Class 9 Model Activity Task Bengali Part 5 Answers

4671
Class 9 Model Activity Task Bengali Part 5 Answers
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

Class 9 Model Activity Task Bengali Part 5 Answers | Model Activity Task Class 9 Bengali Part 5 | Class 9 Bengali Task | ক্লাস ৯ মডেল আক্টিভিটি টাস্ক বাংলা উত্তর | Class 9 মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Bengali Part 5 |

তোমরা যারা ক্লাস 9 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ ( ২০২১ সাল ) জন্য Model Activity Task দেওয়া হয়েছে।  

তোমার ঘরে বসে এই Model Activity Task এর উত্তর গুলো তৈরি করো।  তারপর নিচের দেওয়া উত্তরগুলো দেখে মিলিয়ে নাও ।

Model Activity Task Class 9 Bengali Part 5

Class 9 All PartAnswer Pdf

১ ) কম বেশি ১৫ টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখ : 

১.১ ) ‘ হিন্দি উপস্থিত সেই চেষ্টাটা করছেন ‘ – কোন চেষ্টার কথা প্রাবন্ধিক বলেছেন ? 

উঃ – সৈয়দ মুজতবা আলী ‘ নব নব সৃষ্টি ‘ প্রবন্ধে জানিয়েছে হিন্দি সাহিত্যের বেশকিছু তরুণ সাহিত্যিক হিন্দি ভাষা থেকে আরবি, ফার্সি, ইংরেজি প্রভৃতি বিদেশী ভাষা তাড়ানোর চেষ্টা করছেন।  

১.২ ) ‘ এরই মাঝে বাংলার প্রাণ ‘ – কবি কোথায় বাংলার প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন ? 

উঃ – ‘ আকাশে সাতটি তারা ‘ কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ ধান গাছ, কলমি শাক, হাঁসের পালক, শরের বন, মাছেদের মৃদু আঁশটে ঘ্রান, মুথা ঘাস, মানুষজন প্রভৃতির মাঝেই বাংলার প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন।  

১.৩ ) ‘ এখন আমার দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে ‘ – পত্র লেখকের দৃঢ় বিশ্বাসটি কি ? 

উঃ – পত্রলেখক তথা স্বামী বিবেকানন্দের বিশ্বাস এই যে শিক্ষা, পবিত্রতা, ভালোবাসা প্রভৃতি গুনযুক্ত মিস নোবেলের ভারতে নারী কল্যাণমুখী একাধিক কাজের বিরাট উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে।  

১.৪ ) ‘ যা গিয়ে ওই উঠানে তোর দাঁড়া ‘ –  সেখানে গিয়ে দাঁড়ালে কোন দৃশ্য দেখা যাবে ?

উঃ – ‘ আবহমান ‘ কবিতায় কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানিয়েছেন উঠানের লাউ মাচার কাছে দাঁড়ালে দেখা যাবে ছোট্ট একটা ফুল সন্ধ্যার বাতাসে ক্রমাগত দুলছে।  

১.৫ ) ‘ তোমার বাড়ি কোথায় ? ‘ – রাধারানী এই প্রশ্নের উত্তরে কি বলেছিল ? 

উঃ – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘ রাধারানী ‘ গল্পে অচেনা পথিকের তোমার বাড়ি কোথায় ? এই প্রশ্নের উত্তরে রাধারানী জানিয়েছিল তার বাড়ি শ্রীরামপুরে।

২ ) প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কমবেশি ৬০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখ

২.১ ) ‘ সংস্কৃত ভাষা আত্মনির্ভরশীল ‘ – প্রাবন্ধিক কেন এমন মন্তব্য করেছেন ? 

উঃ – সংস্কৃত ভাষার আত্মনির্ভরতার কারণ হলো নতুন কোনো চিন্তা, অনুভূতি বা বস্তুকে বোঝানোর জন্য নতুন শব্দের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা অহেতুক অন্য ভাষা থেকে শব্দ ধার করে না। পুরাতন ধাতু, শব্দ একটু অদলবদল করে সংস্কৃত ভাষা নতুন শব্দ তৈরি করতে পারে। এই বিশেষ ক্ষমতার জন্য প্রাবন্ধিক এর মতে সংস্কৃত আত্মনির্ভরশীল ভাষা।  

২.২ ) ‘ পৃথিবীর কোন পথ এ কন্যারে দেখে নিকো ‘ – কোন কন্যার কথা এক্ষেত্রে বলা হয়েছে ? 

উঃ – বঙ্গ প্রকৃতির বুকে নীল সন্ধ্যাকে দেখে কবি জীবনানন্দ দাশের মনে পড়ে যায় কেশবতী নারীর চুলের রং ও সৌন্দর্যের কথা।  সন্ধা নামতেই কবি অনুভব করেন কেশবতী নারী যেন তার এলোচুলের  বিন্যাসে সাজিয়ে এসেছে।  নীল সন্ধ্যার বিরল স্পর্শ তার চোখে-মুখে অনুভব করেন। এই কারণে বঙ্গ প্রকৃতির নীল সন্ধ্যা কবির কাছে মনে হয় কেশবতী কন্যা।  

২.৩ ) ‘ মরদ কি বাত হাতি কা দাঁত ‘ – স্বামী বিবেকানন্দ কেন এই প্রবাদটি ব্যবহার করেছেন ? 

উঃ – স্বামীজি বলেছেন ভারতবর্ষের কাজে মিস নোবেল বিফল হলে বা বিরক্তিভাব উপস্থিত হলেও স্বামীজি তার পাশে থাকবেন। এছাড়াও বেদান্ত ধর্মের পতি আস্থা না থাকলে কিংবা ভারতবর্ষের কাজ না করলেও স্বামীজি তাঁর প্রতি আস্থা হারাবেন না।  ‘ মরদ কি বাত হাতি কা দাঁত ‘ প্রচলিত হিন্দি প্রবাদটি ব্যবহার করে স্বামীজি বোঝাতে চেয়েছেন খাঁটি লোকের কথার কোন নড়চড় হয় না।  

২.৪ ) ‘ ফুরোয় না সেই একগুঁয়েটার দুরন্ত পিপাসা ‘ – কোন পিপাসাকে ? কেন দুরন্ত বলা হয়েছে ? 

উঃ –  আবহমান কবিতায় পিপাসা বলতে মাতৃভূমির টানকে বোঝানো হয়েছে।  

প্রবাসী বাঙালিরা মাতৃভূমির প্রতি নাড়ির টান অনুভব করে অনবরত।  ‘ ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় ‘ এই বাংলার প্রকৃতি ও গ্রামজীবনের অনাবিল সৌন্দর্য উপভোগের নেশায় তারা বারে বারে ফিরে আসে। তাই এই পিপাসাকে দুরন্ত বলা হয়েছে।

৩ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখ 

৩.১ ) ‘ বাঙালি চরিত্রে বিদ্রোহ বিদ্যমান । ‘ –  ‘ নব নব সৃষ্টি ‘ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কিভাবে সেই বিদ্রোহের পরিচয় দিয়েছেন ? 

উঃ – নব নব সৃষ্টি প্রবন্ধ লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের ভাষার কথা বলেছেন । সেই ভাষা প্রসঙ্গে আলোচনায় বাঙালি চরিত্রের বিশেষ বাঙালি বৈশিষ্ট্য দিকটি তিনি উল্লেখ করেছেন । দেইনি যে বৈশিষ্ট্য কথা বলেছেন তা হল বাঙালির বিদ্রোহী মনোভাব । বাঙালি চিরদিনই রাজনীতি ধর্ম সাহিত্য সর্বক্ষেত্রে সত্য – শিব – সুন্দরের সন্ধান করে গিয়েছে । যখন সেখানে তার সন্ধান পেয়েছে তখনই সেটা গ্রহণ করতে বাঙালি কোনদিন আপস করেনি । বরং কেউ যদি গতানুগতিক পন্থা বা প্রাচীন ঐতিহ্য এর দোহাই দিয়ে প্রচেষ্টায় বাধা দিতে চেয়েছে তখন তার বিরুদ্ধে বাঙালি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে । এই বিদ্রোহের সমাপ্তি কিন্তু সেখানে ঘটেনি । যখন বাঙালি দেখেছে যে, সেই বিদ্রোহ উশৃংখলতায় পরিণত হয়েছে তখন তার বিরুদ্ধে আবারো বিদ্রোহ করেছে । বাঙালি চরিত্রে যে বিদ্রোহী সত্তার মনোভাব চিরজাগ্রত তারই ইঙ্গিত দিয়েছে লেখক । তিনি এ প্রসঙ্গে আর একটি কথা বলেছেন যে, এই বিদ্রোহ কেবল বাঙালি হিন্দুর ভিতরে সীমাবদ্ধ নয়, বাঙালি মুসলমানও এই এই বিদ্রোহে খুবই তৎপর । তাই তিনি বলেছেন, ‘ ধর্ম বদলালেই জাতির চরিত্র বদলায় না ‘ । 

৩.২ ) ‘ আসিয়াছে শাস্ত্র অনুগত / বাংলার নীল সন্ধ্যা ‘ – ‘ আকাশে সাতটি তারা ‘ কবিতা অনুসরণে সেই সন্ধ্যার বিবরণ দাও । 

উঃ – কবি জীবনানন্দ দাশ তার ‘ আকাশে সাতটি তারা ‘ কবিতায় বাংলাদেশের একটি সুন্দর সন্ধ্যার দৃশ্য তুলে ধরেছেন । 

কবি অনুভব করেছেন বাংলার পল্লী প্রকৃতির এই বিরল সৌন্দর্য থেকে বঞ্চিত বাকি পৃথিবী । কবি আর কোথাও দেখেননি সন্ধ্যার এমন মোহময় রুপ । কোন কেশবতী কন্যার অজস্র চুলের মত আবেশে আচ্ছন্ন করেছে হিজল, কাঁঠাল কিংবা জাম গাছকে । কবি নানা অনুষঙ্গ অনুভব করেছেন সন্ধ্যার স্নিগ্ধতাকে । কখনো নরম ধানে, কলমির ঘ্রানে, আবার কখনো হাঁসের পালক, পুকুরের জল, চাঁদা সরপুঁটিদের মৃদু ঘ্রাণে বাংলার সন্ধ্যা আমোদিত করে দেয় কবিকে । এসবের মাঝে কিশোরীর স্নেহের পরশ কিংবা কিশোরের পায়ে দলা মুথা ঘাস, লাল লাল বটের ফলের বাথিত গন্ধের ক্লান্ত নীরবতায় কবি স্পর্শ পান বাংলার সন্ধ্যাকালীন সমাহিত রুপের । প্রকৃতির এই সন্ধ্যার রূপ পরিবেশিত হয়েছে ‘ আকাশে সাতটি তারা ‘ কবিতায়, সেখানে অনাড়ম্বর বৈভবহীন আয়োজনে রয়েছে শুধুই সমাহিত শান্তির আশ্বাস, যা অতুলনীয় ঐশ্বর্য সমৃদ্ধ করেছে ।  

৩.৩ ) ‘ চিঠি ‘ অনুসরণে স্বামী বিবেকানন্দের বিদেশি ভক্ত ও অনুগামীদের পরিচয় দাও । 

উঃ – পাঠ্য চিঠিটি স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৯৭ সালের ২৯ জুলাই ভারতবর্ষের আলমোড়া থেকে মিস নোবেলের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন । চিঠিতে তিনি বেশ কয়েকজন বিদেশি ও বিদেশিনীদের নাম উল্লেখ করেছেন । 

প্রথমেই আসে তার শিষ্য মিস মার্গারেট নোবেলের কথা । মিস নোবেল স্বামীজীর কাছে দীক্ষা গ্রহণ করেন এবং ভারতের নারী সমাজের কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করেন । তার নাম কলকাতার বাগবাজারে ‘ নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয় ‘ স্থাপিত হয় । 

মিস হেনরিয়েটা মুলার স্বামীজীকে বেলুড় মঠ স্থাপনের কাজে অর্থ সাহায্য করেছিলেন । মিস মুলার এর বাড়িতে স্বামীজি কিছুদিন অতিথি হিসেবে ছিলেন । মিস মুলার কিছুটা রুক্ষ মেজাজের হলেও তিনি ছিলেন সহৃদয় ও অমায়িক । 

সেভিয়ার দম্পতি সম্পর্কে স্বামীজীর খুব প্রশংসা করেছেন । তার মতে এই সেভিয়ার দম্পতিই একমাত্র ইংরেজ যারা এদেশের মানুষদের ঘৃণা করেন না । তবে এদের নির্দিষ্ট কার্যপ্রণালী অভাব ছিল । 

স্বামীজীর দুজন বন্ধু হলেন মিস ম্যাকলাউড ও বস্টনের মিসেস বুল । ম্যাকলাউড স্বামীজীকে নানান কাজে সাহায্য করেছেন । আর মিসেস বুল বেলুড় মঠ স্থাপনে অনেক অর্থ সাহায্য করেছেন । 

স্বামীজি তাঁর একজন ইংরেজ ভক্ত মিস্টার স্টাডির কথাও বলেছেন । তিনি স্বামীজীকে ইংল্যান্ডে বেদান্ত প্রচারের কাজে সাহায্য করেছিলেন ।  

৩.৪ ) ‘ নটে গাছটা বুড়িয়ে ওঠে, কিন্তু মুড়ই না ‘ – পংক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো । 

উঃ – উদ্ধৃতাংশটি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ‘ আবহমান ‘ কবিতার অংশবিশেষ । লোক কাহিনীর গল্প শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নটে গাছটি মুড়িয় যায় না, সেটি এখানে বুড়িয়ে যায় । একটা চিরন্তন প্রবাহমানতার কথা এখানে ফুটে উঠেছে । কালের নিয়মে মানুষ শৈশব থেকে বার্ধক্যে উপনীত হলেও তার প্রকৃতি লালিত আজন্মচেনা উঠান লাউ মাচা কুন্দ ফুল, সান্ধ্য নদীর হাওয়ায় পরিপূর্ণ মাতৃভূমির স্বরূপ, কখনো স্মৃতিপট থেকে মুছে যায় না । ব্যক্তির বার্ধক্য তার শৈশব স্মৃতিকে নষ্ট করতে পারে না বা তার গ্রহন যোগ্যতাকে নষ্ট করতে পারে না । তাই মানুষ জীবন-জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গেলেও অতীত স্মৃতি কে ভুলতে পারেনা । সে বারবার শিকড়ে ফিরে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করে । প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার চিরকালীন আকুলতাকে প্রকাশ করতে কবি এই উক্তি করেছেন । 

৩.৫ ) ‘ তাহারা দরিদ্র, কিন্তু লোভী নহে ‘ – কাদের কথা বলা হয়েছে ? পাঠ্যাংশ অনুসরণে তাদের দারিদ্র এবং নির্লোভতার প্রসঙ্গ আলোচনা করো । 

উঃ – সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘ রাধারানী ‘ গদ্যাংশে এখানে রাধারানী ও তার মায়ের কথা বলা হয়েছে । 

স্বামীর আকস্মিক মৃত্যু এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় পরাজিত হয়ে সহায় সম্বলহীনা রাধারানীর মা ভিটেমাটি ছেড়ে এক নিতান্ত কুটিরে নিদারুণ দারিদ্র্যে মেয়েকে নিয়ে দিনযাপন করতে থাকে । মা গুরুতর পিরিতা হলে তার পথের সংস্থানে রাধারানী বনফুলের মালা গেঁথে মাহেশের রথের হাটে বিক্রি করতে যায় । কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে হাট ভেঙে যায় । মালা বিক্রয়ে ব্যর্থ মন নিয়ে রাধারানী যখন অশ্রু জল চোখে বাড়ির দিকে অগ্রসর হয়, তখন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটে রুক্ষিনি কুমার নামক এক পথিকের । তিনি যে শুধু মালাটি কিনে নেন তা নয়, মালা নির্ধারিত মূল্যে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করেন । তিনি রাধারানীর জন্য শাড়ি কিনে পাঠান, এমনকি একটা নোটও ফেলে যান তাদের বাড়িতে ।কিন্তু ফেলে যাওয়া টাকাটি তারা গ্রহণ করতে পারে না । কারণ তা ছিল তাদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত । তাই সেই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তারা তার সন্ধান করেছিল । এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে দারিদ্র তাদের সততা ও নির্লোভ মানসিকতা কেড়ে নিতে পারেনি । 


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

Class 9 Model Activity Task Bengali Part 5 Answers | Model Activity Task Class 9 Bengali Part 5 | Class 9 Bengali Task | ক্লাস ৯ মডেল আক্টিভিটি টাস্ক বাংলা উত্তর | Class 9 মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Bengali Part 5 |

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here