Class 9 Model Activity Task Geography Part 7 / 6 / 5 / 4 Answer

9097
Class 9 Model Activity Task Geography All Part
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

Class 9 Model Activity Task Geography Part 7 / 6 / 5 / 4 Answer | মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 ভূগোল উত্তর 2021 | Model Activity Task Class 9 Geography Part 7 Part 6 Part 5 Part 4 | Class 9 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Geography Part 7 |

তোমরা যারা ক্লাস 9 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ অক্টোবর মাসে ভূগোলের যে নতুন ( ২০২১ সাল ) Model Activity Task দেওয়া হয়েছে। তার সমস্ত উত্তর এখান থেকে দেখে নাও । 

[ 4th Series ] Model Activity Task Class 9 Geography [ Part 7 October ]

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ । 

১.১ ) নিরক্ষীয়তলে অবস্থিত বিষুব রেখার অক্ষাংশ হলো – 

উঃ – গ ) ) 0 ডিগ্রি । 

১.২ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো । 

উঃ – ঘ ) ক্ষয়জাত পর্বত আরাবল্লী । 

১.৩ ) শিলা মধ্যস্থ খনিজের সঙ্গে অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে আবহবিকার সংঘটিত হয় তা হল – 

উঃ – ঘ ) জারণ । 

১.৪ ) উত্তরবঙ্গের নদী গুলির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল – 

উঃ – খ ) বরফগলা জলে পুষ্ট । 

২ ) স্তম্ভ মেলানো । 

২.১ ) ক্ষুদ্রকণা বিসরণii ) উষ্ণ মরু অঞ্চল
২.২ ) কানাডা  iv ) মহাদেশীয় শীল্ড মালভুমি
২.৩ ) এলাহাবাদi ) ভারতীয় প্রমাণ সময় 
২.৪ ) বীরভূমiii ) রাঢ় অঞ্চল

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও । 

৩.১ ) কি কারনে কালবৈশাখী হয় ? 

উঃ –  সাধারণত চৈত্রের শেষে এবং বৈশাখ মাসে সূর্য পশ্চিমবঙ্গ ও তার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় । ভূপৃষ্ঠ অত্যাধিক গরম হলে বাতাস হালকা ও অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে । উত্তপ্ত হালকা বাতাস সোজা উপরে উঠে শীতল হয় কিউমুলাস মেঘ সৃষ্টি করে। বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে কিউমুলাস মেঘ উলম্বভাবে কিউমুলোনিম্বাস নামক কালোমেঘ গঠন করে এবং পরবর্তী সময়ে বজ্রঝড়ের সৃষ্টি করে । 

৩.২ ) আবহবিকার এর দুটি ফলাফল উল্লেখ করো।  

উঃ – আবহবিকার এর দুটি ফলাফল হল – 

রেগোলিথ গঠন – আবহবিকারের ফলে শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মূল শিলার উপর অবস্থান করে একে রেগোলিথ বলে। এই রেগোলিথ হলো শিলা ও মাটির মধ্যবর্তী অবস্থা।  

মাটি সৃষ্টি – শিলাখণ্ড মূল ভূমি থেকে আলগা হয়ে রেগোলিথ গঠন করে যা থেকে পরবর্তীকালে মাটির সৃষ্টি হয়।  

৪ ) নিচের প্রশ্নটির উত্তর দাও।  

৪.১ ) স্তুপ পর্বত এর তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো । 

উঃ – i ) স্তূপ পর্বতের পার্শ্বদেশ খাড়া ঢাল বিশিষ্ট হয় । 

ii ) স্তূপ পর্বতের শীর্ষদেশের আকৃতি চ্যাপ্টা হয়।

iii ) স্তূপ পর্বতের মাঝে অনেক চুতিতল লক্ষ্য করা যায়। 

৫ ) নিচের প্রশ্নটির উত্তর দাও।  

৫.১ ) ভুজালকের সাহায্যে কিভাবে পৃথিবীপৃষ্ঠের কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করা যায় । 

উঃ – নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও –

[ 4th Series ] Model Activity Task Class 9 Geography [ Part 7 October ]
Class 9 All Subject Answer 2021 [ October ]Answer Pdf

আরও দেখো ক্লিক করে –

Class 9 Bengali October Answer

Class 9 History October Answer

Class 9 Life Science October Answer

Class 9 Physical Science October Answer

4th Series Class 9 Geography Part 7 | Class 9 Geography Task Part 7 2021 | Class 9 History Geography Task Answer |

[ 3rd Part September ] Class 9 Model Activity Task Geography Part 6

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ । 

১.১ ) অক্ষরেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো – 

উঃ – গ ) অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল । 

১.২ ) বিদার অগ্ন্যুদগমের মাধ্যমে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল – 

উঃ – খ ) লাভা মালভূমি । 

১.৩ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো – 

উঃ – খ ) কালিম্পং জেলা – সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থান । 

২ ) শূন্যস্থান পূরণ করো । 

২.১ ) দ্রাঘিমারেখাগুলি নিরক্ষরেখাকে _______  কোণে ছেদ করেছে। 

উঃ – ৯০ ডিগ্রি । 

২.২ ) আবহবিকারগ্রস্ত শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মূল শিলার অপর যে শিথিল আবরণ তৈরি করে তাকে _____ বলে । 

উঃ – রেগোলিথ । 

২.৩ ) দার্জিলিং জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নিত্যবহ নদী হল _______ । 

উঃ – তিস্তা । 

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও । 

৩.১ ) আবহবিকারে প্রাণীদের ভূমিকা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো । 

উঃ – ক ) মানুষের ভূমিকা

i ) বাসগৃহ নির্মাণের মাধ্যমে শিলার বিচূর্ণন ঘটে । 

ii ) কৃষিকার্যের মাধ্যমে যান্ত্রিক আবহবিকার ঘটে । 

iii ) খনিজ উত্তোলন, জলাশয় খনন, শিল্প স্থাপন প্রভৃতির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আবহবিকার ঘটায় । 

খ ) অন্যান্য প্রাণীদের ভূমিকা 

i ) খরগোশ, ইঁদুর, কেঁচো প্রভৃতি মৃদভেদী প্রাণীরা মাটিতে গর্ত করে বাস করে ও শিলার বিচূর্ণন ঘটে ।

ii ) প্রাণীদের মৃতদেহ ও বর্জ্য পদার্থ বিয়োজিত হয়ে শিলার রাসায়নিক আবহবিকার ঘটে । 

৩.২ ) পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ সভাপতি অঞ্চলে বসবাস করেন – ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো । 

উঃ – বর্তমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯০ % সমভূমিতে বসবাস করেন । এই ভৌগোলিক কারণ গুলি হল –

মৃদুভাবাপন্ন জলবায়ু – এখানে মাঝারি উষ্ণতা ও পরিমিত বৃষ্টিপাতের জন্য জলবায়ু মৃদু প্রকৃতির হয় । 

জলের সহজলভ্যতা – সমভূমির মাটির অগভীরে ভৌম জল এবং অসংখ্য নদ-নদী, খাল ও জলাশয় থেকে সেচ, দৈনন্দিন কাজকর্ম, পানীয় ও শিল্প কাজে জল পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায় । 

কৃষি উন্নতি – বিস্তীর্ণ সমতল জমি, উর্বর গভীর পলি বা বেলে মাটি বা কৃষ্ণ মৃত্তিকা, জল সেচের সুবিধার জন্য সমভূমি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কৃষি অঞ্চল । যথা – সিন্ধু গঙ্গা ব্রহ্মপুত্র সমভূমি ইত্যাদি । 

পরিবহন ও যোগাযোগ উন্নতি – সমতল ভূমিরূপ এবং বিপুল জনসংখ্যার কেন্দ্রীভবনের জন্য ঘন জালের আকারে সড়ক, রেল, পাতাল রেল, নদী ও আকাশপথের বিস্তার ঘটে । দেশ-বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থার অকল্পনীয় বিকাশ ঘটে । 

ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার – কৃষি শিল্পের উন্নতি, সুষ্ঠ পরিবহন ও সমৃদ্ধ বাজারের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি ঘটে । 

৪ ) প্রশ্ন – পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু কিভাবে মৌসুমী বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয় ? 

 উত্তর – পশ্চিমবঙ্গসহ ভারত হলো মৌসুমী বায়ুর প্রধান বিচারণক্ষেত্র । রাজ্যের সকল জলবায়ুগত উপাদান গুলির উপর মৌসুমী বায়ু প্রভাব ফেলে । তাই রাজ্যের জলবায়ু মৌসুমী প্রকৃতির । 

ঋতু পরিবর্তন – মৌসুমী বায়ুর আসা ও ফিরে যাওয়ার ভিত্তিতে রাজ্যে চারটে ঋতুর পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে । গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল, শরৎকাল ও শীতকাল । 

ঋতুগত বিপরীতমুখী বায়ুপ্রবাহ – মৌসুমী বায়ু সারাবছর ধরে আগমন ও প্রত্যাগমন এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ ঋতু অনুসারে ১৮০ ডিগ্রি দিক পরিবর্তন করে বিপরীতমুখে প্রবাহিত হয় । গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দক্ষিণ থেকে উত্তরে সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে এবং শরৎ ও শীতকালে উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু উত্তর থেকে দক্ষিনে স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয় । 

পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত – মৌসুমী বায়ুর বঙ্গোপসাগরিও শাখা রাজ্যে বর্ষাকালে ঘরে ২০০ – ২৫০ সেমি বৃষ্টি ঘটিয়ে বার্ষিক ৯০ % বৃষ্টিপাত সম্পূর্ণ করে । মালভূমি ছাড়া সর্বত্র আদ্র জলবায়ু সৃষ্টি করে ।

আদ্র গ্রীষ্ম ও শুষ্ক শীতকাল –  গ্রীষ্মকালের শেষ ভাগে বঙ্গোপসাগরের জলীয় বাষ্পপূর্ণ দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রাজ্যের সর্বত্র পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে আর্দ্র করে । বর্ষাকালের সূচনা হয় । আবার শীতকাল  স্থলভাগ থেকে আগত জলীয় বাষ্পহীন উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ুর জন্য শুষ্ক আবহাওয়া সৃষ্টি হয় । 

বৃষ্টিপাতের অসম বন্টন – রাজ্যের বিভিন্ন অংশে মৌসুমী বায়ু বিভিন্নভাবে প্রবাহিত হওয়ায় বৃষ্টিপাতের বন্টন সব জায়গায় সমান হয় না ।বৃষ্টিপাত উত্তর থেকে দক্ষিনে এবং দক্ষিণ থেকে পশ্চিমে ক্রমশ হ্রাস পায় । উত্তরের পার্বত্য অঞ্চলে ৩০০ – ৫০০ সেমি, দক্ষিণবঙ্গে ১৫০ – ২০০ সেমি এবং পশ্চিমের মালভূমিতে ১০০ – ১২৫ সেমি বৃষ্টিপাত হয় । 

Class 9 History Part 6 Answer 2021 | 3rd Part Setember Class 9 History Answer 2021 |

Model Activity Task Class 9 Geography Part 5

Class 9 Model Activity Task Geography Part 5 | Class 9 Geography Part 5 Task Answers |

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ :

১.১ ) বিষুবরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ হল –

উঃ – ক ) ০ ডিগ্রি। 

১.২ ) ভূ আলোড়ন ভূপৃষ্ঠে অনুভূমিকভাবে কাজ করলে সৃষ্টি হয় –

উঃ – খ ) ভঙ্গিল পর্বত। 

১.৩ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো –

উঃ – গ ) মালভূমির ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা – জলধারণ ক্ষমতা কম। 

২ ) একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও : 

২.১ ) কোন স্থানের দ্রাঘিমা ২৪ ডিগ্রি পূর্ব হলে ঐ স্থানটির প্রতিপাদস্থানের দ্রাঘিমা কত হবে ? 

উঃ – ২৪ ডিগ্রি পশ্চিম।  

২.২ ) একটি পর্বত বেষ্টিত মালভূমির নাম লেখ ? 

উঃ –  তিব্বত মালভূমি।  

২.৩ ) কোন জলবায়ু অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকারের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায় ? 

উঃ – ক্রান্তীয় বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে। 

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : 

৩.১ ) নদী ও খালের জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাবগুলি কি কি ? 

উঃ – নদী ও খালের জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাবগুলি হলো – 

i ) নদী ও খালের জল অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে জলের গতি কমে যায়। ফলে প্রচুর পলি সঞ্চয় হয়। এর ফলে নদীখাত ভরাট হওয়ায় নদীর নাব্যতা কমে যায় ও বর্ষাকালে বন্যা দেখা যায়।  

ii ) ধর্মীয় উপাচারের সামগ্রী নদী বা খালে ফেললে নদী বা খালের জল ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে ওঠে।  

iii ) অতিরিক্ত আরে জল উত্তোলনের ফলে ভূগর্ভে ভৌম জলতল অনেক নিচে নেমে যায় যা খুবই ক্ষতিকর।

iv ) মাত্রাতিরিক্ত জলের ব্যবহারে ভৌম জলের পতন ঘটলে আর্সেনিক বৃদ্ধি হবার সম্ভাবনা বাড়ে।  

v ) শিল্প থেকে বিভিন্ন বর্জ্য অপরিশোধিত অবস্থায় নদী বা খালের জলে মিশলে নদী ও খালের জল দূষিত হয়ে যায়।   

৩.২ ) ক্ষয়জাত সমভূমি ও সঞ্চয়জাত সমভূমির মধ্যে পার্থক্য লেখ।

ক্ষয়জাত সমভূমিসঞ্চয়জাত সমভূমি
প্রাকৃতিক ক্ষয়কারী শক্তি দ্বারা ( যেমন – নদী বায়ু প্রবাহ ) প্রাচীন কোন উচ্চভূমির সুদীর্ঘকাল ধরে ক্ষয় পেয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির উৎপত্তি হয়েছে । প্রাকৃতিক শক্তির সঞ্চয় কাজের দ্বারা নিচু ভূভাগ উঁচু হয়ে সঞ্চয়জাত সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে । 
ক্ষয়জাত সমভূমি উর্বর হয় না । সঞ্চয়জাত সমভূমি উর্বর হয় । 
ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টিতে বহির্জাত প্রক্রিয়া দায়ী । সঞ্চয়জাত সমভূমির সৃষ্টিতে অন্তর্জাত প্রক্রিয়া দায়ী । 

৪ ) নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও 

৪.১ ) ক ) উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে তুষারের কার্যের ফলে শিলা আবহবিকারগ্রস্ত হয় – চিত্রসহ ব্যাখ্যা করো।

উঃ – উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে শিলাস্তরের ফাটলের মধ্যে থেকে জল তুষার কেলাসে পরিণত হলে আয়তনে বেড়ে যায় । বরফ প্রতিবর্গসেমিতে প্রায় ২১১৫ কেজি চাপ প্রয়োগ করে, ফলে শিলায় ফাটল ধরে ।  উষ্ণতার তারতম্যের জন্য জল ও বরফের চাপ বাড়া বা কমায় শিলায় পীড়নের সৃষ্টি হয় । এর ফলে শিলাগাত্রে চাপ পড়ে ও শিলা বিচূর্ণ হয় । 

খ ) অক্সিডেশন বা জারণ প্রক্রিয়ায় শিলা কিভাবে বিয়োজিত হয় উদাহরণসহ লেখ । 

উঃ – অক্সিডেশন বা জারণ – বায়ুতে অক্সিজেনের উপস্থিতিতে জলের দ্বারা শিলা মধ্যস্থিত খনিজের পরিবর্তন হওয়ার রাসায়নিক প্রক্রিয়া অক্সিডেশন বা জারণ বলে । 

পদ্ধতি – লৌহ অক্সাইডযুক্ত শিলায় অক্সিজেনের উপস্থিতিতে জলের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন খনিজের সৃষ্টি হয় ও শিলার বিয়োজন ঘটে । 

Model Activity Task Class 9 Geography Part 5

[ New ] Class 9 Model Activity Task Geography All Part 2021 | Class 9 Model Activity Task Geography Part 5 Part 4 Part 1 Part 2 | ক্লাস ৯ মডেল আক্টিভিটি টাস্ক ভূগোল উত্তর | Class 9 মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Geography Part 5 |

Class 9 Model Activity Task Geography 2021 Part 1

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১ ) ‘ সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের মধ্যে একমাত্র পৃথিবীই জীবকুলের আবাসস্থল ‘ –  বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো। 

উত্তর – বিভিন্ন অনুকূল কারণে সৌরজগতের গ্রহ গুলির মধ্যে একমাত্র পৃথিবী হলো জীবকুলের আবাসস্থল এর কারণ গুলি হল – 

i ) সূর্যালোক ও উষ্ণতা  – পৃথিবীতে পর্যাপ্ত সূর্যালোক ও উষ্ণতা থাকায় মানুষের জীবনধারণের পক্ষে উপযুক্ত।  পৃথিবীর গড় উষ্ণতা প্রায় 15 ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড। 

ii ) জলের প্রাচুর্যতা –  জল ছাড়া জীবনধারণ অসম্ভব। পৃথিবীর প্রায় ৭১ % জলভাগ থাকার জন্য মানুষের বসবাসের সহায়ক হয়েছে। 

iii ) অক্সিজেন – মানুষের বাঁচার প্রধান উপাদান গুলির মধ্যে একটি হলো অক্সিজেন। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে ২০.৯৪ % অক্সিজেন গ্যাস রয়েছে যা মানুষের শ্বসনক্রিয়ার জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। 

২ ) চিত্রসহ দিন রাত্রির দৈর্ঘ্যর হ্রাসবৃদ্ধির সংগঠন বর্ণনা করো। 

উত্তর –  চিত্রটি তোমরা নিজেরা এঁকে নাও। 

সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় পৃথিবীর মেরুরেখা তার কক্ষতলের সঙ্গে ৬৬ পূর্ণ ১ এর ২ কোণে হেলে অবস্থান করে। এরফলে সূর্য কখনো উত্তর গোলার্ধে কর্কটক্রান্তি রেখার উপর, আবার কখনো দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। সেই জন্য উত্তর গোলার্ধে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বছরের বিভিন্ন সময়ে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যর হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে। 

৩ ) প্রচলিত ও অপ্রচলিত শক্তির মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো। 

উত্তর – পার্থক্যটা খাতাতে তোমরা সাজিয়ে নেবে। 

প্রচলিত শক্তি – 

i ) প্রচলিত পদ্ধতিতে একসঙ্গে প্রচুর বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন সম্ভব। তাই বড় বড় কলকারখানায় এই শক্তির ব্যবহার বেশি। 

ii ) বহুদিন ধরে ব্যবহার করা প্রচলিত পদ্ধতিতে উৎপাদন করা শক্তি হলো প্রচলিত শক্তি। 

iii ) কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্রভৃতি প্রচলিত শক্তির উৎস। 

অপ্রচলিত শক্তি –

i ) এই পদ্ধতিতে এখনো পর্যন্ত উৎস থেকে খুব বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হয়নি। তাই ছোট ছোট কলকারখানা, বাড়িতে রান্নার কাজে এই শক্তি ব্যবহৃত হয়। 

ii ) প্রকৃতির বিভিন্ন উৎসকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ মিত্র নতুন নতুন পদ্ধতিতে উৎপত্তি শক্তি হল অপ্রচলিত শক্তি। 

iii ) সূর্যালোক, বায়ুপ্রবাহ, জোয়ার ভাটা, ভূতাপ, জৈব বর্জ্য প্রভৃতি অপ্রচলিত শক্তির উৎস। 

৪ ) সম্পদ সংরক্ষণের সম্ভাব্য উপায়গুলি লেখ। 

উত্তর – সম্পদ সংরক্ষণের সম্ভাব্য উপায়গুলি হলো – 

i ) সম্পদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। 

ii ) প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পদের অপচয় বন্ধ করা। 

iii ) সম্পদের উৎপাদন ও ব্যবহারের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করা। 

iv ) সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা। 

Class 9 Model Activity Task Geography 2021 Part 2 

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো  :

১ ) কিভাবে কোরিওলিস প্রভাব বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতকে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর – পৃথিবীর আবর্তন গতির জন্য ভূপৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ুপ্রবাহ এবং সমুদ্রস্রোত সোজা পথে প্রবাহিত না হয়ে একটু বেঁকে প্রবাহিত হয়।  যে বলের কারণে বায়ু প্রবাহ এবং সমুদ্র স্রোতের দিকবিক্ষেপ ঘটে তাকে কোরিওলিস বল বা কোরিওলিস এফেক্ট বলে। 

কোরিওলিস বলের প্রভাবে মেরুঅঞ্চল অপেক্ষা নিরক্ষরেখায় বেশি।  পৃথিবীর আবর্তন গতিবেগও মেরু অঞ্চলে কম ও নিরক্ষরেখায় বেশি। এই আবর্তন বেগের পার্থক্যর জন্য নিরক্ষরেখায় প্রবাহিত বায়ুর গতিবেগ বেশি হয় ও মেরুর দিকে প্রবাহিত বায়ুর গতিবেগ কম থাকে।  কিন্তু উভয় দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু তার পূর্বের গতিবেগ বজায় রাখার চেষ্টা করে। 

ফলে গতি বিক্ষেপ হয়। এই গতিবিক্ষেপ এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে প্রবাহিত বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। একইরকমভাবে সমুদ্রস্রোতের গতিবিক্ষেপ ঘটে। 

২ ) কি কি কাজে GPS ব্যবহৃত হয় ?

উত্তর – GPS এর ব্যবহার – 

i ) মহাকাশে প্রদক্ষিণরত কৃত্রিম উপগ্রহগুলি থেকে প্রেরিত সিগন্যাল ভূপৃষ্ঠের সংগ্রাহক গুলিতে পৌঁছায় এবং কোন স্থানের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। 

ii ) ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়, ভূমিরূপ এর আকৃতির অনুধাবন, জাহাজ ও বিমান চলাচল এবং বিভিন্ন পরিকল্পনায় ভূপৃষ্ঠের মানচিত্র তৈরিতে GPS এর ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

iii ) ভূপৃষ্ঠের দুই বা ততোধিক স্থানের মধ্যে উচ্চতার কয়েক সেমি পার্থক্যও GPS এর সাহায্যে আনা সম্ভব হয়। 

iv ) কোন ক্ষুদ্র অঞ্চলের আকৃতির পরিবর্তন সহজেই GPS এর দ্বারা জানা যায়। 

৩ ) পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে আবর্তিত না হলে কি ঘটনা ঘটবে ?

উত্তর – পৃথিবী নিজের অক্ষের চারদিকে আবর্তিত না হলে যা ঘটবে – 

i ) আবর্তন গতি না থাকলে উত্তাপে সমতা থাকত না এবং প্রাণ সৃষ্টির পরিবেশ রচনা অসম্ভব হতো।  

ii ) পৃথিবীর আবর্তন গতি না থাকলে যে পাশে সূর্যের আলো পরতো সেখানে অধিক উত্তাপে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যেত।  অন্ধকার দিকে অধিক শীতলতম হওয়ায় জীব সৃষ্টি সম্ভব হতো না।  

iii ) কেবল ছায়া বৃত্তের অংশগুলিতে প্রাণ সৃষ্টি সম্ভাবনা সৃষ্টি হতো। 

৪ ) বর্তমানে অচিরাচরিত শক্তি অধিক প্রসার লাভ করেছে কেন ?

উত্তর – বর্তমানে অচিরাচরিত শক্তি অধিক প্রসার লাভ করেছে কারণ – 

i ) অল্প মূলধন বিনিয়োগ করলে এই শক্তি উৎপাদন করা যায়। 

ii ) প্রকৃতির বিভিন্ন উৎস কে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ মিত্র শক্তি উৎপাদন করা যায়। 

iii ) সহজ পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 

iv ) সূর্যালোক, বায়ুপ্রবাহ, জোয়ার ভাটা শক্তি ব্যবহার করা হয়। 


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

Class 9 Model Activity Task Geography Part 7 / 6 / 5 / 4 Answer | মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Class 9 ভূগোল উত্তর 2021 | Model Activity Task Class 9 Geography Part 7 Part 6 Part 5 Part 4 | Class 9 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক Geography Part 7 |

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here