হর্ষঙ্ক বংশ। শিশুনাগ বংশ। নন্দ বংশ। মৌর্য বংশ।

পোস্টটি শেয়ার করুন

হর্ষঙ্ক বংশ। শিশুনাগ বংশ। নন্দ বংশ। মৌর্য বংশ।

আপনি কি হর্ষঙ্ক বংশ। শিশুনাগ বংশ। নন্দ বংশ। মৌর্য বংশ। সম্পর্কে জানতে চান।

যদি হ্যাঁ হয়, আপনি সঠিক পোস্টে এসেছেন।

আমি এই পোস্টটিতে আপনার সাথে উপরের চারটি বংশের শাসকের নাম, শাসনকাল ও তাদের অবদান সম্পর্কে শেয়ার করছি।

আশা করি আপনি অনেক কিছু জানতে পারবেন।

পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইল।

হর্ষঙ্ক বংশ, হর্ষঙ্ক বংশের প্রতিষ্ঠাতা,হর্ষঙ্ক বংশের শেষ রাজা।

শাসকের নাম – বিম্বিসার।

শাসনকাল – ৫৪৪ – ৪৯২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ ।

অবদান – ১. বুদ্ধচরিত থেকে জানা যায় হর্ষঙ্ক বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিম্বিসার। এবং তার রাজত্ব – কালেই মগধের সাম্রাজ্য বিস্তার শুরু হয়েছিল। ২. আনুমানিক ৫৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বিম্বিসার মগধের সিংহাসনে বসেন। তাঁর রাজধানী ছিল রাজগীর। ৩. তিনি কোশল, বৈশালি ও মোদ্রা বংশের বন্ধনের মাধ্যমে মগধের ক্ষমতা ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

শাসকের নাম – অজাতশত্রু। 

শাসনকাল – ৪৯২ – ৪৬০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ ।

অবদান – ১. বিম্বিসারের পুত্র অজাতশত্রু তাঁর পিতাকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন। অজাত – শত্রুর সময় মগধ ক্ষমতার শীর্ষে পৌছায়। ২. অজাতশত্রুর সময় কোশলের সঙ্গে মগধের যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে কোশলরাজ প্রসেনজিৎ পরাস্ত হয়ে তাঁর কন্যা ভজিরাকুমারীর সঙ্গে অজাত – শত্রুর বিয়ে দেন। ৩. অজাতশত্রু বৈশালির লিচ্ছবিরাজ চেতকের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হন। যুদ্ধে বৃজি, মল্ল সহ ৩৬ টি গণরাজ্য অজাতশত্রুর বিরুদ্ধে ও বৈশালির পক্ষে যোগ দিলে অজাতশত্রু কূটকৌশলে গণরাজ্যগুলির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেন এবং জয়ী হন। ৪. অজাতশত্রুর সময় প্রথম বৌদ্ধ সংগীত অনুষ্ঠিত হয়।

শাসকের নাম – উদয়িন।

শাসনকাল – ৪৬০ – ৪৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. অজাতশত্রুর পর মগধের সিংহাসনে বসেন উদয়িন বা উদয়ভদ্র। ২. উদয়িনির প্রধান কৃতিত্ব হল গঙ্গা ও শোন নদীর সঙ্গম স্থলে অবস্থিত পাটলিপুত্র নগরের নির্মাণ। ৩. ৪৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে উদয়িনির রাজত্বকাল শেষ হয়। ৪. উদয়িনির পর যথাক্রমে অনিরুদ্ধ, মুণ্ড, নাগদশক মগধের সিংহাসনে বসেন। ৫. ৪১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত হর্ষঙ্ক বংশ রাজত্ব করেন। ৬. হর্ষঙ্ক বংশের শেষ রাজা হলেন নাগদশক

শিশুনাগ বংশ,  শিশুনাগ বংশের প্রতিষ্ঠাতা,

শাসকের নাম – শিশুনাগ।

অবদান – ১. শিশুনাগ বংশের প্রতিষ্ঠাতা শিশুনাগ বৈশালির ভূতপূর্ব রাজপুত্র। ২. হর্ষঙ্ক বংশের শেষ রাজা নাগদশককে হত্যা করে তাঁর সভাসদ শিশুনাগ মগধের সিংহাসনে বসেন। ৩. অবন্তির রাজা অর্ষকের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য শিশুনাগ কিছুদিন গিরিব্রজে রাজধানী স্থানান্তর করেন। ৪. গৃহযুদ্ধে বিক্ষত অবন্তি মগধের আক্রমণে পরাস্ত ও অধিকৃত হলে শিশুনাগ তাঁর রাজধানী পিতৃরাজ বৈশালিতে স্থানান্তর করেন। ৫. তিনি ৪১২ – ৩৯৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।


শাসকের নাম – কালাশোক।

অবদান – ১. শিশুনাগের মগধের সিংহাসনে বসেন কাকবংশ বা কালাশোক। তাঁর সময় মগধ উওর ভারতের শ্রেষ্ঠ রাজ্যে পরিণত হয়। ২. তিনি মগধের রাজধানী পাটলিপুত্রকে পাকাপাকিভাবে নগরে স্থাপন করেন। ৩. কালাশোকের সময় বৈশালিতে দ্বিতীয় বৌদ্ধ সংগীত অনুষ্ঠিত হয়। ৪. ৩৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত শিশুনাগ বংশ মগধে রাজত্ব করে।

নন্দ বংশ,নন্দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে, নন্দ বংশের শেষ সম্রাট।

শাসকের নাম – মহাপদ্মনন্দ।

অবদান – ১. মহাপদ্মনন্দ কালাশোকের ১০ পুত্র এবং কালাশোককে হত্যা করে মগধের সিংহাসনে বসেন এবং নন্দবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। ২. মহাপদ্মনন্দ একজন জনৈক শুদ্র ছিলেন। তিনি প্রথম অ – ক্ষত্রিয় রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন। ৩. মহাপদ্মনন্দ পাঞ্চাল, কাশি, ইক্ষ্বাকু, অস্মক, মিথিলা প্রভৃতি ক্ষত্রিয় রাজ্যগুলি মগধের অধিনে আনেন। ৪. মহাপদ্মনন্দের উপাধি ছিল একরাট, ‘সর্বক্ষত্রান্তক’ ও ‘দ্বিতীয় পরশুরাম’। ৫. নন্দবংশের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র। মহাপদ্মনন্দকে ঐতিহাসিক রাধাকুমুদ মুখো – পাধ্যায় ‘উওর ভারতের প্রথম ঐতিহাসিক সম্রাট’ বলে অভিহিত করেছেন।

শাসকের নাম – ধননন্দ।

অবদান – ১. মহাপদ্মনন্দের পর মগধের ৮ জন নন্দবংশীয় রাজা রাজত্ব করেন। এদের সম্বন্ধে বিশেষ কোনো তথ্য পাওয়া যায় নি। নন্দবংশের শেষ রাজা হলেন ধননন্দ। ২. শেষ নন্দরাজা ধননন্দ সম্পর্কে গ্রিক ও ভারতীয় সূত্র থেকে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। ৩. গ্রিক লেখকেরা তাঁর বিরাট সামরিক শক্তির উল্লেখ করেছেন। ২০,০০০ অশ্বারোহী, ২ লক্ষ পদাতিক, ২২,০০০ রথ, ৩,০০০ রণহস্তি নিয়ে তাঁর সেনাদল গঠিত ছিল। ৩. ধননন্দের সময় গ্রিক বীর আলেক – জান্ডার ভারত আক্রমণ করেন। ৪. ধননন্দ ছিল অত্যাচারী রাজা। বিশাল সামরিক বাহিনীর জন্য প্রজাদের ওপর বাড়তি কর চাপান।

মৌর্য বংশ,মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে, মৌর্য বংশের শেষ রাজা কে । 

এবার আমরা মৌর্য বংশের সমস্ত শাসকের নাম, শাসনকাল ও তাদের অবদান সম্পর্কে জেনে নব।

চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

শাসকের নাম – চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।

শাসনকাল – ৩২১ – ২৯৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. অত্যাচারী রাজা ধননন্দের ওপর প্রজারা বিক্ষোভ দেখালে কৌটিল্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে দিয়েকে ধননন্দকে সিংহাসন চ্যুত করান। মগধে মৌর্য বংশের শাসন শুরু হয়। 

২. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে গ্রিকরা বলত স্যান্ড্রা কোট্টাস বা মুক্তিদাতা। 

৩. ৩০৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেক – জান্ডারের সেনাপতি সেলুকাস নিকাটোরকে পরাজিত করেন। সন্ধি অনুযায়ী সেলুকাস কাবুল, কান্দাহার, হিরাট এবং বালুচিস্তান চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ছেড়ে নিন।

 ৪. সেলুকাস মেগাস্থি – নিসকে তাঁর দূত হিসেবে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় প্রেরণ করেন। মেগাস্থিনিস ইন্ডিকা গ্রন্থে তাঁর ভারত সম্পর্কে অভিজ্ঞতার কথা লিপিবদ্ধ করেন। 

৫. জৈন শাস্ত্র পরিশিষ্ট – পার্বন অনুযায়ী জানা যায় চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য জৈন ধর্ম গ্রহণ করেন এবং শেষ জীবনে জৈন পণ্ডিত ভদ্রবাহুর সঙ্গে মহীশূরের শ্রাবণবেলগোলায় যান এবং সেখানে অনশনে প্রাণ ত্যাগ করেন।

বিন্দুসার

শাসকের নাম – বিন্দুসার।

শাসনকাল – ২৯৮ – ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. বিন্দুসার ছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পুত্র। তাঁর উপাধি ছিল অমিত্রঘাত। গ্রিকরা তাকে অমিত্রচ্যাট বলত।

২. বিন্দুসারের সময় দক্ষিণ ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের চুড়ান্ত বিস্তৃতি ঘটে। 

৩. বিন্দুসারের আমলে পেট্রোক্লেস নামে এক গ্রিক নাবিক ভারত মহাসাগরে অভিযান করে বহু তথ্য সংগ্রহ করেন। 

৪. বিন্দুসার আজীবিক ধর্মের প্রতি অনুরাগী ছিলেন। পিঙ্গল বৎস নামে একজন আজীবিক ভবিষ্যত বক্তা বা জ্যোতিষী তার দরবারে ছিলেন।

অশোক

শাসকের নাম – অশোক।

শাসনকাল – ২৭৩ – ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. অশোক তাঁর ভাইদের হত্যা করে সিংহাসনে বসেন ২৬৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। এজন্য তাঁকে বলা হয় ‘ চণ্ডাশোক ‘ বা ‘ ধর্মাশোক ‘। 

২. অশোক প্রথম জীবনে ছিলেন উজ্জয়িনীর শাসন – কর্তা। পরে তক্ষশীলায় প্রজাবিদ্রোহ হলে তাঁকে সেখানে পাঠানো হয়। তক্ষশীলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে অশোক তাঁর যোগ্যতা দেখান।

৩. অশোকের রাজত্বে সর্বপ্রথম উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল কলিঙ্গ যুদ্ধ। তাঁর রাজত্বের প্রথম তেরো বছর তাঁর নীতি ছিল স্বদেশ রাজ্য বিস্তার এবং বিদেশে গ্রীক রাজাদের সঙ্গে মিত্রতা।

৪. অশোকের রাজত্বের অষ্টম বছরে ২৬০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মতান্তরে ২৬১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে কলিঙ্গ যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে দেড় লক্ষ মানুষ মারা যায় এবং বহু মানুষ বন্দী বা নিরুদ্দেশ হয়।

 ৫. ভব্রু শিলালিপি থেকে জানা যায় যে কলিঙ্গ যুদ্ধের দু’বছর পর বৌদ্ধপণ্ডিত উপগুপ্তের নিকট বৌদ্ধধর্মের দীক্ষা নেন। বুদ্ধ, ধর্ম ও সঙ্ঘের প্রতি তাঁর বিশ্বাস বেড়ে যায়।

৬. অশোকের সময় পাটলিপুত্রে ২৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৃতীয় বৌদ্ধসঙ্গিত অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে সভাপতি ছিলেন মোগলিপুত্র তিস্য। অশোক তৃতীয় বৌদ্ধসঙ্গিতের পরে কিছু বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে নির্বাচিত করে কিছু স্থানে পাঠান বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য।

৭. কলহনের ‘ রাজতরঙ্গিনী ‘ থেকে জানা যায় কাশ্মীর মৌর্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল এবং অশোক শ্রীনগর শহর প্রতিষ্ঠা করেন।

৮. অশোকের দ্বিতীয় শিলালিখ থেকে জানা যায় তাঁর সাম্রাজ্য দক্ষিণ সীমান্ত চোল, পাণ্ড, সত্যপুত্র, কেরলপুত্র ইত্যাদি প্রতিবেশী দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

৯. অশোককে ‘ প্রিয়দর্শি ‘ বলা হত।

১০. রাজপথ নির্মাণ, পথের পাশে বৃক্ষরোপণ, কুপ খনন, পান্থশালা নির্মাণ, মানুষ ও পশুদের জন্য চিকিৎসালয় স্থাপন এবং সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ঔষধি চারা গাছ রোপণ করা হয়।

১১. দরিদ্র প্রজাদের জন্য সরকারি ত্রানের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া অশোক ব্রাক্ষণ, শ্রমণ ও বৃদ্ধদের উদ্দেশ্যে দানধ্যানের ব্যবস্থা করেন।

১২. সম্রাটের অভিষেক বার্ষিকীতে কারাগার থেকে বন্দিমুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডাদেশ কয়েদিদের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি দণ্ডাসমতা ও ব্যবহারসমতার প্রবর্তন করেন। ফৌজদারি দণ্ডাবিধির কঠোরতা হ্রাস করা হয়।

দশরথ

শাসকের নাম – দশরথ।

শাসনকাল – ২৩২ – ২২৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. দশরথ তাঁর পিতামহ ও পূর্বসুরী অশোকের সামাজিক ও ধর্মীয় নীতি বজায় রাখেন।

২. সিংহাসনে আরোহণ করার পর তিনি নাগার্জুনী পাহাড়ের তিনটি গুহা আজীবিক সম্প্রদায়ের জন্য উৎসর্গ করেন।

সম্প্রতি

শাসকের নাম – সম্প্রতি।

শাসনকাল – ২২৪ – ২১৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. সম্প্রতি উজ্জয়িনী নগরীকে রাজধানী করে সাম্রাজ্যের পশ্চিমভাগে রাজত্ব করেন। ২. তিনি জৈন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।

শালিশুক

শাসকের নাম – শালিশুক।

শাসনকাল – ২১৫ – ২০২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. গার্গী সংহিতার যুগ পুরাণ বিভাগে তাঁকে বিবাদপ্রিয় ও অধার্মিক শাসক হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ২. তিনি জৈন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।

দেববর্মণ

শাসকের নাম – দেববর্মণ।

শাসনকাল – ২০২ – ১৯৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. তিনি সাত বছর রাজত্ব করেন। ২. তিনি বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।

শতধনবান

শাসকের নাম – শতধনবান।

শাসনকাল – ১৯৫ – ১৮৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

আবদান – ১. তিনি অষ্টম মৌর্য সম্রাট ছিলেন। তিনি আট বছর রাজত্ব করেন। ২. তিনি জৈন ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।

বৃহদ্রথ

শাসকের নাম – বৃহদ্রথ।

শাসনকাল – ১৮৭ – ১৮৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।

অবদান – ১. অশোকের মৃত্যুর পর কুনাল সিংহাসনে বসেন। ২. মৌর্য বংশের শেষ রাজা হলেন বৃহদ্রথ।

আরও পড়ুন –মুঘল যুগের সাহিত্যের বিবরণ

উপসংহার

আমি উপরে হর্ষঙ্ক বংশ, শিশুনাগ বংশ, নন্দ বংশ ও মৌর্য বংশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

আশা করি এই পোস্টটি থেকে আপনি অনেক কিছু জানতে পেরেছেন।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টটি পড়ার জন্য।

এই পোস্টটি আপনার উপকারে আসলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।


পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Comment