021 | Class 10 Bengali 4th Part October 2021 |

মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Bengali Part 6 Answer 2021

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6 [ 3rd Part September ] | [ 3rd Part ] Model Activity Task Class 10 Bengali

১ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ । 

১.১ ) ‘ জগদীশবাবু যে কী কাণ্ড করেছেন, শোনেননি হরিদা ? ‘ – জগদীশবাবু কে ? কাণ্ডটি কি ? 

উঃ – জগদীশবাবু হলেন সুবোধ ঘোষের ‘ বহুরূপী ‘ গল্পের এক অন্যতম চরিত্র । 

জগদীশ বাবুর বাড়িতে এক বড় মাপের সন্ন্যাসী আসলে তিনি তাঁর পায়ের ধুলো নেবার জন্য কাঠের খরমে সোনার বোল লাগিয়ে তাঁর পায়ের কাছে ধরেছিলেন । সন্ন্যাসী সেই খড়ম পড়তে গেলে জগদীশবাবু কৌশলে তাঁর পায়ের ধুলো নিয়েছিলেন । এখানে এই কাণ্ডের কথা বলা হয়েছে । 

১.২ ) ‘ খুবই গরিব মানুষ হরিদা । ‘ – হরিদার পরিচয় দাও । তার দারিদ্রর ছবি ‘ বহুরূপী ‘ গল্পে কিভাবে প্রতিভাসিত হয়েছে ? 

উঃ – হরিদা হলেন সুবোধ ঘোষের বহুরূপী গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র । 

হরিদা খুবই গরীব মানুষ । সরু এক গলির মধ্যে ছোট একটা ঘরের সে থাকে। বহুরূপী সেজে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে যা বকশিশ পায় তা দিয়ে তার অন্নসংস্থান হয় । যথেষ্ট অভাব আছে তার । কোনদিন হাঁড়িতে ভাত চড়ে, তো কোনদিন চড়ে না । 

১.৩ ) ‘ কি হেতু, মাত গতি তব আজি এ ভবনে ? ‘ – বক্তা কাকে ‘ মাত ‘ সম্বোধন করেছেন ? তিনি এই প্রশ্নের উত্তর কি দিয়েছেন ? 

উঃ – মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘ অভিষেক ‘ কাব্যাংশে উদ্ধৃতাংশের বক্তা ইন্দ্রজিৎ, ধাত্রীর ছদ্মবেশে আসা দেবী লক্ষ্মীকে  ‘ মাত ‘ সম্বোধন করেছেন । 

এই প্রশ্নের উত্তরে ধাত্রী বলেছেন যে ইন্দ্রজিতের প্রিয় ভাই বীরবাহু ঘোরতর যুদ্ধে নিহত হয়েছেন এবং লঙ্কেশ্বর রাবণ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন । 

১.৪ ) ‘ এ মায়া, পিত, বুঝিতে না পারি ‘ – বক্তা কে ? কেন মায়া তাঁর বোধের অগম ? 

উঃ – মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘ অভিষেক ‘ কাব্যাংশে উদ্ধৃতাংশের বক্তা হলেন রাবণ পুত্র ইন্দ্রজিৎ ।

 প্রবল শর নিক্ষেপ করে রামচন্দ্রকে যুদ্ধে খন্ড খন্ড করে কেটে হত্যা করার পরও, সে নাকি তার ভাই বীরবাহু কে হত্যা করেছে । এই মায়া তাঁর বোধের অগম । 

১.৫ ) ‘ … ভদ্রতার অযোগ্য তোমরা ‘ – কার প্রতি এরূপ মন্তব্য ? বক্তা কোন পরিস্থিতিতে মন্তব্যটি করেছেন ? 

উঃ – শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের ‘ সিরাজদৌলাম ‘ নাট্যাংশে উদ্ধৃত মন্তব্যটি সিরাজদৌলা ওয়াটসকে উদ্দেশ্য করে করেছেন । 

আলিনগরের সন্ধির শর্ত লংঘন করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সিরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে ।কলকাতার এডমিরাল ওয়াটসনের একটি পত্র সিরাজের হাতে এসে পৌঁছায় । এর ফলে সিরাজ এই কথা জানতে পারেন । তিনি এও জানতে পারেন যে এই সবই ক্লাইভের পরিকল্পনা মাফিক এবং পূর্ব পরিকল্পিত । সর্বোপরি ওয়াটসও এই ষড়যন্ত্রের এক অংশীদার । এই পরিস্থিতিতে বক্তা এই মন্তব্যটি করেছেন ।

১.৬ ) ‘ মনে হয়, ওর নিঃশ্বাসে বিষ, ওর দৃষ্টিতে আগুন, ওর অঙ্গ সঞ্চালন ভূমিকম্প । ‘ – উদ্ধৃতিটির আলোকে ঘসেটি বেগমের চরিত্র বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো । 

উঃ – শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের ‘ সিরাজদৌলা ‘ নাট্যাংশে ঘসেটি বেগমের চরিত্রের কতগুলি বৈশিষ্ট্য আমাদের সামনে আসে । 

প্রতিহিংপরায়ণ – নবাব আলীবর্দীর মৃত্যুর পর তিনি চেয়েছিলেন তার পালিত পুত্র শওকত বাংলার সিংহাসনে বসুন। তাই সিরাজদৌলা সিংহাসনে বসলে তিনি প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত হয় । 

কটুভাষী – এক কথায় তিনি ছিলেন কটুভাষী । 

একরোখা – চরম মুহূর্তে তিনি তার সিদ্ধান্তে ও লক্ষ্যে স্থির থেকেছেন । সিরাজের আবেগদীপ্ত ডাকে তার মন গলেনি । 

১.৭ ) ‘ আলো তাঁর ভরবে এবার ঘর ‘ – কোন আলোই ঘর ভরে উঠবে ? 

উঃ – বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘ প্রলয়উল্লাস ‘ কবিতায় জগৎজুড়ে প্রলয় বা ধ্বংসের মাঝে সৃষ্টির আশাবাদ ধ্বনিত হয়েছে । দিগম্বরের ঘন চারিদিক অন্ধকার হলেও তার ফাঁকে অবস্থিত শিশু চাঁদ । সেই চাঁদের আলোয় ঘর ভরে উঠবে বলে কবি আশাবাদী । 

১.৮ ) ‘ … আসছে ভয়ঙ্কর ‘ – ভয়ংকর এর আগমন পরিস্থিতিটি  ‘ প্রলয়োল্লাস ‘ কবিতা অনুসরণে আলোচনা করো । 

উঃ – ‘ প্রলয়োল্লাস ‘ কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ভয়ঙ্করের বেশে নতুনের আগমনকে প্রত্যক্ষ করেছেন । প্রলয় নেশায় মত্ত হয়ে বিদ্রোহী শক্তির আগমন ঘটেছে । আসলে কবি দেশের মুক্তিকামী তরুণদের মধ্যে দেখেছেন মহাকাল বা শিবের রূপ । মহাকালের চণ্ডমূর্তির মধ্যেই যেন লুকিয়ে রয়েছে মুক্তির পথ । তরুণ বিপ্লবীরা কালবৈশাখী ঝড়ের শক্তি নিয়ে পুরাতনকে ধ্বংস করে, যেন নতুনের সমারোহ ঘটাতে চলেছে ।  

১.৯ ) ‘ অপূর্ব কহিল, বেলা হয়ে গেল, আমি এখন তবে চললুম কাকাবাবু । ‘ – বেলা কিভাবে গড়িয়ে গেল ? 

উঃ – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘ পথের দাবী ‘  রচনাতে অপূর্ব থানায় যাই তার ঘরের চুরির বিষয়টি জানাতে। সেখানে গিয়ে তিনি এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা অর্জন করে । বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক সন্দেহে কয়েকজনকে সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে । এদের মধ্যে গিরিশ মহাপাত্র নামে এক অদ্ভুত চরিত্রও রয়েছে যাকে নিয়ে বেশ জমে উঠেছে । এইসব দেখতে দেখতে বেলা গড়িয়ে যায় । 

১.১০ ) ‘ কৈ এ ঘটনা তো আমাকে বলেন নি ? ‘ – বক্তা কাকে এ কথা বলেছেন ? কোন ঘটনার কথা বক্তা আগে শোনেনি ? 

উঃ – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘ পথের দাবী ‘ রচনাতে উদ্ধৃত অংশটির বক্তা তথা রামদাস বন্ধুপ্রতিম সহকর্মী অপূর্বকে একথা বলেছেন । 

একবার কয়েকজন ফিরিঙ্গি যুবকের লাথি খেয়ে প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরিয়ে অপূর্ব যায় স্টেশন মাস্টারের কাছে অভিযোগ জানাতে । কিন্তু সে ইউরোপীয় না হওয়ায় স্টেশন মাস্টার তার কথা না শুনে তাকে কুকুরের মত তাড়িয়ে দেয় । এই ঘটনার কথা বক্তা আগে শোনেনি । 

২ ) ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করো । 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6

৩ ) কমবেশি ১৫০ শব্দে প্রতিবেদন রচনা করো । 

প্রশ্ন – লর্ডসে রুদ্ধশ্বাস জয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের । 

উত্তর – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

[ 3rd Part ] Model Activity Task Class 10 Bengali

Class 10 Model Activity Task Bengali Part 6 [ 3rd Part September ] | [ 3rd Part ] Model Activity Task Class 10 Bengali

মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 Bengali Answer 2021

১ ) কম বেশি ২০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখ :

১.১ ) ‘ গল্প শুনে খুব গম্ভীর হয়ে গেলেন হরিদা ‘ – হরিদা কোন গল্প শুনেছেন ?

উঃ – ‘ বহুরূপী ‘ গল্পের লেখক ও তার বন্ধুরা হরিদাকে জগদীশ বাবুর বাড়িতে আসা সন্ন্যাসীর কথা জানিয়েছিলেন। হিমালয় থেকে আসা সেই সন্ন্যাসী সারা বছরে শুধু একটি হরিতকী খান। সন্ন্যাসী হলেও তিনি জগদীশবাবু কাছ থেকে সোনার বল লাগানো কাঠের খড়ম ও একশো এক টাকা দক্ষিণা গ্রহণ করেছিলেন । হরিদা উপরিক্ত গল্প শুনে গম্ভীর হয়ে গিয়েছিলেন । 

১.২ ) ‘ বিদায় এবে দেহ বিধমুখী। ‘ – উদ্ধৃতাংশে বিধমুখী কে ?

উঃ – মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘ অভিষেক ‘ কবিতায় ইন্দ্রজিৎ প্রমোদকানন থেকে বিদায় নেওয়ার আগে প্রাণাধিক প্রিয় প্রমিলাকে বিধমুখী বলে সম্বোধন করেছিলেন। 

১.৩ ) ‘ মাভৈঃ মাভৈঃ ‘ – এমন উচ্চারণের কারণ কি ?

উঃ – বিদ্রোহী সত্তার অধিকারী কবি নজরুল তাঁর ‘ প্রলয়ল্লাস ‘ কবিতায়  ‘ মাভৈঃ মাভৈঃ ‘ শব্দযুগলের ব্যবহার করেছেন, যার অর্থ ভয় করো না অর্থাৎ নির্ভয়ে এগিয়ে চলো। পরাধীনতার অন্ধকার থেকে মুক্ত হওয়ার ভারতবাসীকে কবি পুরাতনকে ধ্বংস করে নতুনের বিজয় পতাকা ওড়ানোর জন্য হৃদয়ে সাহস সঞ্চার করার কথা বলেছেন। 

১.৪ ) ‘…দুজন বন্ধু লোক আসার কথা ছিল ‘ –  বন্ধুদের কোথা থেকে আসার কথা ছিল ?

উঃ – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘ পথের দাবী ‘ গল্পে উল্লেখিত গিরিশ মহাপাত্র জানিয়েছে এনাঞ্জং থেকে তার দুজন বন্ধু আসার কথা ছিল। 

২ ) প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কমবেশি ৬০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখ : 

২.১ ) ‘ অ্যাঁ, ? ওটা কি একটা বহুরূপী ? ‘ – প্রশ্নটি কাদের মনে জেগেছে ? তাদের মনে এমন প্রশ্ন জেগেছে কেন ? 

উঃ – কথা সাহিত্যিক সুবোধ ঘোষের ‘ বহুরূপী ‘ গল্প থেকে উদ্ধৃত অংশটি নেওয়া হয়েছে । শহরের জমজমাট পরিবেশে সন্ধ্যাবেলায় এক অপরূপ বাইজিকে নাচের ভঙ্গিতে হাঁটতে দেখে শহরে আগত যে সমস্ত আগন্তুকরা মুগ্ধ হয়েছিল তাদের মনেই উক্ত প্রশ্নটি জেগেছিল । 

এক সন্ধ্যায় বাইজির ছদ্মবেশে হরি শহরের পথে ঘুঙুরের মিষ্টি শব্দ করে হেঁটে চলে । শহরে নবাগত ব্যক্তিরা এই বাইজির রূপে মুগ্ধ হয়ে পড়লেও পাশের দোকানদার বাইজির বেশধারী বহুরূপী হরিদাকে চিনতে পেরে হেসে ফেলে । আগন্তুকরা বাইজির প্রকৃত পরিচয় যখন দোকানদারের কাছ থেকে জানতে পারে তখন তাদের সমস্ত রঙিন কল্পনার জগতের মোহ ভঙ্গ হয় এবং সেই সময় তাদের মুখ থেকে উচ্চারিত হয় উক্ত প্রশ্নটি । 

২.২ ) ‘ নাদিলা কব্রুরদল হেরি বীরবরে মহাগর্বে ‘ – কব্রুরদল শব্দের অর্থ কি ? উদ্ধৃতাংশ বীরবর কোথায় উপনীত হলে এমনটি ঘটেছে ? 

উঃ –  কব্রুরদল শব্দের সাধারণ অর্থ সৈন্যদল । প্রশ্নে  কব্রুরদল বলতে লঙ্কার রাক্ষস সৈন্যদলকে বোঝানো হয়েছে ।

স্বর্ণলঙ্কা যখন শত্রু পক্ষের ঘেরাটোপে, প্রিয় ভাই বীরবাহু যখন নিহত এবং পিতা রাবণ যখন বিরমদে মত্ত হয়ে রণসাজে সাজছেন, সে সময় তার প্রিয় পুত্র ইন্দ্রজিৎ স্বর্ণলঙ্কায় পিতার সামনে এসে উপস্থিত হলেন । রক্ষকুলমানি বীরবর অর্থাৎ ইন্দ্রজিৎকে দেখে কব্রুরদল অর্থাৎ রাক্ষসসেনা তেজ, সাহস ও অহংকারে মত্ত হয়ে গর্জন করে উঠেছিল । 

২.৩ ) ‘ তোরা সব জয়ধ্বনি কর ‘ – কার জয়ধ্বনি করতে কবির এই আহ্বান ? কেন তার জয়ধ্বনি করতে হবে ? 

উঃ – বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘ প্রলয়উল্লাস ‘ কবিতায় পরাধীন ভারতের মুক্তিকামী জনগণকে স্বপ্ন বা আশাপূর্ণকারি প্রলয়ের জয় ধ্বনি করতে বলেছেন। 

প্রলয় ধ্বংসকারী কিন্তু এটাও সত্য যে ধ্বংসের মধ্যে সৃষ্টির বীজ নিহিত । ভারতবর্ষের পরাধীনতা কবি নজরুলের কাছে ভীষণ পীড়াদায়ক ছিল । তিনি সর্বদাই এই অবস্থার অবসান চাইতেন । তিনি বুঝেছিলেন কালবৈশাখীর মত ভয়ঙ্কর শক্তি কিংবা প্রলয় নেশায় মত্ত মহাদেবের মতোই কেউ এসে এই অবস্থার অবসান ঘটাবে । তাই কবি ভারতীয়দের এই ধ্বংস ও সৃষ্টির দেবতার আগমনের উদ্দেশ্যে জয় ধ্বনি করতে বলেছেন । 

২.৪ ) ‘ কিন্তু ইহা যে কতবড় ভ্রম ‘ –  কোন ভ্রমের কথায এক্ষেত্রে বলা হয়েছে ? 

উঃ – ভামো যাত্রাকালে অপূর্ব ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর টিকিট কিনেছিল । সে ভেবেছিল সবাই তাকে সম্মান করবে এবং রাতের ঘুমটা ভালোই নির্বিঘ্নে কাটবে । কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তার এই ভাবনা ভ্রমে পরিণত হয় । অপূর্ব সন্ধ্যাহ্নিক সম্পূর্ণ করে স্পর্শদোষহীন খাবার খেয়ে শোবার উদ্যোগ নেয় । সে ব্যাঘাতহীন ঘুমের কথা ভাবলেও কয়েকটা স্টেশনের পরে তার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে । সারা রাত্রি অন্তত তিনবার পুলিশের লোক এসে তার নাম ঠিকানা লিখে নিয়ে যায় । অর্থাৎ প্রথম শ্রেণীর যাত্রী হিসেবে অপূর্ব যে মহাশান্তির ঘুম ও ব্যাঘাতহীন ট্রেন যাত্রার কল্পনা করেছিল সেটিকেই এখানে ভ্রম বলে উল্লেখ করা হয়েছে । 

৩ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ ঃ 

৩.১ ) ‘ বড় চমৎকার আজকে এই সন্ধ্যার চেহারা ‘ – ‘ বহুরূপী ‘ গল্প অনুসরণে উক্ত সন্ধ্যার দৃশ্য বর্ণনা করো । 

উঃ – সুবোধ ঘোষের লেখা ‘ বহুরূপী ‘ গল্পে এক সন্ধ্যায় হরিদা কথক ও তার বন্ধুদের এক আশ্চর্য খেলা দেখার আমন্ত্রণ জানান পাড়ার ধনী ব্যক্তি জগদীশবাবুর বাড়িতে । প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশ এই ‘ সন্ধ্যার চেহারার ‘ বর্ণনার কথাই বলা হয়েছে । 

সন্ধ্যার চেহারার ‘ বর্ণনা 

সেদিনের সন্ধ্যায় প্রকৃতিও যেন হরিদাকে সঙ্গ দিয়েছিল। স্নিগ্ধ ও উজ্জ্বল চাঁদের আলো দীর্ঘকাল পরে শহরের পরিবেশকে সুন্দর করে তুলেছিল । ফুরফুরে বাতাসে জগদীশবাবু বাড়ির বাগানের গাছের পাতা ঝিরিঝিরি করে যেন কিছু বলতে চাইছিল । এমন মায়াময় পরিবেশেই আবির্ভাব হয়েছিল বিরাগী – রুপী হরিদার । 

৩.২ ) ‘ ছিঁড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী ‘ – মহাবলী কে ? তিনি রুষ্ট কেন ? 

উঃ – মহাবলী বলতে রাক্ষস বংশের শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা ইন্দ্রজিতের কথা বলা হয়েছে। 

স্বর্ণলঙ্কার ঘোর দুর্দিনের সংবাদ নিয়ে প্রভাষারুপী লক্ষী প্রমোদকাননে এসে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত ইন্দ্রজিৎকে তিনি জানান – 

i ) ভয়াবহ যুদ্ধে তাঁর প্রিয় ভাই বীরবাহু নিহত হয়েছেন। 

ii ) পুত্রশোকে স্তব্ধ রক্ষপতি রাবণ সৈন্য নিয়ে যুদ্ধযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

iii ) লঙ্কাপুরী এখন বীরশূন্য । 

ভাইয়ের মৃত্যু ও পিতার যুদ্ধযাত্রার কথা শুনে আত্ম অনুশোচনায় ক্ষুব্ধ ইন্দ্রজিৎ ভাতৃঘাতক রামচন্দ্রের উপর প্রবল রুষ্ট হয়েছিলেন । 

৩.৩ ) ‘ প্রলয় বয়েও আসছে হেসে… মধুর হেসে । ‘ – কে আসছেন ? তাঁর হাসির কারণ বিশ্লেষণ করো ।

উঃ – ‘ প্রলয়োল্লাস ‘ কবিতায় মহাকালের পদধ্বনি ধ্বনিত হয়েছে । সুতরাং প্রলয়রুপি মহাকালের আসার কথাই প্রদত্ত অংশে বলা হয়েছে । 

হাসির কারণ 

প্রলয়ের মধ্যেই লুকিয়ে আছে নতুনের বীজ । ধ্বংসের মাঝেই নিহিত আছে নতুন সৃষ্টির হাতছানি । দীর্ঘ প্রলয়ের শেষে যা-কিছু জীর্ণ, পুরাতন, জরাগ্রস্ত ও মুমূর্ষ তাদের বিনাশ ঘটিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন ঊষা নতুন সূর্যের কিরণে উদ্ভাসিত হবে । এজন্যই প্রলয়রুপি মহাকাল সকল অন্যায় অত্যাচারকে বিনাশ করে নতুন যুগের সূচনা করার তৃপ্তিতে হাসছেন । 

৩.৪ ) ‘ বাবুজি, এসব কথা বলার দুঃখ আছে । ‘ – বক্তা কে ? কোন কথার পরিপ্রেক্ষিতে সে একথা বলেছে ? 

উঃ – প্রদত্ত উক্তিটির বক্তা হলেন অপূর্বর সহকর্মী রামদাস তলওয়ারকর । 

অপূর্বর কথার পরিপ্রেক্ষিতে রামদাস তলওয়ারকর একথা বলেছে । অপূর্বর বক্তব্যে দেশপ্রেমের তথা প্রতিবাদী চেতনার প্রকাশ আছে । পুলিশ কর্মচারী নিমাইবাবু অপূর্বর আত্মীয়, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং তার বাবা ওনার চাকরি করে দিয়েছিলেন । কিন্তু মানুষটি যতই আত্মীয় হন তার দেশের চেয়ে আপনার নয় বলেছে । সে আরো বলেছে বরং যাকে অর্থাৎ মল্লিক এর মত দেশপ্রেমীককে ধরার জন্য দেশের টাকায় দেশের লোক দিয়ে শিকারের মত তারা করে বেড়াচ্ছে  । তিনি ঢের বেশি তার আপনার । এ কথা বলার পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে ভেবে রামদাস মুচকি হেসে উদ্ধৃত কথাটি বলেছেন ।

৪ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ ঃ 

৪.১ ) ‘ এজন্য চরিত্র চাই, গোঁয়ার রোখ চাই । ‘ –  ক্ষিতীশ সিংহ কিভাবে কোনির চরিত্র এবং গোঁয়ার রোখ তৈরিতে সচেষ্ট হয়েছিলেন ? 

উঃ – প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মতি নন্দী রচিত ‘ কোনি ‘ উপন্যাস থেকে গৃহীত হয়েছে । সাধারণ এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে থেকে নিজের একগুঁয়েমি, নিষ্ঠা ও অধ্যাবসায়কে পাথেয় করে কোনির চরিত্র নির্মাণ ও জেদ তৈরি করে কাঙ্খিত উচ্চতায় উত্তরণের পিছনে যে মানুষটির অবদান অনস্বীকার্য তিনি হলেন কোনির খিদ্দা অর্থাৎ ক্ষিতীশ সিংহ । 

কোনির চরিত্র তৈরিতে ক্ষিতীশের ভূমিকা 

নিষ্ঠাবান সাঁতার প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ সিংহ কোনির ভিতরে লুকিয়ে থাকা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষণগুলি চিনতে পেরেছিলেন । তাই তাকে চ্যাম্পিয়ন বানানোর লক্ষ্যে তিনি – 

i ) কোনির জন্য কঠোর অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিলেন এবং ঘন্টার পর ঘন্টা তাকে দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করিয়েছেন । 

ii ) ক্ষিতীশ তাকে স্নেহ মমতার পাশাপাশি প্রয়োজনবোধে শাসনও করেছিলেন । 

iii ) কোনির খাদ্য ও প্রশিক্ষণের যাবতীয় দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন । এমনকি প্রজাপতিতে একটি কাজের ব্যবস্থাও করে দিয়েছিলেন । 

iv ) খারাপ সময়ে কোনির পাশে থেকেছেন এবং তার প্রয়োজনীয় আবদারগুলোও পূরণ করেছেন । 

এই ভাবেই ক্ষিতীশ এর সহয়তায় কোনির চরিত্র পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করেছিল । 

গোঁয়ার রোখ তৈরিতে ক্ষিতীশের ভূমিকা – 

ক্ষিতীশ গভীরভাবে প্রত্যক্ষ করেছিলেন কোনির প্রতিভা আছে, স্বপ্ন আছে কিন্তু নেই শুধুমাত্র জেদ অর্থাৎ গোঁয়ার রোখ। তাই খুব সুকৌশলে ক্ষিতীশ কোনির মনে তীব্র জেদ তৈরির মাধ্যমে সাফল্যের  স্বর্ণশিখরে আরোহণ করতে চেয়েছিলেন । এজন্য – 

i ) কোনির জীবনে পাওয়া প্রত্যেকটি লাঞ্ছনা বঞ্চনা, হিয়া মিত্র নাম ও অমিয়ার অপমানকে ক্ষিতীশ বারবার কোনিকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যাতে তার হৃদয়ে প্রতিশোধের স্পৃহা সর্বদা জাগ্রত থাকে । 

ii ) অসহায় দারিদ্রতার কাছে পদে পদে হেরে যাওয়ার আক্রোশ কোনিকে বুকের মধ্যে পুষে রাখার কথা বারবার শুনিয়েছিলেন । 

iii ) মনে তীব্র জেদ আনার জন্য ক্ষিতীশ অন্যান্য সাঁতারুদের সঙ্গে বারংবার কোনির তুলনা করেছিলেন । 

এই ভাবেই ক্ষিতীশ কোনির গোঁয়ার রোখ অর্থাৎ জেদ তৈরিতে সচেষ্ট হয়েছিলেন । 

৪.২ ) ‘ খিদ্দা এবার আমরা কি খাব ‘ – উদ্ধৃতিটির আলোকে কোনির যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবনযাত্রার পরিচয় দাও ।

উঃ – আলোচ্য উক্তিটির বক্তা হলেন এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কোনি । 

কোনির যন্ত্রণাবিদ্ধ জীবনযাত্রার পরিচয় – 

শ্যামপুকুর বস্তির বাসিন্দা কোনির পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল মানুষ ছিল তার দাদা কমল । একদা সাঁতারু হওয়ার স্বপ্ন দেখা কমল দারিদ্রর চাপে উপার্জনের সন্ধানে যোগ দেয় রাজাবাজারের একটি মোটর গ্যারেজে । সেখান থেকে কষ্ট করে দেড়শ টাকা তার সংসার চালানোর জন্য উপায় করত । দু বেলা দু মুঠো ভাত ছাড়া আর বিশেষ কিছু সংস্থান তাতে হতো না ঠিকই কিন্তু প্রাণ ধারটুকু হয়ে যেত । 

পরের দিকে কমল পরিবারে সচ্ছলতার উদ্দেশ্যে এক ভাইকে ১৫ টাকা মাইনের বিনিময় একটি চায়ের দোকানে কাজে ঢুকিয়েছিল । কোনিকে ৬০ টাকায় এক সুতো কারখানায় ঢোকাবার ইচ্ছে থাকলেও ক্ষিতীশ কোনিকে বড় সাঁতারু করার ইচ্ছে প্রকাশ করায় তা আর হয়ে ওঠেনি । ক্ষিতীশ কোনিকে প্রতিদিন খাবার জন্য একটা টাকা দিত তাও কোনির সংসার এর পিছনেই খরচ হয়ে যেত । এই টানাটানির সংসারের প্রধান উপার্জন করা ব্যক্তি কমল হঠাৎ যক্ষ্মারোগে ভুগে মারা গেলে পরিবারের বাকিদের অবস্থা আরও সঙ্গিন হয়ে পড়ে । 

তাই তার মৃত্যুতে শোকের চাইতেও যে প্রশ্নটি প্রাসঙ্গিকভাবে আঘাত করে পরিবারের সব সদস্যের মনে সেটিই কোনির মুখ দিয়ে খিদ্দার উদ্দেশ্যে নির্গত হয়েছে – ‘ এবার আমরা কি খাবো ? ‘ 


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

আমি এই পোস্টটিতে তোমার সাথে শেয়ার করেছি – [ 4th Part ] Class 10 Model Activity Task Bengali Part 7 October | Model Activity Task Bengali Class 10 Part 1- Part 2 Part 4 Part 5 Part 6 Part 7 | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 বাংলা উত্তর 2021

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

2 COMMENTS

  1. ধন্যবাদ আমাদের এত সাহায্য করার জন্য আমাদের সকল ছাত্রদের

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here