[ Final Task ] Class 5 Model Activity Task Bengali November Part 8

17361
[ Final Task ] Class 5 Model Activity Task Bengali November Part 8
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

[ Final Task ] Class 5 Model Activity Task Bengali November Part 8 | Class 5 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Bangla উত্তর নভেম্বর | Model Activity Task Class 5 Bengali Part 8 November Answer|

প্রিয় ছাত্র – ছাত্রীরা তোমরা যারা ক্লাস 5 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ নভেম্বর মাসে বাংলার যে নতুন ( ২০২১ সাল )Model Activity Task দেওয়া হয়েছে। তার সমস্ত উত্তর এখান থেকে দেখে নাও ।

Class 5 All Subject November Answer Pdf

বাংলা ( নভেম্বর )
পঞ্চম শ্রেণী
পূর্ণমান – ৪০

Class 5 Model Activity Task Bengali November Part 8

১ ) একটি বাক্যে উত্তর দাও । 

১.১ ) ‘ আয়রে ছুটে ছোটরা ‘ – ছোটদের কেন ছুটে আসতে হবে ? 

উঃ – ছোটদের ছুটে আসতে হবে কারণ গল্পবুড়ো তার ঝুলিতে করে অনেক রকম মন ভরানো গল্প নিয়ে এসেছে।  

১.২ ) ‘ … আমাদের জওয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল । ‘ – জওয়ানদের ঘাঁটি কোথায় ছিল ? 

উঃ – জওয়ানদের ঘাঁটি ছিল লাডাকের একটি বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে।  

ইংলিশ, গণিত, স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা ( নভেম্বর ) পঞ্চম শ্রেণী পূর্ণমান – ৪০ – নিচে ইউটিউব ভিডিওটি ক্লিক করে উত্তরগুলো দেখে নাও ।

১.৩ ) ‘ দারোগাবাবু এবং হাবু ‘ কবিতায় মেজদার পোষ্য কারা ? 

উঃ – দারোগাবাবু ও হাবু কবিতায় মেজদার পোষ্য হলো আটটা কুকুর।  

১.৪ ) উলগুলান কাদের লড়াই ? 

উঃ –  উলগুলান হল সাহেবদের সাথে মুন্ডাদের লড়াই।  

১.৫ ) ‘ কেউ করে না মানা।  ‘ – কার কোন কাজে কেউ নিষেধ করে না ? 

উঃ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ‘ কবিতায় সারা আকাশ জুড়ে মেঘ খেলে বেড়ায়।  তার এই কাজে কেউ নিষেধ করে না।  

১.৬ ) ‘ এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে।  ‘ – কি চাষের সময় কুমিরে একথা বলেছিল ? 

উঃ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ‘ বোকা কুমিরের কথা ‘ গল্পে ধান চাষের সময় কুমির বলেছিল ‘  ‘ এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে।  ‘

১.৭ ) ‘ মাঠ মানে কি অথৈ খুশির অগাধ লুটোপুটি ‘ – অথই এবং অগাধ শব্দ দুটির অর্থ লেখ।  

উঃ – অথই শব্দের অর্থ – যেন তল নেই এমন গভীর।  

অগাধ শব্দের অর্থ – প্রচুর।  

১.৮ ) ‘ ঝড় ‘ কবিতায় উল্লেখিত দুটি গাছের নাম লেখ।  

উঃ – ঝড় কবিতায় দুটি উল্লেখিত গাছের নাম হল – বকুল গাছ ও চাঁপা গাছ।  

১.৯ ) ট্যাক শব্দের অর্থ কি ? 

উঃ – ট্যাক শব্দের অর্থ হলো ত্রিভূজ আকারের জমির মাথা।  

১.১০ ) ‘ করুনা করি বাঁচাও মোড়ে এসে ‘ – কখন ফনিমনসা একথা বলেছে ? 

উঃ – ফনিমনসা এ কথা বলেছিল যখন ডাকাতেরা সব সোনার পাতা ছিড়ে ফনিমনসা গাছটিকে. একেবারে ন্যাড়া করে রেখে চলে গিয়েছিল।  

২ ) নিজের ভাষায় উত্তর দাও।  

২.১ ) ‘ গল্পবুড়ো ‘ কবিতা রূপকথার কোন কোন প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে ? 

উঃ – সুনির্মল বসুর ‘ গল্পবুড়ো ‘ কবিতায় দৈত্য, দানব, রাজপুত্র, পক্ষীরাজ, সার বাঁধা করীর পাহাড়, চোখ ধাঁধানো হীরা মানিক, সোনার কাঠি, ময়নামতির টলটলে জল, তেপান্তরের মাঠ, হট্টমেলার হাট এবং কেশবতী নন্দিনী মত রূপকথা প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে . 

২.২ ) ‘ এমনি করে সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল।  ‘ – জওয়ানদের সেই শীতকাল যাপনের কথা কিভাবে বুনোহাঁস গল্পে ফুটে উঠেছে ? 

উঃ – লীলা মজুমদারের ‘ বুনোহাঁস ‘ গল্পে শীতের শুরুতে একটি জখম হাঁস লাডাকে জওয়ানদের ঘাঁটির কাছে নেমে আসে।  তাকে দেখে আর একটা হাঁস নিচে নেমে আসে।  জখম হাঁসটিকে জওয়ানরা তুলে এনে তাদের মুরগি রাখার খালি জায়গাতে রাখে। সারা শীতকাল হাঁস দুটি জওয়ানদের সাথে থাকে এবং জওয়ানদের ফেলে রাখা খাবার, মাছ ইত্যাদি খায়।  ধীরে ধীরে যখন হাঁস দুটি সুস্থ হয়ে ওঠে এবং উড়তে পারে।  এইভাবে হাঁস দুটোকে দেখতে দেখতে জওয়ানদের শীতকাল কেটে যায়।  

২.৩ ) ‘ নালিশ আমার মন দিয়ে খুব / শুনুন বড়বাবু।  ‘ – থানার বড় বাবুর কাছে হাবু কী কী নালিশ জানিয়েছিল ? 

উঃ – থানার বড় বাবুর কাছে হাবু  কেঁদে কেঁদে নালিশ জানিয়েছিল যে তারা চার ভাই এক সঙ্গে একটা ঘরে থাকেন।  সেই ঘরে বড়দা সাতটি বেরাল পোষেন।  মেজদার আছে আটটি কুকুর।  আর সেজদা পোষেন দশটি ছাগল।  এর ফলে গন্ধে তাদের সেখানে বাস করাটাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।  

২.৪ ) ‘ এতোয়াকে দেখলে মনে হয় দুরন্ত এক বাচ্চা ঘোড়া।  ‘ – উদ্ধৃতিটির আলোকে এতোয়ার কাজকর্মের পরিচয় দাও।  

উঃ – মহাশ্বেতা দেবীর ‘ এতোয়া মুন্ডার কাহিনী ‘ এর মূল চরিত্র এতোয়া সবসময় ব্যস্ত থাকে গরু, ছাগল, মোষ চরাতে।  বাগানে গরু চরাতে টক আম, শুকনো কাঠ, মেটে আলু, পুকুর পাড় থেকে তোলা শাক বস্তায় ভরে নেয়।  তারপর ডুলুং নদী পেরিয়ে ঘন সবুজ ঘাস বনে গরু, মোষ ছেড়ে দেয়।  তারপর সুবর্ণরেখা নদীতে বাঁশে বোনা জালটাকে পেতে নিজেকে রাজা ভাবতে থাকে।  

২.৫ ) ‘ বিমলার অভিমান ‘ কবিতা অনুসরণে বিমল আর অভিমান কারণ বিশ্লেষণ কর।  

২.৬ ) ‘ ছাদটা ছিল আমার কোতাবে – পড়া মরুভূমি। …’ – ছেলেবেলা রচনা ছাদের প্রসঙ্গটি লেখক কিভাবে স্মরণ করেছেন ? 

Class 5 Model Activity Task Bengali November Part 8

২.৭ ) ‘ তারি সঙ্গে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান ‘ – কেমন দিনে কথকের ছেলেবেলার কোন গানটি মনে পড়ে ? 

উঃ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ‘ কবিতা অনুসারে বৃষ্টির দিনে কথকের ছেলেবেলার যে গানটি মনে পড়ে সেটি হল – ‘ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান ‘ 

২.৮ ) ‘ ব্যাঙ স্বেচ্ছায় বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হল ‘ – বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হয়ে ব্যাঙ  কি করেছিল ? 

উঃ – ‘ পাহাড়িয়া বর্ষার সুরে ‘ রচনাতে ব্যাঙ বৃষ্টি এনে পৃথিবীকে বাঁচাতে চেয়েছিল।  এইজন্য সে একদিন সকালে রওনা দিয়েছিল ভগবানের প্রাসাদের উদ্দেশ্যে।  চলার পথে মৌমাছি, মোরগ ও বাঘকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ যাত্রা শেষে ভগবানের প্রাসাদে পৌঁছে ভগবানের কাছে নালিশ জানিয়েছিল।  

২.৯ ) ‘ ভেবে পাই না নিজে ‘ – কবি কি ভেবে পান না ? 

উঃ – কবি অশোক বিজয় রাহা ‘ মায়াতরু ‘ কবিতায় একটি আজব গাছের বর্ণনা দিয়েছেন।  সকাল, সন্ধ্যা, রাত, বৃষ্টি ও পূর্ণিমার আলোয় কবি গাছটিকে দেখেছেন।  প্রত্যেক বারই গাছটি তার ভিন্ন ভিন্ন মায়াবী রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে।  কিন্তু ভোর বেলায় গাছটির প্রকৃত রূপ কেমন তা কবি কখনো ভেবে পান না।  

২.১০ ) ‘ ফনিমনসা ও বনের পরী ‘ নাটকে সুত্রধার এর ভূমিকা আলোচনা করো।  

উঃ –  ‘ ফনিমনসা ও বনের পরী ‘ নাটকে সূত্রধর প্রতিমুহূর্তে দর্শক বা পাঠককে সক্রিয় রেখেছে।  নাটকটি যাতে পাঠক বা দর্শক ভালোভাবে বুঝতে পারে তার সমস্ত রকম তথ্য সে দিয়েছে।  ফলে দর্শক নাটকটির সম্পূর্ণ রসাস্বাদন করতে পেরেছে।  

৩ ) নির্দেশ অনুসারে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।  

৩.১ ) সন্ধি করো – 

Class 5 Model Activity Task Bengali November

৩.২ ) নিচের পদগুলি ব্যঞ্জন সন্ধির কোন কোন নিয়ম মেনে বদ্য হয়েছে লেখ।

Class 5 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Bangla উত্তর নভেম্বর

Class 5 Bengali Part 8 Task November 2021 | Final Task November Class 5 Bengali Task 2021 | Class V Bengali Part 8 November Answer |

[ 4th Series ] Model Activity Task Class 5 Bengali Part 7 [ October 2021 ]

১ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

১.১ ) ‘ অবশেষে দীর্ঘ যাত্রা শেষে তারা ভগবানের প্রাসাদে পৌঁছলো । ‘ – কাদের কথা বলা হয়েছে ? তারা ভগবানের প্রাসাদে গিয়েছিল কেন ? 

উঃ – আলোচ্য অংশে ব্যাঙ, মৌমাছি, মোরগ ও বাঘের কথা বলা হয়েছে । 

একবার পৃথিবীতে খরা দেখা দেওয়ায় মানুষ, পশু, গাছপালা ধ্বংস হতে লাগল । ভগবান কেন তার সৃষ্টিকে এত অবহেলা করছে তা জানার জন্য এবং বৃষ্টি এনে পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য তারা ভগবানের প্রাসাদে গিয়েছিল । 

১.২ ) ‘ আমার যেন লাগলো ভারী ভালো । ‘ – কোন দৃশ্য কথকের ভারী ভালো লেগেছে ? 

উঃ – ঝড় এর শুরুতে হঠাৎ করে মেঘ ঘনিয়ে চারদিকের প্রকৃতি অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে দেখে কথকের মন আনন্দে ভরে ওঠে । তিনি দেখলেন সমস্ত আকাশ, বকুলতলা, চাপার বন এমনকি নদীর জল পর্যন্ত কালো বর্ণ ধারণ করেছে । তিনি দেখতে পেলেন কালো জলে ভরা নদী পার হয়ে মাঝি তাড়াতাড়ি ফিরে এলো । এইসব দৃশ্য কথকের ভারী ভালো লেগেছে । 

১.৩ ) ‘ লোকে বলে, মন্ত্র জানা চাই । ‘ – কিসের মন্ত্র । ‘ মধু আনতে বাঘের মুখে ‘ রচনায় মন্ত্র জানা লোকটির নাম কি ? 

উঃ – মৌমাছিকে ভুল পথে চালনা করার মন্ত্রের কথা এখানে বলা হয়েছে । 

‘ মধু আনতে বাঘের মুখে ‘ রচনায় মন্ত্র জানা লোকটির নাম হল ধনাই । 

১.৪ ) ‘ মুকুট হয়েছে ঝাঁক বেঁধেছে লক্ষ হীরার মাছ । ‘ – কি দেখে কবির এমন মনে হতো ?  

উঃ – অশোকবিজয় রাহার লেখা ‘ মায়াতরু ‘ কবিতায় বৃষ্টি ভেজা গাছের উপর চাঁদের আলো ঠিকরে পড়ে হীরের মতো ঝকমকিয়ে ওঠে । ভেজা পাতাগুলোকে মাছের মতই দেখতে লাগে । তাই গাছটিকে দেখে কবির মনে হতো,  মুকুট হয়ে যেন লক্ষ হীরের মাছ সেখানে ঝাঁক বেঁধে আছে । 

১.৫ ) ‘… কান্নায় ভেঙে পড়ল ছোট্ট ফনিমনসা গাছ । ‘ – ছোট্ট ফনিমনসা গাছ কান্নায় ভেঙে পড়লো কেন ? 

উঃ – বনের পরীর আশীর্বাদে ছোট্ট ফনিমনসা গাছের ছুঁচালো, কাঁটা ভরা পাতা বদলে সোনার পাতা হয়ে যায় । কিন্তু হঠাৎ করে একদল ডাকাতের নজর পড়ে সোনার পাতা ভরা সেই গাছটির দিকে । নিমেষের মধ্যে ডাকাতেরা এসে সব সোনার পাতা ছিঁড়ে নিয়ে পোটলা বেঁধে গাছটিকে একেবারে ন্যাড়া করে দেয় । ফলে ছোট্ট ফনিমনসা গাছ কান্নায় ভেঙে পড়ে । 

২ ) নিচের ব্যাকরণগত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

২.১ ) নিচের বাক্যগুলিতে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দগুলিকে বদলে বাক্য গুলিকে পুনরায় লেখ । 

২.১.১ ) গিন্নি মায়ের আদেশে সকলে একসঙ্গে চলল । 

উঃ – কর্তা বাবার আদেশে সকলে একসঙ্গে চলল । 

২.১.২ ) তীর্থর দিদি কলেজের অধ্যাপিকা । 

উঃ – তীর্থর দাদা কলেজের অধ্যাপক । 

২.১.৩ ) পাঠিকাদের সমাগমে লেখিকা একে একে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন । 

উঃ – পাঠকদের সমাগমে লেখক একে একে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন । 

২.২ ) লিঙ্গ পরিবর্তন করো ( পুংলিঙ্গ থেকে স্ত্রী লিঙ্গ ) 

২.২.১ ) কবি 

উঃ – মহিলা কবি । 

২.২.২ ) গুণবান 

উঃ – গুণবতী । 

আরও দেখো ক্লিক করে – Class 5 Poribesh Part 7 October

Class 5 Bengali Part 7 Task October 2021 | 4th Series Class 5 Bengali Task 2021 | Class V Bengali Part 7 Answer |

[ 3rd Part ] Model Activity Task Class V Bengali Part 6 September 2021

১ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

১.১ ) ‘ কেউ করে না মানা ‘ – কার কোন কাজে কেউ নিষেধ করে না ? 

উঃ – ‘ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ‘ কবিতায় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন যে মেঘেরা আকাশের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় । তারা অবাধে দেশে দেশে খেলে বেড়ায় । এই কাজে কেউ তাদের নিষেধ করে না । 

১.২ ) ‘ এবার আমাকে গোড়ার দিক দিতে হবে ‘ – কি চাষের সময় কুমির একথা বলেছিল ? 

উঃ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা ‘ বোকা কুমিরের কথা ‘ গল্পে ধান চাষের সময় কুমির বলেছিল যে তাকে গোড়ার দিক দিতে হবে । 

১.৩ ) ‘ মাঠ মানে কি অথই খুশির অগাধ লুটোপুটি ‘ – অথই এবং অগাধ শব্দ দুটির অর্থ লেখ ? 

উঃ – অথই শব্দের অর্থ – যেন তল নেই এমন গভীর । 

অগাধ শব্দের অর্থ – অফুরন্ত / অসীম / অনন্ত । 

১.৪ ) ‘ ঝড় ‘ কবিতায় উল্লেখিত দুটি গাছের নাম লেখ ? 

উঃ –  ‘ ঝড় ‘ কবিতায় উল্লেখিত দুটি গাছের নাম হল বকুল গাছ ও চাঁপা গাছ । 

১.৫ ) ‘ ট্যাক ‘ শব্দের অর্থ কি ? 

উঃ – দুটো ছোট নদী মিশে যাওয়ার ফলে একটা ত্রিভুজ খন্ড তৈরি হয় । এই ধরণের ত্রিভুজ আকারের জমির মাথাকে  ‘ ট্যাক ‘ বলে । 

১.৬ ) ‘ রুপালি এক ঝালর ‘ – কবি কোথায় রুপালি ঝালর দেখেছেন ? 

উঃ – কবি অশোক বিজয় রাহা তার ‘ মায়াতরু ‘ কবিতায় যে গাছের কথা বলেছেন সেই গাছটি সময়ে সময়ে রূপ বদলায় । সকালবেলায় সেই গাছটিকে দেখে কবির মনে হয় সেখানে যেন একটা রুপালি ঝালর পড়ে আছে । 

১.৭ ) ‘ করুনা করি বাচাও মোরে এসে ‘ – কখন ফনিমনসা একথা বলেছে ? 

উঃ – বনের পরীর আশীর্বাদে ফনিমনসা গাছের ছুঁচালো কাঁটাওয়ালা পাতাগুলো সোনার পাতায় পরিণত হয় । কিন্তু একদল ডাকাত এসে সব পাতা ছিঁড়ে নিয়ে যায় । ফলে গাছটি ন্যাড়া হয়ে পড়ে । এরপরই ফনিমনসা গাছ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে । প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে এবং বনের পরীর কাছে আবেদন জানাই তাকে এসে বাঁচানোর জন্য ।

২ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ । 

২.১ ) ‘ মাঠ মানে তো সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দ্বীপ ‘ – উক্তিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও । 

উঃ – কবি কার্তিক ঘোষ তাঁর ‘ মাঠ মানে ছুট ‘ কবিতায় মাঠকে সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দ্বীপ বলেছেন । মাঠ হলো সবুজ ঘাসে ঢাকা খোলা একটা বড় জায়গা যেখানে ছোটরা লুটোপুটি খায়, হইচই করে । মাঠ তাদের কাছে এক চিরকালীন আনন্দ । মাঠ এর সঙ্গে শৈশবের এক অদ্ভুত যোগ আছে । মাঠ হলো সেই চিরন্তন আলোর প্রদীপ যা ছোটদের প্রাণে সবসময় জ্বলতে থাকে এবং এগিয়ে চলার পথে তাদের উৎসাহ দেয় । 

২.২ ) ‘ ব্যাঙ স্বেচ্ছায় বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হলো ‘ – বৃষ্টি আনার কাজে যুক্ত হয় ব্যাঙ কি করেছিল ? 

উঃ – ‘ পাহাড়িয়া বর্ষার সুরে ‘ প্রচলিত গল্পে দেখা যায় খরার হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে বৃষ্টি আনার কাজে ব্যাঙ স্বেচ্ছায় যুক্ত হয় । ভগবান কেন তাঁর সৃষ্টিকে এত অবহেলা করছে তা জানার জন্য একদিন সকালবেলা সে ভগবানের প্রসাদ এর উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । পথে তার সঙ্গে মৌমাছি, মোরগ ও বাঘের দেখা হলে তারাও তার সঙ্গে যায় । ভগবানের প্রসাদে পৌঁছে ব্যাঙ দেখে যে ভগবানের মন্ত্রীরা পৃথিবীর দিকে নজর না দিয়ে আনন্দ-উৎসবে মেতে রয়েছে । রাগে উত্তেজিত হয়ে ভগবানের কাছে গেলে ভগবান বিষয়টি জানতে পারে এবং তার মন্ত্রীদের তাদের গাফিলতির জন্য তিরস্কার করে । এরপর ব্যাঙ জয়ী হয়ে আনন্দে পুকুরে ফিরে যায় । 

২.৩ ) ‘ – ঝড় কারে মা কয় ? ‘ – কবিতায় শিশুটি নিজের এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিয়েছে ? 

উঃ – মৈত্রী দেবী রচিত ‘ ঝড় ‘ কবিতায় শিশুটি তার মায়ের কাছে প্রশ্ন করেছে যে ঝড় কাকে বলে । আবার এই প্রশ্নের উত্তর সে নিজেই দিয়েছে । ঝড়ের সময় হঠাৎ চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসায় শিশুটির মনে হয়েছে ঝড় যেন তারই মত এক ছোট্ট শিশু যে দুরন্তপনা করে মেঝেতে কালির দোয়াত উল্টে ফেলে, একটু হেসে পালিয়ে গেছে । 

২.৪ ) ‘ তাদের কথা বলার শক্তি নেই ‘ – কখন এমন পরিস্থিতি হল ? 

উঃ – শিবশংকর মিত্রের লেখা ‘ মধু আনতে বাঘের মুখে ‘ গল্পে ধনাই, আরজান ও কফিল সুন্দরবনের মধু সংগ্রহ করতে যায় । বেশকিছু চাক কাটার পরে তাদের মধুর কলসি প্রায় ভরে আসে । ধনাই কলসি মাথায় নিয়ে হাঁটতে থাকে । পথে একটা সরু খাদ পেরোনোর আগে সে কফিল ও আরজানকে ডাকার জন্য পিছনে তাকানোর চেষ্টা করেন । কিন্তু তাকানোর আগেই বিরাট গর্জনে একটি বাঘ ধনাইকে আক্রমণ করে । এই পরিস্থিতি দেখে মৌমাছির তাড়া খেয়ে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কফিল ও আরজান হতভম্ব হয়ে যায় এবং তাদের দুজনের কথা বলার শক্তি হারিয়ে যায় । 

২.৫ ) ‘ ভেবে পাই নে নিজে ‘ – কবি কি ভেবে পান না ? 

উঃ – কবি অশোক বিজয় রাহা ‘ মায়াতরু ‘ কবিতায় যে গাছের কথা বলেছেন সেখানে ভোর বেলার আবছায়াতে কি কান্ড হত তা তিনি ভেবে পান না । আসলে কবি যে গাছটির কথা বলেছেন সেই গাছটিকে সন্ধ্যেবেলায় দেখলে ভূতের মতো মনে হয়, বনের মাথায় ঝিলিক মেরে চাঁদ উঠলে তাকে ভালুক মনে হতো এবং এক পশলা বৃষ্টির পরে আবার চাঁদ উঠলে তাকে দেখে মনে হতো তার মাথায় যেন লক্ষ্য হীরের মাছ ঝাক বেধেছে । কিন্তু ভোরবেলার দিকে চাঁদের আলো ফিকে হয়ে আসায় এবং সূর্যও  ভালোভাবে না ওঠায় সেই সময়ের আবছায়াতে যে কি কান্ড হত তা কবি ভেবে পান না কারণ সকাল হলে দেখা যেত যে একটিও মাছ নেই, শুধুমাত্র একটি রুপালি ঝালর পড়ে আছে । 

২.৬ ) ‘ ফনিমনসা ও বনের পরী ‘ নাটকে সুত্রধার এর ভূমিকা আলোচনা করো।  

উঃ – নাটকের সংলাপের পাশাপাশি নাটকের ঘটনা বা কাহিনী যে বলে বলে এগিয়ে নিয়ে যায় সেই হলো সুত্রধার । নাটকের চলমান অভিনয়কে মাঝে মাঝে ভেঙে দিয়ে নাট্যকারের বক্তব্য সরাসরি দর্শকের সামনে তুলে ধরে সুত্রধার । ‘ ফনিমনসা ও বনের পরী ‘ নাটকের সুত্রধার সেই একই কাজ করেছে । নাটকটির সুত্রধারই আমাদের জানিয়েছে গভীর বনের ভেতর থাকা ছোট্ট ফনিমনসা গাছের দুঃখের কথা এবং তার দুঃখ দূর করতে বনের পরীর আগমনের কথা । বনের পরীর আশীর্বাদের সেই ফনিমনসা গাছের পাতা, কাঁচের পাতা, পালং এর মত নরম পাতা পাওয়া এবং সেগুলি হারিয়ে ফেলার ঘটনা – সবই আমরা সুত্রধার এর মাধ্যমে জানতে পারি । এমনকি ফণীমনসার গায়ে আবার রসভড়া মোটা হয়ে যাওয়ার পর সে যে আর কোনদিন তার পাতা বদলাতে চাইনি, এই কথাও আমরা জানতে পারি সুত্রধার এর মাধ্যমে । 

৩ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

৩.১ ) বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় এবং ক্রিয়া যোগে একটি বাক্য রচনা করো । 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

Model Activity Task Class V Bengali Part 6

৩.২ ) ‘ নাম বিশেষণ ‘ এবং ‘ ক্রিয়া বিশেষণ ‘ বলতে কী বোঝো ? 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

Class 5 Model Activity Task Bengali Part 6

৩.৩ ) ‘ অ ‘ এবং ‘ ই / ঈ ‘ যোগে পাঁচটি করে স্ত্রীলিঙ্গ বাচক শব্দ তৈরি করো । 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

3rd Part Class 5 Bengali Model Activity Task
Class 5 Bengali Part 6

Class 5 Bengali Part 6 Task September 2021 | 3rd Series Class 5 Bengali Task 2021 | Class V Bengali Part 6 Answer |

Class 5 Model Activity Task Bengali Part 5

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : 

১ ) ‘ মাঠ মানে ছুট ‘ কবিতায় কবির কাছে মাঠ কিভাবে নানান অর্থে প্রতিভাসিত হয়েছে আলোচনা করো। 

উঃ – কবি কার্তিক ঘোষের কাছে মাঠ মানে ছুটি পাওয়ার মজা, সঙ্গে খুশির লুটোপুটি।  কবির কাছে মাঠ হল্লা ও হাঁসির জায়গা।  মন হারানো বাঁশির সুরে এই মাঠ কবির ঘুম ছুটিয়ে দেয়। নিকেল করা বিকেলের  নাচনা পায়ের তাধিন ধিন বাজনা, কবি মনে সবুজ প্রাণের শাশ্বত এক দ্বীপ জ্বালিয়ে দেয় । সর্বোপরি মাঠ হলো কবির এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা । 

২ ) ‘ অবশেষে দীর্ঘ যাত্রা শেষে তারা ভগবানের প্রাসাদে পৌঁছালো। ‘ – তারপর কি ঘটলো, তা ‘ পাহাড়িয়া বর্ষার সুরে ‘ রচনা অনুসরণে লেখ। 

উঃ – বৃষ্টি এনে পৃথিবীকে বাঁচাতে ব্যাংঙ, মৌমাছি, মোরগ ও বাঘ দীর্ঘ যাত্রা শেষে ভগবানের প্রাসাদে পৌঁছালো । সেখানে গিয়ে তারা দেখল সবাই নানান ভোজ ও আনন্দ উৎসবে ব্যস্ত । তাদের স্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও মহানন্দ । ব্যাঙ বুঝতে পারল কেন রাজ্যে এত অভাব ও এত কষ্ট । রাগে উত্তেজিত হয়ে তারা গেল ভগবানের কাছে । অবশেষে ভগবান তার মন্ত্রীদের ডাকলো এবং তাদের গাফিলতির জন্য তিরস্কার করল । এরপর তাদের জয়ের জন্য গর্বিত ব্যাঙ তখনই উল্লসিত হয়ে সরবে পুকুরে ফিরে গেল । তারপর থেকে যখনই ব্যাঙ ডাকে তখনই বৃষ্টি নামে । 

৩ ) ‘ ঝড় ‘ কবিতা অনুসরণে শিশুটির ঝড় দেখার অভিজ্ঞতার বিবরণ দাও। 

উঃ – মৈত্রী দেবীর ‘ ঝড় ‘ কবিতায় সেদিন ঝড় দেখে শিশুটির ভারী ভালো লাগলো । দুপুরবেলা মাঠে খেলতে খেলতে হঠাৎ আকাশে মেঘ উঠলো । দেখতে দেখতে বকুলতলা, চাঁপাবন, দিঘির জল সবই কালো হয়ে উঠল । শিশুটির মনে হল সে যেমন দস্যিপনা করে ঘরের মেঝের ওপর কালি ঢেলে দেয়, ঝড়ো যেন কোন দস্যি ছেলের মত আকাশের উপর কালি ঢেলে দিয়েছে । 

৪ ) ‘ মধু তিনজন লোক চাই। ‘ – এই তিনজন লোকের কথা ‘ মধু আনতে বাঘের মুখে ‘ রচনাংশে কিভাবে উপস্থাপিত হয়েছে ? 

উঃ – শিব শংকর মিত্রের ‘ মধু আনতে বাঘের মুখে ‘ গল্পে উদ্ধৃত প্রসঙ্গটি রয়েছে । মধু কাটতে তিনজন লোকের আলাদা আলাদা কাজ রয়েছে । প্রথম জনের কাজ – চট মুড়ি দিয়ে গাছে উঠে কাস্তে দিয়ে মৌচাক কাটা । দ্বিতীয় জনের কাজ – একটা লম্বা কাঁচা বাঁশের মাথায় মশাল জ্বেলে ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছিকে তাড়ানো । আর তৃতীয় জনের কাজ – একটা বড় ধামা হাতে নিয়ে চাকের নিচে দাঁড়ানো । গল্পে এই তিনজনের কথা এভাবেই উপস্থাপিত হয়েছে । 

৫ ) ‘ মায়াতরু ‘ কবিতার নামকরণের সার্থকতা প্রতিপন্ন করো। 

উঃ – কবি অশোক বিজয় রাহা  ‘ মায়াতরু ‘ কবিতা একটি আজব গাছ বর্ণনা দিয়েছেন । সন্ধ্যা হলেই গাছটি যেন দুহাত তুলে ভূতের মত নাচ শুরু করতো । আবার রাতের আকাশে চাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়লে, গাছটি অনেকটা ভালুকের মতো ঘার ফুলিয়ে গড়গড় শব্দ করতো। পরক্ষণেই যখন গাছের মাথায় বৃষ্টি পড়তো তখন গাছের পাতা এমনভাবে কাঁপতো, মনে হতো যেন গাছের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর এসেছে । আসলে কবি তার কল্পনায় গাছটিকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন । সকালের সোনা রোদ, রাতের অন্ধকার, পূর্ণিমার আলো আর বর্ষার বৃষ্টি এই সবের মাঝে কবি গাছটিকে দেখেছেন । প্রত্যেক বারই গাছটি তার ভিন্ন ভিন্ন মায়াবী রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে । তাই কবিতাটির নামকরণ সার্থক । 

৬ ) ‘ এই তো সুবুদ্ধি হয়েছে তোমার। ‘ – বক্তা কে ? কাকে সে একথা বলেছে ? কিভাবে তার সুবুদ্ধি হয়েছে ? 

উঃ – উদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা হলেন বনের পরী । 

সে ফনিমনসাকে একথা বলেছে । 

ফনিমনসা তার ইচ্ছা অনুসারে বনের পরীর কাছে কখনো সোনার পাতা কখনো কাঁচের পাতা আবার কখনো পালং শাকের মত সবুজ পাতাও প্রার্থনা করে । এই সব পাতাগুলোই ফনিমনসা হারিয়ে ফেলে ডাকাত দল, ঝড় বা ছাগলের কাছে । শেষ পর্যন্ত সে নিজের জন্মগত কাটা ভরা ছুঁচালো পাতাই শ্রেয় বলে মনে করে । এইভাবে তার সুবুদ্ধি হয় । 

৭ ) ‘ তারি সঙ্গে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান ‘ – কেমন দিনে কথকের ছেলেবেলার কোন গানটি মনে পড়ে ?  

উঃ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ‘ কবিতা অনুসারে বৃষ্টির দিনে কথক এর ছেলেবেলার যে গানটি মনে পড়ে সেটি হল – ” বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এল বান ” । 

৮ ) ‘ বোকা কুমিরের কথা ‘ গল্পে কুমিরের বোকামির পরিচয় কিভাবে ফুটে উঠেছে ? 

উঃ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর  ‘ বোকা কুমিরের কথা ‘ গল্প শিয়াল আর কুমির চাষ করার সিদ্ধান্ত নেয় । এরা একে একে আলু, ধান ও আখের চাষ করে । কুমির শিয়ালকে ঠকাবার জন্য আলু গাছের আগার দিক নিয়ে নিজেই ঠকে গেল । এরপর যখন ধান চাষ করল, এবার গোড়ার দিক দাবি করল । সে ভেবেছিল মাটির নিচে হয়তো ধান ফলে । সে এবারও ঠকে গেল । আর কিছুতেই ঠকা যাবে না, এই ভেবে আগেভাগেই আখ গাছের আগার দিকটা কেটে বাড়িতে এনে চিবিয়ে দেখে শুধু নোনতা, তাতে একটুও মিষ্টি নেই । এইসব ঘটনার মাধ্যমে কুমিরের বোকামির কথা গল্পে ফুটে উঠেছে ।

Class 5 Model Activity Task Bengali Part 5 Answer | Model Activity Task Class 5 Bengali New Part 5 Answer 2021 | Class 5 Bengali Part 5 Part 4 Task Answer 2021 | Class 5 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Bangla |

Model Activity Task Class 5 Bengali Part 4 2021

একটি বাক্যে উত্তর দাও :

১.১ ) ‘ আয়রে ছুটে ছোট্টরা ‘ – ছোটদের কেন ছুটে আসতে হবে ? 

উত্তর – গল্পবুড়োর কাঁধের তল্পিটায় ছিল মন ভরানো দৈত্য, দানব, যক্ষীরাজ, রাজপুত্র ও পক্ষীরাজ এর গল্প। আর ছিল কড়ির সারবাঁধা পাহাড়, হিরে, মানিক, সোনার কাঠি ও  তেপান্তরের মাঠ, কেশবতী নন্দিনীও তার ঝোলায় বন্দি হয়েছিল। এইসব দেখতে শীতের ভোরে গল্পবুড়ো হাঁক ছেড়ে ছোটদের ছুটে আসা ডাক দিয়েছিল। 

১.২ ) ‘…আমাদের জওয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল ‘। –  জওয়ানদের ঘাঁটিটি কোথায় ছিল ?

উত্তর – জওয়ানদের ঘাঁটিটি ছিল লাডাকে। 

১.৩ ) দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতায় মেজদার পোষ্য করা। 

উত্তর –  দারোগাবাবু এবং হাবু কবিতায় মেজদার পোষ্য ছিল আটটি কুকুর।  

১.৪ ) ‘ উলগুলান ‘ কাদের লড়াই ? 

উত্তর – মহাশ্বেতা দেবীর লেখা ” এতুয়া মুন্ডার কাহিনী ” গল্পে ইংরেজদের সঙ্গে আদিবাসী মুন্ডাদের যে যুদ্ধ হয়েছিল সেই যুদ্ধ উলগুলান নামে পরিচিত। 

১.৫ ) ‘ পাখির কাছে ফুলের কাছে ‘ কবিতায় কোথায় কবিসভা বসবে ?

উত্তর – রক্ত জবার ঝোপের কাছে কবিসভা বসবে। 

১.৬ ) ‘ তাই বুঝি বিমলার কমে গেছে দাম – ই ‘ –  বিমলার কেন মনে হয়েছে যে তার দাম কমে গেছে ? 

উত্তর – বিমলার মনে হয়েছে তার দাম কমে গেছে কারণ সে মেয়ে হয়ে জন্মেছে বলে।

১.৭ ) ‘ ও যেন দিনের বেলাকার রাত্তির ‘ – কোন সময়টিকে লেখক দিনের বেলাকার রাত্তির বলেছেন ।

উত্তর – লেখক দিনের বেলাকার রাত্তির বলতে দুপুরবেলা কে বুঝিয়েছেন। 

২ ) নিজের ভাষায় উত্তর দাও ঃ 

২.১ ) গল্পবুড়ো কবিতায় রূপকথার কোন কোন প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে । 

উত্তর – দৈত্য, দানব, যক্ষীরাজ, রাজপুত্র ও পক্ষীরাজ এর গল্প। কড়ির সারবাঁধা পাহাড়, হিরে, মানিক, সোনার কাঠি ও  তেপান্তরের মাঠ, কেশবতী নন্দিনী রূপকথার প্রসঙ্গ উল্লেখিত হয়েছে । 

২.২ ) ‘ এমনি করে সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল ‘ –  জওয়ানদের সেই শীতকাল যাপনের কথা কিভাবে ‘ বুনোহাঁস ‘ গল্পে ফুটে উঠেছে ? 

উত্তর – সারা শীতকাল বুনোহাঁস দুটি জওয়ানদের তাঁবুতে থেকে গেল। ধীরে ধীরে আহত বুনোহাঁসের ডানা সেরে উঠলো। হাঁসটি একটু একটু করে উড়তে চেষ্টা করত। তাঁবুর ছাদ পর্যন্ত উঠে আবার ধুপ করে পড়ে যেত । সারা শীত দেখতে দেখতে কেটে গেল । 

২.৩ ) ‘ নালিশ আমার মন দিয়ে খুব / শুনুন বড়বাবু ‘ –  থানায় বড়বাবুর কাছে হাবু কি কি নালিশ জানিয়েছিল ? 

উত্তর – হাবুরা একটা ঘরে চার ভাই মিলে থাকে। তার বড়দা সাতটা বিড়াল, মেজদা আটটা কুকুর ও সেজদা দশটা ছাগল পোষেন । সেই গন্ধে তার ঘরে থাকতে খুব কষ্ট হয় । সে ঘরের দরজা – জানালা খুলতে পারে না। দুর্গন্ধে প্রাণ যায় যায় অবস্থা। এইসব বলে হাবু বড়বাবুর কাছে নালিশ করেছিল । 

২.৪ ) ‘ এতোয়াকে দেখলে মনে হয় দুরন্ত এক বাচ্চা ঘোড়া ‘ –  উদ্ধৃতিটির আলোকে এতোয়ার কাজকর্মের পরিচয় দাও ।

উত্তর – হাটের দোকানীর দোকান ঝাঁট দিয়ে এতোয়া একটি বস্তা চেয়ে নিয়ে আমবাগানে বাবুর গরু চরাতে চরাতে কুড়িয়ে নেয় টক আম আর শুকনো কাঠ । মেটে আলু মাটি খুড়ে বের করে। মজা পুকুরের পাড় থেকে তোলে শাক। তারপর গরু নিয়ে সে ডুলুং নদী পেরিয়ে নদীর চরে ওঠে। ঘন সবুজ ঘাসবনে গরু-ও মোষ ছেড়ে দিয়ে দৌড়ায় সুবর্ণরেখার চড়ায়। বাঁশ দিয়ে বোনা জালটা সেখানে পাতে।  আর মনে মনে নিজেকে রাজা ভাবতে থাকে । 

২.৫ ) ‘ ছিটকিনিটা আস্তে খুলে পেরিয়ে গেলাম ঘর ‘ –  তারপর কী কী ঘটল,  তা পাখির কাছে ফুলের কাছে কবিতা অনুসরণে লেখ । 

উত্তর – কবি আল মাহমুদ একরাতে দেখলেন নারকেল গাছের লম্বা মাথায় ডাবের মত ঠান্ডা ও গোলগাল চাঁদ উঠেছে । এই সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য দরজার ছিটকিনি আস্তে খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। বাইরে বেরিয়ে এসে কবির এই শহরকে দেখে মনে হল ঝিম ধরা অবস্থায় মস্ত শহরটি থর থর করে কাঁপছে । মিনারটাকে দেখে মনে হয় যেন কেউ দাঁড়িয়ে আছে। দরগাতলা পেরোতেই এক পাহাড় কবিকে আয় আয় বলে ডাক দেয় । 

২.৬ ) ‘ বিমলার অভিমান ‘ কবিতা অনুসরণে বিমলার অভিমান এর কারণ বিশ্লেষণ করো । 

উত্তর – বাড়িতে যত ফরমাশ সবই বিমলাকে শুনতে হয়। ফুল এনে দেওয়া, দুরন্ত খোকা কাঁদলে তাকে ধরা। দাদা খেতে বসলে খাবারে নুন কম হলে তখন নুন আনা থেকে শুরু করে ঝাল পানের জন্য চুন আনা সবই বিমলাকে করতে হয় । কিন্তু খাবার সময় দাদাকে অনেকটা ক্ষীর এবং ছোট ভাই অবনীকে বেশি পরিমাণে ক্ষীর ক্ষেতে দেওয়া হয়। কিন্তু বিমলার পাতে নামমাত্র ক্ষীর দেওয়ায় বিমলার অভিমান হয় । 

২.৭ ) ছাদটা ছিল আমার কেতাবে পড়া মরুভূমি – ছেলেবেলা রচনাতে ছাদের প্রসঙ্গটি লেখক কিভাবে স্মরণ করেছেন । 

উত্তর – আলোচ্য অংশটি রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা গদ্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে । 

রবীন্দ্রনাথ জানিয়েছেন তার জীবনে বাড়ির খোলা ছাদ ছিল। প্রধান ছুটির দেশ। ছেলেটি দুপুরবেলায় লুকিয়ে ছাদে উঠতো। ছাদে বসে সে শুনত ফেরিওয়ালার ডাক। ছাদ থেকে তিনি ছোট-বড় নানা আকারের বাড়ি ও রাস্তার লোকের চলাচল লক্ষ্য করতেন । 

৩ ) নির্দেশ অনুসারে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও 

৩.১ ) সন্ধি করো ঃ 

মিশি + কালো = মিশকালো 

এত + দিন = এদ্দিন

বড়ো + ঠাকুর = বট্ঠাকুর

সৎ + গ্রন্থ = সদ্গ্রন্থ

দিক্ + নির্ণয় = দিঙ্নির্ণয় 

৩.২ ) নিচের পদ্গুলি বাঞ্জন সন্ধির কোন কোন নিয়ম মেনে বদ্ধ হয়েছে, লেখো

প্রচ্ছদ = প্র + ছদ ( অ + ছ = অচ্ছ )

প্রাগৈতিহাসিক = প্রাক্ + ঐতিহাসিক ( ক্ + অ = গ )

সদিচ্ছা = সৎ + ইচ্ছা ( ত্ + ব্ = দি )

বিদ্যুদ্বেগ = বিদ্যুৎ + বেগ ( ত্ + ব্ = দব )

পদ্ধতি = পদ্ + হতি ( দ্ + হ্ = দ্দ )

তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

[ Final Task ] Class 5 Model Activity Task Bengali November Part 8 | Class 5 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Bangla উত্তর নভেম্বর | Model Activity Task Class 5 Bengali Part 8 November Answer|

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

পোস্টটি শেয়ার করুন নিচে ক্লিক করে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here