Class 6 Model Activity Task Bengali Answer 2021

12201
Class 6 Model Activity Task Bengali Answer 2021
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

Class 6 Model Activity Task Bengali Answer 2021 Part 7 Part 6 Part5 Part 4 | [ 4th Series ] মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক class 6 বাংলা উত্তর অক্টোবর 2021 | Model Activity Task Class 6 Bengali Answer 2021 Part 7 Part 6 Part 5 Part 4|

তোমরা যারা ক্লাস 6 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ অক্টোবর মাসে যে নতুন ( ২০২১ সাল ) Model Activity Task দেওয়া হয়েছে। তার সমস্ত উত্তর এখান থেকে দেখে নাও ।

[ 4th Series ] Model Activity Task Class 6 Bengali Part 7 October

১ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

১.১ ) ‘ কোথাও বা চাষির ঘরের বউরা করে ক্ষেত্রব্রত । ‘ – ক্ষেত্রব্রত কিভাবে পালিত হয় মরশুমের দিনে গদ্যাংশ অনুসরণে লেখ ।  

উঃ – সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘ মরশুমের দিনে ‘ গদ্যাংশে ক্ষেত্রব্রত পালনের প্রসঙ্গ রয়েছে । সাধারণত গ্রাম অঞ্চলের চাষী, বউরা ক্ষেত্রব্রত পালন করে থাকে । তারা বাড়ির কাছের খোলা জমিতে নিজেরা ঘট পরিষ্কার করে তার গায়ে সিঁদুর পুত্তলি এঁকে ঘটের  জলে আমের পল্লব ডুবিয়ে দেয়। এই ব্রতে বুড়িদের মধ্যে কেউ হয় মূলব্রতী। হাতে ফুল আর দূর্বা নিয়ে ব্রতীর দল মূলব্রতীর মুখ থেকে ব্রতের কথা শুনে।  সন্ধ্যেবেলায় উলু দিয়ে ব্রত শেষ হয়।  তারপর মাঠে বসে ব্রতীর দল চিঁড়ে – গুড় – মুড়ি – খই আর দই দিয়ে ফলার খায়।  

১.২ ) ‘ দিবস রাত্রি নতুন যাত্রী / নিত্য নাচের খেলা । ‘ – উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো । 

উঃ – সপ্তাহের কোন নির্দিষ্ট দিনে গ্রাম থেকে একটু দূরে নির্দিষ্ট জায়গায় হাট বসে। সেখানে পণ্যদ্রব্য পরখ করে কেনাবেচা চলে। বাস্তবের হাটের ভাঙা-গড়ার মাধ্যমে কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত মূলত মানুষের জন্ম মৃত্যুর কথা বলতে চেয়েছেন। হাটের লোকেদের মত এই পৃথিবীর মানুষেরাও কেউ জীবনে সফল হয়, কেউ বা বিফলতার মধ্যেই জীবন শেষ করে।  

১.৩ ) ‘ মূলত জ্যামিতি আকার – আশ্রিত বর্ণ সমাবেশেই রচিত হয় সাঁওতালি দেয়ালচিত্র । ‘ – বক্তব্যটিকে ‘ মাটির ঘরে দেয়ালচিত্র ‘ রচনায় লেখক কিভাবে ব্যাখ্যা করেছেন । 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

Class 6 Model Activity Task Bengali Part 7 October

১.৪ ) ‘ … সে বাড়ির সেই মানুষদের একটি বন্ধু ফাঁকি দিয়ে চলে গেল – সেই ঝড়ের রাতে । ‘ – উদ্ধৃতিটির আলোকে ‘ ফাঁকি ‘ গল্পের নামকরণের সার্থকতা প্রতিপন্ন করে । 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

[ 4th Series ] Model Activity Task Class 6 Bengali Part 7 October

১.৫ ) ‘ খলখল করে হেসে উঠল জল ঢেউ তুলে … ‘ – হেসে উঠে জল কি বলল ? 

উঃ – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের লেখা ‘ আশীর্বাদ ‘ গল্পে দেখা যায় পিঁপড়ে ঘাসের পাতা আর বৃষ্টির কথা শুনে জল খলখল শব্দে ঢেউ তুলে হেসে উঠেছিল । বৃষ্টি যখন বলেছিল যে সে গাছপালা আর ঘাসের পাতাদের সবুজ করে তুলে আনন্দে গান গায় । ঠিক তার পরেই জল বলে যে বৃষ্টির মতো সেও গায় ।  বর্ষাতে গাছকে জলে ডুবিয়ে দেয়, কাদায় লুটিয়ে, তলিয়ে দিয়ে ছুটে চলে, শরতে তারাই কাশফুল হয়ে ফুটে ওঠে । 

২ ) নির্দেশ অনুসারে নিচের ব্যাকরণ গত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

২.১ ) নিচের শব্দবিভক্তি গুলির প্রতিটি আগে একটি করে উপযুক্ত শব্দ জুড়ে পদ বানাও । ( দিগ, রা, গুলি ) 

উঃ – বালিকা + দিগ = বালিকাদিগ । সেবিকা + রা = সেবিকারা । মিষ্টি + গুলি = মিষ্টিগুলি । 

২.২ ) নিচের শব্দগুলির আগে দুটি করে উপসর্গ বসিয়ে আলাদা আলাদা শব্দ তৈরি করো । ( দেশ, কাশ ) 

উঃ – দেশ = নির্দেশ, আদেশ । কাশ = মহাকাশ, বিকাশ । 

Class 6 All Subject Task [ September ]Answer Click

আরও দেখো নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে –

Class 6 Poribesh October Answer

Class 6 History October Answer

Class 6 Geography October Answer

4th Series Class 6 Bengali Task 2021 | Class 6 Bengali Task Part 7 | Class 6 Bengali October Task Answer |

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 বাংলা উত্তর Part 6 2021

১ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

১.১ ) ‘ ভাদুলি ‘ ব্রত কখন উদযাপিত হয় ? 

উঃ – বর্ষার শেষাশেষি মেয়েরা ভাদুলি ব্রত করে থাকে । এই ব্রত পালনে মেয়েরা মাটিতে আলপনা দেয় । প্রবাসী সওদাগর স্বামী, শশুর ও ভাই যাতে সমুদ্রযাত্রার শেষে নিরাপদে ঘরে ফিরে আসে সেই কামনাতেই প্রাচীন বাংলার মেয়েরা এই ব্রত পালন করত । এই ব্রত পালনের মধ্য দিয়ে আজও দূরে থাকা আপনজনদের কথা মনে করা হয় । 

১.২ ) সন্ধ্যায় হাটের চিত্রটি কেমন ? 

উঃ – সারাদিনের কেনাবেচার পর সন্ধ্যার মুখে যখন হাত ভেঙে যায় তখন হাটের অস্থায়ী চালাগুলো সব বন্ধ হয়ে যায় । হাটে কেউ বসবাস করে না বলে সেখানে সন্ধাপ্রদিপও জ্বলে না । ফলে হাটটি অন্ধকারে ডুবে যায় এবং তার বুকে নেমে আসে এক নিস্তব্ধতা । 

১.৩ ) কোন তিথিতে রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী সমাজের প্রাচীন উৎসব গোবন্দনা, অলক্ষী বিদায়, কাঁড়াখুঁটা , গরুখুঁটা প্রভৃতি পালিত হয় ? 

উঃ – কালীপুজো অর্থাৎ কার্তিকের অমাবস্যা তিথিতে রাঢ়বঙ্গের কৃষিজীবী সমাজের প্রাচীন উৎসব গোবন্দনা, অলক্ষী বিদায়, কাঁড়াখুঁটা , গরুখুঁটা প্রভৃতি পালিত হয় । সমগ্র ঘরবাড়ি মেরামত, লেপামুছা করার পর ঘরের প্রবেশদ্বার থেকে উঠোন, গোয়াল, ধানের গোলা বা মরাই এবং মূল বাসগৃহ, আলপনা দিয়ে সাজানো হয়। 

১.৪ ) ‘ কেমন যেন চেনা লাগে ব্যস্ত মধুর চলা ‘ – কবি কার চলার কথা বলেছেন ? 

উঃ – কবি অমিয় চক্রবর্তী তাঁর ‘ পিঁপড়ে ‘ কবিতায় পিঁপড়েদের চলার কথা বলেছেন । পিঁপড়েদের হাঁটাচলায় ব্যস্ততার ভাব ফুটে ওঠে । তারা সবসময়ই কর্মচঞ্চল । তাদের চলাফেরা কবির কাছে চেনা বলে মনে হয় । 

১.৫ ) ‘ সে বাড়ির নিশানা হয়েছে আমগাছটি ‘ – ‘ ফাঁকি ‘ গল্পে গোপাল বাবু কিভাবে তার বাড়ির ঠিকানা জানাতেন ? 

উঃ – গোপালবাবু বাড়ির আমগাছটি ধীরে ধীরে বেড়ে উঠেছিল । ফলে তা সহজেই লোকনজরে আসতো । নিজেদের বাসস্থানের অবস্থান চেনাতে তাই গোপালবাবু বলতেন – কাঠজড়ি নদীর ধার বরাবর পুরীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির পশ্চিমে যেখানে পাঁচিলের মধ্যে আমগাছ রয়েছে সেখানেই তাঁদের বাড়ি । 

১.৬ ) ‘ তুমি যে কাজের লোক ভাই ! ওইটেই আসল ‘ । কে, কাকে, কখন একথা বলেছিল ? 

উঃ – প্রশ্নে উদ্ধৃত কথাটি ঘাসের পাতা পিঁপড়েকে বলেছিল । ঘাসের পাতাকে আঁকড়ে ধরে বন্যায় ভেসে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়ে পিঁপড়েটি যখন ঘাসের পাতাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছিল তখন ঘাসের পাতা প্রশ্নে উদ্ধৃত কথাটি বলেছিল । 

২ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ । 

২.১ ) ‘ হঠাৎ একদিন ঝমঝম করে পড়ে বৃষ্টি ‘ – তখন কৃষকেরা কিভাবে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ‘ মরশুমের দিনে ‘ রচনা অনুসরণে লেখ । 

উঃ – গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি নামলে চাষিদের মুখে হাসি ফোটে । তারপর কদিন সমানে বৃষ্টি হলে চাষিরা হোগলার তৈরি মাথালে মাথা, পিঠ ঠেকে দুরন্ত জলের মধ্যে গামছা পড়ে বেরিয়ে পড়ে মাঠের কাজে । ধানরোয়া, আল বাঁধার কাজ  তাদের সেরে ফেলতে হবে খুব তাড়াতাড়ি । ধান ছাড়াও আবার কারও  আছে পাটের জমি । তারও রয়েছে অনেক কাজ । এভাবেই লেখক সুভাষ মুখপাধ্যায় তাঁর ‘ মরশুমের দিনে ‘ রচনায় বৃষ্টির পর কৃষকদের ব্যস্ততার ছবি তুলে ধরেছেন । 

২.২ ) শিশির বিমল প্রভাতের ফল, শত হাতের সহি পরখের ছল… – উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো । 

উঃ – কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের লেখা ‘ হাট ‘ কবিতা থেকে উদ্ধৃতঅংশটি নেওয়া হয়েছে । ভোরবেলার শিশির মাখা টাটকা ফল গুলিকে ক্রেতারা হাত দিয়ে পরীক্ষা করার ফলে যেন তা প্রাণশক্তি হারিয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে । এইভাবেই সারাদিন ফলগুলি নিরব ব্যথা সহ্য করে বিকেলে অবহেলায় সামান্য দামে বিক্রি হয়ে যায় । একইভাবে এই পৃথিবীতে বহু মানুষ তার প্রাপ্য মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয় এবং সেই বঞ্চনা সহ্য করেই জীবন কাটিয়ে দেয় । কবি মানব জীবনের এই সত্যটিকেই তুলে ধরেছেন । 

২.৩ ) ‘ … এমন অভূতপূর্ব অবস্থায় আমায় পড়তে হবে ভাবি নি ‘ । – গল্পকথক কোন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ? 

উঃ – শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা ‘ এক ভুতুড়ে কান্ড ‘ গল্পে দেখা যায় কথক রাঁচিতে গিয়ে একদিন সাইকেল নিয়ে হুদ্দুর দিকে যাচ্ছিলেন । কিন্তু পথে তার সাইকেলের টায়ার খারাপ হয়ে যায় । আধঘন্টা অপেক্ষার পরে একটা লরি দেখা মিলে সেটা কথকের জন্য দাঁড়ায়নি । এরপর কথক একটা বেবি অস্টিন গাড়িকে আসতে দেখেন । গাড়িটা কথকের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি হাঁক দিলেন কিন্তু গাড়ি থামার কোনো লক্ষণই দেখা গেল না । তখন কথক ভদ্রতা ছেড়ে চলন্ত গাড়িতে উঠে পড়ে । কিন্তু গাড়ির ভিতরে গিয়ে তিনি দেখলেন যে গাড়িতে ড্রাইভার নেই, গাড়ির ইঞ্জিনও চলছিল না, তবুও গাড়ি চলছিল ঠিক পথ ধরেই । কথকের মনে হয়েছিল যে তিনি হয়তো ভূতের পাল্লায় পড়েছেন । 

২.৪ ) ‘ বাঘ বাবা-মা বদলে নিলেন বাড়ি ‘ – তাদের বাড়ি বদলাতে হয়েছিল কেন ? 

উঃ – ছোট বাঘ পাখিরালয়ে বাস করার সময় ঠিকমতো শিকার বা খাদ্য পাচ্ছিল না । সে চেষ্টা করেও পাখি ধরতে পারেনি । সে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে বিপদে পড়েছিল । তারপর সে খিদের জ্বালায় বাঘ পরিবারের মর্যাদা ভুলে মেনি মাছ ধরতে গিয়েছিল । ছোট্ট বাঘের কষ্ট দেখে তার বাবা-মা বাড়িবদল করে তাকে নিয়ে সজনে খোলায় চলে গেল । 

৩ )  নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও । 

৩.১ ) শব্দজাত, অনুসর্গগুলিকে বাংলায় কয়টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় এবং কি কি ?  

উঃ – শব্দজাত অনুসর্গগুলিকে বাংলায় তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় । 

i ) সংস্কৃত বা তৎসম অনুসর্গ । 

ii ) বিবর্তিত, রূপান্তরিত বা তদ্ভব অনুসর্গ ( + দেশি অনুসর্গ ) । 

iii ) বিদেশি অনুসর্গ । 

৩.২ ) উপসর্গের আরেক নাম ‘ আদ্যপ্রত্যয় ‘ কেন ? 

উঃ – ধাতু বা শব্দের পরে প্রত্যয় যোগ করে যেমন আমরা নতুন শব্দ গঠন করতে পারি, অনুরূপভাবে ধাতু বা শব্দের পূর্বে উপসর্গ বসিয়েও নতুন শব্দ গঠন করা যায় কিংবা শব্দটির অর্থকে আংশিকভাবে বা পুরোপুরি বদলে দেওয়া যায় । তবে উপসর্গ ও প্রত্যয় –  এই দুটোই নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে । তবে উপসর্গ থাকে সামনে, আর প্রত্যয় থাকে পিছনে । উপসর্গ যেহেতু ধাতু বা শব্দের আগে বসে, তাই একে আদ্যপ্রত্যয় বলা হয় । 

৩.৩ ) ‘ ধাতুবিভক্তি ‘ বলতে কী বোঝো ? 

উঃ – যে বিভক্তি ধাতুর শেষে যুক্ত হয়ে ধাতুকে ক্রিয়াপদে পরিণত করে তাকে ধাতু বিভক্তি বলে । যেমন – ইতেছে, ইয়াছে, ইব ইত্যাদি । 

৩.৪ ) শব্দ যুগলের অর্থ পার্থক্য দেখাও :  আশা / আসা, সর্গ / স্বর্গ 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 6 বাংলা উত্তর Part 6 2021

৩.৫ ) পদান্তর করো ঃ জগৎ, জটিল 

উঃ – জগৎ – জাগতিক । জটিল – জটিলতা । 

৩.৬ ) অনাধিক ১০০ শব্দে অনুচ্ছেদ রচনা করো –  বাংলার উৎসব । 

উঃ – বাংলার উৎসব লিঙ্কে ক্লিক করে দেখে নাও । 

3rd Model Activity Task Class 6 Bengali | Class 6 Bangla 3rd Model Activity Task | Class 6 Bengali Part 6 |

Model Activity Task Class 6 Bengali Part 5

Model Activity Task Class 6 Bengali Part 5 | Class 6 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক বাংলা Part 5 |

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও

১ ) ‘ ধান কাটার পর একেবারে আলাদা দৃশ্য । ‘ – ‘ মরশুমের দিনে ‘ গদ্যাংশ অনুসরণে সেই দৃশ্য বর্ণনা করো । 

উঃ – সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ‘ মরশুমের দিনে ‘ গদ্যাংশে ধান কাটার পরে মাঠের যে করুণ অবস্থা হয় তার বর্ণনা রয়েছে । মাঠের সবুজ চেহারা আর থাকে না । যতদূর দৃষ্টি যায়, মাঠটির রুক্ষ ও শুষ্ক কঙ্কালসার চেহারা চোখে পড়ে । আলগুলি যেন বুকের হাড় পাঁজরার মত । মাঠের ভেতর দিকে পায়ে চলার রাস্তা ফুটে ওঠে । গরুর গাড়ির চাকায় মাটির ডেলাগুলি ভেঙে গুঁরো হয়ে তা ধুলোর মতো ওড়ে । 

২ ) দিন ও রাতের পটভূমিতে হাটের চিত্র ‘ হাট ‘ কবিতায় কিভাবে বিবৃত হয়েছে তা আলোচনা করো । 

উঃ –  ‘ হাট ‘ কবিতায় কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত দিন ও রাতের পটভূমিতে হাটের এক চিরন্তন চিত্র তুলে ধরেছেন । সকালে সেখানে কেউ ঝাঁট দেয় না । দিনের বেলায় সেখানে চেনা-অচেনা কত মানুষের ভিড় । জিনিসপত্র পছন্দ করা, দরদাম করা, কানাকড়ি নিয়ে কত টানাটানি, কত কোলাহল । অবশেষে বিকেল বেলায় অবিক্রিত পসরা অল্প দামে বিক্রি হয়ে যায় । হাট ভাঙ্গার পর সবাই একে একে ঘরে ফেরে । সন্ধ্যার সময় ওখানে কেউ প্রদীপ জ্বালে না । হাটখানি অন্ধকারে পড়ে থাকে । কাকের কা কা ডাকে নির্জন হাটের বুকে রাত্রি নামে । আবারও গভীর নিরবতা বুকে নিয়ে হাট রাত্রি যাপন করে । 

৩ ) ‘ মাটির ঘরে দেওয়াল চিত্র ‘ রচনায় সাঁওতালি দেওয়াল চিত্রের বিশিষ্টতা কিভাবে ফুটে উঠেছে ? 

উঃ – তপন করের লেখা ‘ মাটির ঘরে দেওয়াল চিত্র ‘ রচনায় সাঁওতালি দেওয়াল চিত্রের বিশিষ্টতা ফুটে উঠেছে । বিষয়বস্তু নির্বাচন থেকে উপকরণ সংগ্রহ সবই করে থাকেন মেয়েরাই । সাধারণত দুর্গাপুজো ও দীপাবলি উপলক্ষে এই চিত্রগুলি আঁকা হয়ে থাকে । মূলত জ্যামিতিক আকার আশ্রিত বর্ণ সমাবেশেই  এগুলি রচিত হয় । এতে যেমন দেখা যায়  চওরা রঙিন ফিতের মতো সমান্তরাল রেখা, তেমনি থাকে চতুষ্কোণ ও ত্রিভুজের বাহুল্য । সাধারণত ঘরের চারপাশ ঘিরে থাকা মুল বেদিটি হয় কালো রঙের । তার সমান্তরালে টানা হয় বিঘত খানেক চওড়া গেরুয়া রেখা এবং তার ওপর সমান্তরালে আরো একটি কালো  রেখা । এর ওপর নানা রঙের চতুষ্কোণ বা ত্রিভুজ গুলি সাজানো থাকে । মাটি থেকে 6 ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় চিত্রটি বিস্তৃত হয় । 

৪ ) ‘ পিঁপড়ে ‘ কবিতায় পতঙ্গটির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে । ‘ – আলোচনা করো । 

উঃ –  ‘ পিঁপড়ে ‘ কবিতায় কবি অমিয় চক্রবর্তীর পিঁপড়ের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে । ছোট পিঁপড়েগুলির ব্যস্ত মধুর চলাফেরা কবি গভীর আন্তরিকতার সঙ্গে লক্ষ্য করেছেন । কবি তাদের চলাফেরায় বাঁধা সৃষ্টি করতে চাননি । কারণ তাদের কাউকে বিচ্ছিন্ন করে দিলে তারা কষ্ট পাবে । তাদের চলাফেরার মধ্যে কবি প্রাণের সদা চঞ্চল স্পন্দন অনুভব করেছেন । তিনি অনুভব করেছেন, আর পাঁচটা প্রাণীর মতো এই পিঁপড়েগুলিও এই মায়ার পৃথিবীর দু – দিনের অতিথি মাত্র । 

৫ ) ‘ ফাঁকি ‘ গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র একটি নিরীহ, নিরপরাধ আম গাছ । ‘ – উদ্ধৃতিটি কতদূর সমর্থনযোগ্য ? 

উঃ – লেখক রাজকিশোর পটনায়কের লেখা  ‘ ফাঁকি ‘ গল্পের কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটি আম গাছ । গোপালের বাবার তৈরি একটি কলমি চারা থেকে ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠা গাছটি একসময় বিশাল আকার ধারণ করে । পাড়ার বিভিন্ন লোক এবং ছেলেরা সেই গাছের নিচে খেলাধুলা, বইপড়া, গল্প করা ইত্যাদি আরম্ভ করে । গাছটি যেন তাদেরই এক জন । এভাবে গাছটি গোপালের বাড়ির নিশানা বা ঠিকানায় পরিণত হয় । 

একদিন আষাঢ়ের ঝরে গাছটি মরে গেলে গোপালদের বাড়ির লোকের সঙ্গে সঙ্গে, পাড়ার সব লোকেও দুঃখ প্রকাশ করে । সবাই লক্ষ্য করে গাছটির একাধার উই পোকা খেয়ে নিয়েছিল অথচ কারো নজরে পড়েনি । গাছটির এই দুর্বলতা নজরে পড়লে হয়তো সেটি সকলকে ফাঁকি দিয়ে অকালে চলে যেত না । আসলে সে ফাঁকি দেয়নি । সকলেই গাছটির প্রতি তাদের কর্তব্যে ফাঁকি দিয়েছিল । তাই গাছটিকে নিরীহ-নিরপরাধ বলা একান্ত সমর্থনযোগ্য । 

৬ ) ‘ পৃথিবী সবারই হোক ‘ – এই আশীর্বাণী ‘ আশীর্বাদ ‘ গল্পে কিভাবে ধ্বনিত হয়েছে ? 

উঃ – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের লেখা ‘ আশীর্বাদ ‘ গল্পে এই মানবিক প্রার্থনাটি গাছের পাতার । দিনশেষে পিপড়েকে মাটির নিচে আশ্রয় নিতে হয় বলে সে ভাবে যে, মাটির শুধু তাদের এবং সারা পৃথিবীটা অন্যদের । বর্ষায় আশ্রয়হীন ও হতাশা হয়ে পড়া পিঁপড়েকে, পাতা বুঝিয়ে দেয় যে মাটি শুধু তার নয়, মাটি সবার । শুধু তাই নয়, এই পৃথিবীর আলো বাতাস, জল, মাটি ভোগ করার অধিকার সবার সমান । পাতার এই কথার মধ্য দিয়ে এই পৃথিবীতে প্রতিটি প্রাণীর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । 

৭ ) ‘ ছোট্ট গাড়ির মধ্যে যতটা আরাম করে বসা যায় বসেছি । ‘ – এর পরবর্তী ঘটনাক্রম ‘ এক ভুতুড়ে কান্ড ‘ গল্প অনুসরণে লেখ । 

উঃ – সাইকেলের চাকা ফেঁসে যাওয়ায়, লেখক খুব আস্তে আস্তে চলা একটি ছোট্ট বেবি অস্টিন গাড়িতে ওঠে আরাম করে বসেন । লালপুরাড় মোরে তিনি যে নামবেন সেকথা ড্রাইভারকে বলতে গিয়ে দেখলেন, ড্রাইভার নেই গাড়ির ইঞ্জিনও চলছে না । লেখক ভাবলেন নিশ্চয়ই তিনি ভূতের পাল্লায় পড়েছেন । ভয়ে লেখকের গলা শুকিয়ে চোখ ঠিকরে বেরিয়ে আসছিল । ঘন্টা দুয়েক পরে গাড়িটি লেভেল ক্রসিং এ পৌঁছালে, লেখক রেলগাড়ি আসার আওয়াজ শোনেন । কিন্তু গাড়ি থামবার কোন লক্ষণ নেই । কোনরকমে দরজা খুলে তিনি বেরিয়েছেন, গাড়িটিও থেমেছে । মুহূর্তেই একটি ট্রেন চলে যায় । লেখক দেখেন তিনি বেঁচে গেছেন এবং গাড়িটিও ঠিক রয়েছে । কিছুক্ষণ পর লেখক দেখেন পিছন থেকে একটি লোক এগিয়েছে তার কাছে সাহায্য চাইছে, গাড়িটি ঠেলে নিয়ে যাবার জন্য । আট মাইল পথ তিনি একাই গাড়িটিকে ঠেলে নিয়ে আসছেন । এইবার লেখক এর কাছে গাড়িটিতে ড্রাইভার না থাকার রহস্য উদঘাটিত হয় । 

৮ ) ‘ এক যে ছিল ছোট্ট হলুদ বাঘ ‘ – ‘ বাঘ ‘ কবিতা অনুসরণে তার কীর্তিকলাপের পরিচয় দাও । 

উঃ – নবনীতা দেবসেনের ‘ বাঘ ‘ কবিতায় একটি ছোট্ট বাঘের রাগ ও দুঃখ মিশ্রিত নানান কর্মকাণ্ডের পরিচয় পাওয়া যায় । বাঘটি থাকতো তার বাবা-মায়ের সাথে পাখিরালয়ে । সেখানে শুধুই পাখি । ছাগল, ভেড়া, হরিণ কিছুই নেই, খাবে কি ? খিদের জ্বালায় সে পাখি ধরতে লাফ দেয় কিন্তু পাখিরা উড়ে  পালায় । তাতে সে আরো রেগে যায় । এরপর খিদে মেটানোর জন্য সে যায় নদীতে কাঁকড়া ধরতে । গর্তে থাবা ঢুকাতেই কাঁকড়া তার পা চিমটে ধরে । সে যন্ত্রণায় কেঁদে উঠলে, তার বাবা তাকে উদ্ধার করে । এরপর সে তাঁর বংশ কৌলিন্য ভুলে মেনিমৎস্য ধরতে চেষ্টা করে । 

Class 6 Model Activity Task Bengali Part 5 Answer 2021 | Model Activity Task Class 6 Bengali Part 5 Answer 2021 | Class 6 Bengali Part 5 Part 4 Part 2 Part 1 Task Answer | Class 6 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক বাংলা Part 5 |

Class 6 Model Activity Task Bengali Part -1 

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

১ ) ‘ বলি এটা কি পঞ্চানন অপেরা পেয়েছে ? ‘ – কে, কাকে একথা বলেছেন ? তার একথা বলার কারণ কি ?

উত্তর – ‘ সেনাপতি শংকর ‘ গল্পে শিক্ষক বিভীষণ দাস শংকরকে একথা বলেছে।  

শিক্ষক বিভীষণ দাস যখন এমু পাখির কথা বলছিলেন তখন শংকর স্কুল বাড়ির জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আনমনা হয়ে পড়েছিল। বিভীষণ দাস রেগে গিয়ে বললেন আমি কি পড়াচ্ছি বল তো ? শংকর উত্তরে বলল এমু পাখি। খুব ছাই রং।  বাজপাখির চেয়ে বড়।  চওড়া বুক।  উড়ে গেলে ডানায় বাতাস কাটার শব্দ হয় জোরে।  তখন মাস্টারমশাই রেগে গিয়ে শংকর কে বলে এটাকি পঞ্চানন অপেরা পেয়েছে।

২ ) ‘ তাই তারা স্বভাবতই নিরব। ‘ – বক্তা কে ? কাদের সম্পর্কে, কেন তিনি একথা বলেছেন ?

উত্তর – ‘ তাই তারা স্বভাবতই নীরব ‘ -এই উক্তিটির বক্তা হলেন ক্যাস্টাং সাহেব।

‘ পশুপাখির ভাষা ‘ রচনায় বন্যপ্রাণীদের সম্বন্ধে এই কথা বলা হয়েছে ।

ক্যাস্টাং সাহেব বলেন পোষা জন্তুরা নাকি জঙ্গলের জন্তুদের থেকে অনেক চেঁচামেচি করে। কিন্তু জংলি জন্তুদের শব্দ বড় একটা শোনা যায় না।  জঙ্গলের পশু কে সর্বদায় প্রাণ বাঁচিয়ে চলতে হয়। তাই তারা স্বভাবতই নীরব। 

৩ ) ‘ বাচ্চাদের জন্য খাদ্য সঞ্চিত রেখেই সে খালাস। ‘ – কোন রচনার অংশ ? কাদের সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে লেখক এমন মন্তব্য করেছেন ? তার এমন মন্তব্যের কারণ কি ?

উত্তর – এটি গোপাল চন্দ্র ভট্টাচার্যের রচিত ‘ কুমোর পোকার বাসাবাড়ি ‘ রচনার অংশ। 

 এক প্রকার কালো রঙের লিকলিকে কুমোরে পোকার কথা লেখক গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বলেছেন। 

কারণ কুমোরে পোকারা কুঠুরির মত বাসা নির্মাণ করে। তারপর তারা ডিম পাড়ে।ডিম পাড়া শেষ হয়ে গেলে সে তার ইচ্ছামতো যেকোনো জায়গায় চলে যায়। বাসার আর কোনো খোঁজখবর নেইনা। বাচ্চাদের জন্য খাদ্য সঞ্চিত রেখেই সে খালাস। 

৪ ) ‘ আঁচল পেতে বিশ্বভুবন ঘুমোচ্ছে এইখানে ‘ – কবির এমন অনুভবের কারণ বুঝিয়ে দাও। 

উত্তর –  ভরদুপুরে যে ছবি কবি দেখেছেন তাতে মনে হয়েছে ওই সময়টা যেন ঘুমের দেশে চলে গেছে।  অশ্বত্থ গাছের দাঁড়িয়ে থাকা, রাখালের উদাসীনতা, নদীর ধারে খড়ের আটি বোঝাই নৌকা বেঁধে মানুষজনের ঘুমানো, সবমিলিয়ে ওই ভরদুপুরে সবাই যেন ঘুমোচ্ছে।  আর শুধুমাত্র মানুষ নয় সমস্ত পৃথিবী ভরদুপুরে এই বিশ্রাম রত। পরিবেশে ছড়িয়ে রয়েছে নির্জনতা।  একটা ক্লান্তি ভাব। সেজন্যই দুপুরে এই সামগ্রিক পরিবেশ কবির মনে বিশ্বভুবন ঘুমানোর ভাবনাকে মনে করিয়েছে। 

৫ ) বরফের দেশের পাইন গাছ মরুভূমির পাম গাছের স্বপ্ন দেখেছে কেন ?

উত্তর – পাইন গাছ যেখানে থাকে তার সেখানে ভালো লাগে না।  তার ভালো লাগে দূরের কিছুকে।  আর এখানে বরফের অতিরিক্ত ঠান্ডা পাইন গাছের কষ্ট ও যন্ত্রণার কারণ। তার কাছে গরম দেশ বা জায়গায় স্বপ্ন দেখার বিষয়। অর্থাৎ ঠান্ডার থেকে তার কাছে গরম জায়গায় প্রত্যাশিত।  সেই জন্যই বরফের দেশের পাইন গাছ মরুভূমির দেশে পাম গাছের স্বপ্ন দেখে। 

৬ ) ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বলতে কী বোঝো ?

উত্তর – ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বলতে বোঝায় বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা। 

৭ ) সিদ্ধ অথবা মৌলিক শব্দ উদাহরণ দাও। 

উত্তর – যে শব্দকে অর্থপূর্ণ কোন অংশে বিভক্ত করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলে।  

উদাহরণ –  গোলাপ লাল। 

Class 6 Model Activity Task Bengali Part – 2

১ )  নিচের প্রশ্নগুলি একটি বাক্যতে উত্তর দাও ।

১.১ ) ‘ ও তো পথ-পথিক জনের ছাতা ‘ –  পথিক জনের ছাতাটি কী ?

উত্তর – অশ্বত্থ গাছকে পথিক জনের ছাতা বলা হয়েছে কারণ এই গাছ ছাতার মত ছায়া দান করে। 

১.২ ) ‘ কী দেখেছিলে বাইরে ? ‘ – এই প্রশ্নের উত্তরে শংকর কি বলেছিল ?

উত্তর – এই প্রশ্নের উত্তরে শংকর ঘাবড়ে গিয়ে মাস্টার মশাইকে বলেছিল যে সে শঙ্খচিল দেখছিল। 

১.৩ ) ‘ স্বপ্ন সে দেখে দিনরাত দুলে দুলে ‘ – কার স্বপ্ন দেখার কথা বলা হয়েছে ?

উত্তর – এখানে পাইন গাছের স্বপ্ন দেখার কথা বলা হয়েছে। 

১.৪ ) ‘ মন ভালো করা ‘ – কবিতায় কবি রোদ্দুরকে কিসের সঙ্গে তুলনা করেছেন ?

উত্তর – ‘ মন ভালো করা ‘ কবিতায় কবি রোদ্দুরকে মাছরাঙার গায়ের রঙের সাথে তুলনা করেছেন। 

১.৫ ) ‘ একটি জিনিস প্রত্যেকবারই আমাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাচিয়েঁছে ,সেটি হচ্ছে, পশুদের ভাষার জ্ঞান ‘ – কে একথা বলেছে ?

উত্তর – একথা বলেছে ক্যাস্টাং সাহেব। 

১.৬ ) ‘ ঘাসফড়িং ‘ কবিতায় কবির সঙ্গে ঘাসফড়িং এর আত্মীয়তা কখন শুরু হয়েছিল ? 

উত্তর – ঝিরঝিরে বৃষ্টির পর কবি যখন ভিজে ঘাসে পা দিয়েছিলেন তখনই ঘাসফড়িং এর সাথে তার নতুন আত্মীয়তা গড়ে উঠলো। 

১.৭ ) কুমোরে পোকা কিভাবে মাকড়সা শিকার করে ?

উত্তর –  কুমোরে পোকা মাকড়সা দেখতে পেলে ছুটে গিয়ে তার ঘাড় কামড়ে ধরে। তারপর শরীরে হুল ফুটিয়ে এক রকম বিষ ঢেলে দেয় এই।  ভাবে কুমোরে পোকা মাকড়সা শিকার করে। 

২. নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও। 

২.১ ) বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে যেটি ঠিক নয়। 

উত্তর –  ছন্দ + বদ্ধ = ছন্দবদ্ধ। 

২.২ ) যেটি জোর বাধা সাধিত শব্দ নয়। 

উত্তর – দয়াময়। 

২.৩ ) বিসর্গ সন্ধি ফলে বিসর্গ রূপান্তরিত হয়ে লুপ্ত হয়েছে এমন দুটি উদাহরণ দাও। 

উত্তর – মনঃ + স্থ = মনস্থ।  যশঃ + ইচ্ছা = যশইচ্ছা । 

Class 6 Bengali , English Model Activity Task PDF

তুমি যদি ক্লাস 6 এর Model Activity Task টি নিজের মোবাইলে ডাউনলোড করতে চাও।  তাহলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নাও। 

BengaliPart 1 Download
Part 2 Download
EnglishPart 1 Download
Part 2 Download
Class 6 Bengali , English Model Activity Task PDF

তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

Class 6 Model Activity Task Bengali Answer 2021 Part 7 Part 6 Part5 Part 4 | [ 4th Series ] মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক class 6 বাংলা উত্তর অক্টোবর 2021 | Model Activity Task Class 6 Bengali Answer 2021 Part 7 Part 6 Part 5 Part 4|

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here