মনসবদারি প্রথা

2253
মনসবদারি প্রথা
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

আপনি কি অনলাইনে মনসব কথার অর্থ, মনসবদারি প্রথা সম্পর্কে জানতে চাইছেন,

যদি তাই হয়, 

আপনি সঠিক পোস্টে এসেছেন।

আমি এই পোস্টটিতে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি – মনসব শব্দের অর্থ,মনসবদারি প্রথা প্রবর্তন করেন কে, মনসবদারি প্রথার বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি।

আমার এই পোস্টটি মনসবদারি প্রথার ( ইতিহাসের ) দারুন নোট।  আপনি পরীক্ষায় যদি এই নোটটি  লিখতে পারেন তাহলে আপনি ফুল মার্কস পাবেন।

পোস্টটিকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ার অনুরোধ রইল।

মনসব কথার অর্থ 

সম্রাট আকবর মনসবদারি প্রথা চালু করেন।

মনসব কথার অর্থ হল পদমর্যাদা।

সম্রাট আকবর সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমস্যা মেটানোর জন্য মনসবদার প্রথা চালু করেন। এটি ছিল একাধারে সামরিক অসামরিক মোগল কর্মীদের বিভিন্ন স্তরের মর্যাদার দ্যোতক।

মনসবদারি প্রথার বৈশিষ্ট্য

মনসব কথার অর্থ হল পদমর্যাদা। প্রশাসনের উচ্চ পদাধিকারীরা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মনসব কথাটি ব্যবহৃত হতো। মনসবদারী প্রথার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ছিল তা মনসবদারী প্রথার বৈশিষ্ট্য গুলি হল – 

১. দুর্নীতিগ্রস্ত রূপে প্রমাণিত হলে মনসবদার দের বদলি বা বরখাস্ত করা যেত।

২. যুদ্ধের সময় সম্রাটের হয়ে লড়াই করা বা অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমনের ক্ষেত্রে মনসবদার দের অধীনস্থ সেনাদের দিয়ে সম্রাটকে সাহায্য করতে হতো।

৩. মনসবদারি প্রথা মোট ৩৩ টি স্তরে বিভক্ত ছিল।

৪. একজন মনসবদার প্রায় 10 হাজার সৈন্য মজুদ রাখতে পারতো।

৫. মনসবদার অর্থাৎ সামরিক-বেসামরিক কর্মচারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী মনসবদারি পদে নিয়োগ করা হতো।

৬. মনসবদারদের তাদের সৈন্যর ভিত্তিতে বেতন দেয়া হতো। মনসবদারদের সৈন্য সংখ্যার ওপর নির্ভর করত তাদের পদমর্যাদা।

৭. বংশ-পরম্পরা রীতি মেনে মনসবদার মন সব পদে নিযুক্ত হতেন না।

৮. ৫ হাজারি বা তার বেশি মনসবের অধিকারী মনসবদারগণ শুধুমাত্র রাজপরিবারের সদস্যদের সেবায় নিয়োজিত থাকতো।

৯. কোন কোন মনসবদারদের নগদ বেতনের পরিবর্তে জায়গীর দেওয়া হতো।

১০. সম্রাট আকবর মনসবদার দের বেতন নগদ টাকায় দিতেন।

১১. এই মনসবদার দের প্রধান হিসাবে থাকতেন সম্রাট নিজে।

১২. মনসবদার দের সকল সম্পত্তি রাষ্ট্রীয়করণ করা হতো।

১৩. মনসবদার দের পদোন্নতি, নিয়োগ, বেতন বৃদ্ধি, পদমর্যাদা বৃদ্ধি সহ সকল বিষয় সম্রাটের ওপর নির্ভরশীল ছিল।

এই মনসবদার দের সামরিক বাহিনীকে পরিচালনা করার জন্য ব্যবহার করা হতো।


আরও পড়ুন ক্লিক করে – 

দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা

দেওয়ানি লাভ

মুঘল যুগে সাহিত্যের বিবরণ


আশা করি এই পোস্টটি থেকে আপনি –  মনসব শব্দের অর্থ,মনসবদারি প্রথা প্রবর্তন করেন কে, মনসবদারি প্রথার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

আশা করি মনসবদারি ব্যাবস্থার এই পোস্টটি আপনার অনেক উপকারে এসেছে।

আপনাকে জানাই অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টটি পড়ার জন্য।

এই পোস্টটি আপনার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here