Class 10 Model Activity Task Geography 2021

8696
Class 10 Model Activity Task Geography 2021
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

Class 10 Model Activity Task Geography 2021 Part 7 Answer [ October ] | [ 4th Part October ] Model Activity Task Class 10 Geography Part 7 Answer | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 ভূগোল উত্তর ২০২১ |

তোমরা যারা ক্লাস 10 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ অক্টোবর মাসে যে নতুন ( ২০২১ সাল ) Model Activity Task দেওয়া হয়েছে। তার সমস্ত উত্তর এখান থেকে দেখে নাও ।

Class 10 All Subject Part 7 2021 [ October ]Answer Pdf
Class 10 History Part 7 [ October ]Answer Click

[ 4th Part ] Model Activity Task Class 10 Geography Part 7 October

Model Activity Task Class 10 Geography Part 7 October

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ । 

১.১ ) মরু অঞ্চলের শুষ্ক নদীখাত হলো – 

উঃ – ঘ ) ওয়াদি । 

১.২ ) যে ক্ষয়কারী প্রক্রিয়া নদীর ক্ষয়কাজের সঙ্গে যুক্ত নয় সেটি হল – 

উঃ – খ ) অপসারণ । 

১.৩ ) উত্তর-পশ্চিম ভারতের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব লক্ষ্য করা যায় – 

উঃ – ক ) শীতকালে । 

১.৪ ) ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প কেন্দ্র হল – 

উঃ – গ ) বেঙ্গালুরু । 

২ ) একটি বা দুটি শব্দের উত্তর দাও । 

২.১ ) বায়ুর প্রবাহপথে আড়াআড়ি অবস্থিত বালিয়াড়ি কি নামে পরিচিত ? 

উঃ – বার্খান । 

২.২ ) হিমবাহের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপের নাম লেখ । 

উঃ – করি বা সার্ক । 

২.৩ ) ভারতের উপদ্বীপীয় মালভূমির একটি স্তুপ পর্বতের নাম লেখ । 

উঃ – সাতপুরা পর্বত । 

২.৪ ) ভারতের কোন মৃত্তিকা কার্পাস চাষের পক্ষে আদর্শ ? 

উঃ – কৃষ্ণ বা রেগুর মৃত্তিকা । 

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও । 

৩.১ ) বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনার দুটি উদ্দেশ্য উল্লেখ করো । 

উঃ – বহুমুখী নদী উপত্যকা পরিকল্পনার দুটি উদ্দেশ্য – 

i ) নদী উপত্যকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায় । 

ii ) শুষ্ক অঞ্চলে জলসেচের মাধ্যমে কৃষি কাজ করা সম্ভব হয় । 

৩.২ ) ভারতীয় কৃষির সমস্যা সমাধানের যেকোনো দুটি উপায় উল্লেখ করো । 

উঃ – ভারতীয় কৃষির সমস্যা সমাধানের দুটি উপায় – 

i ) কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য উচ্চ ফলনশীল বীজের ব্যবহার করতে হবে । 

ii ) কৃষিতে উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ক্রমশ বাড়াতে হবে । 

৪ ) নিচের প্রশ্নটির উত্তর দাও । 

৪.১ ) ‘ ভারতীয় পরিবহন ব্যবস্থায় সড়ক পথের গুরুত্ব অপরিসীম ‘ – বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো । 

উঃ – ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে সড়ক পথের গুরুত্ব অপরিসীম – 

দ্রুত পরিবহন – সড়কপথে যেকোনো হালকা পণ্য খুব অল্প সময়ের মধ্যে সহজেই সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে যায় । 

কাঁচামাল সংগ্রহ – শিল্পের প্রয়োজনে গ্রাম থেকে কৃষিজও কাঁচামাল নিয়ে আসা, খনি থেকে কয়লা এবং খনিজ পদার্থ নিয়ে শিল্প কেন্দ্রে সহজেই পাঠানো যায় । 

পার্বত্য অঞ্চলে উন্নতির জন্য – উত্তর ভারত, উত্তর-পূর্ব ভারত বা দাক্ষিণাত্যের পার্বত্য অঞ্চল যেখানে রেল পরিবহন সম্ভব নয় সেখানে সড়কপথে পরিবহনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় জিনিসের যোগান দেওয়া যায় । ফলে ওইসব অঞ্চলে সড়ক পথ নির্মাণ জরুরি । 

নির্মাণ ব্যয় কম – রেলপথের তুলনায় সড়কপথের নির্মাণ ব্যয় কম । তাই ভারতের মতো দেশে সড়কপথের বিকাশ ঘটলে অর্থনীতির ওপর কম চাপ পড়বে । 

৫ ) নিচের প্রশ্নটির উত্তর দাও । 

৫.১ ) ভারতের জনগণের তারতম্যের প্রাকৃতিক কারণগুলি বর্ণনা করো । 

উঃ – ভারতের সব জায়গায় জনসংখ্যার বন্টন সমান নয় । কোথাও বেশি, কোথাও কম । ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে জনো বন্টন এর তারতম্যের অনেকগুলি প্রাকৃতিক কারণ রয়েছে – 

ভূপ্রকৃতি – হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর ও পাথুরে বলে কৃষিকাজের অনুপযুক্ত । এইসব অঞ্চল তাই জনবিরল । অপরদিকে উত্তর ভারতের সমভূমি এবং উপকূলীয় সমভূমি অঞ্চল কৃষি, পরিবহন ব্যবস্থা, শিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রে উন্নত হওয়ায়, এইসব অঞ্চলের জনঘনত্ব বেশি । 

জলবায়ু – উত্তর ও পূর্ব ভারতের সমভূমি অঞ্চলে অনুকূল জলবায়ুর জন্য জনঘনত্ব বেশি । অপরদিকে রাজস্থানের মরু অঞ্চলে বা গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলে শুষ্ক জলবায়ুর জন্য জনঘনত্ব কম । 

নদ-নদী – উত্তর ভারতের গঙ্গা সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র এবং  দক্ষিণ ভারতের মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী প্রভৃতি নদী উপত্যকা অঞ্চলের জনসংখ্যা বেশি।কারন এইসব নদী থেকে খুব সহজেই জলসেচ, জল নিকাশি, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, জলপথে পরিবহন, পানীয় জলের সরবরাহ, মৎস্য চাষ প্রভৃতি নানা রকমের সুবিধা পাওয়া যায়।  

মাটি – ভারতের যেসব স্থানের মৃত্তিকা উর্বর ও চাষযোগ্য সেখানে জনবসতির ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত বেশি। যেমন দাক্ষিণাত্যের লাভা অঞ্চলে উর্বর কৃষ্ণ মৃত্তিকার জন্য এবং গঙ্গা, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্র, মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা প্রভৃতি নদী উপত্যকা এবং বদ্বীপ অঞ্চলে উর্বর পলিমাটি জন্য জনঘনত্ব বেশি।  

অরণ্য – পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢালে এবং পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে গভির অরন্যের জন্য লোক বসতি কম।  

খনিজ পদার্থ – মৃত্তিকার অনুর্বর হলেও দাক্ষিণাত্য মালভূমি ও ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চলে খনিজ সম্পদের সহজলভ্যতার কারণে ঘন জনবসতি দেখা যায়।  

আরও দেখো ক্লিক করে –

Class 10 Bengali Part 7Task Answer
Class 10 Life Science Part 7Task Answer
Class 10 Physical Science Part 7Task Answer

Class 10 Geography Part 7 Answers | Class 10 Geography October Answers | 4th Part Class 10 Model Activity Task Geography 2021 | Class 10 Geography 4th Part October 2021 |

[ 3rd Part ] Model Activity Task Class 10 Geography Part 6 September

Class 10 Model Activity Task Geography Part 6 | Model Activity Task Class 10 Geography Part 6

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখ । 

১.১ ) আরোহন প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট একটি ভূমিরূপ হল – 

উঃ – গ ) বালিয়াড়ি । 

১.২ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো – 

উঃ – গ ) আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের চিরহরিৎ বৃক্ষ – মেহগনি । 

১.৩ ) ভারতের রূঢ় বলা হয় – 

উঃ – খ ) দুর্গাপুরকে । 

২ ) বাক্যটি সত্য হলে ‘ ঠিক ‘ এবং অসত্য হলে ‘ ভুল ‘ লেখ । 

২.১ ) নদী খাতে অবঘর্ষ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গর্তগুলি হল মন্থকূপ । 

উঃ – ঠিক । 

২.২ ) ভারতের উপকূল অঞ্চলে দিনের বেলা স্থলবায়ু প্রবাহিত হয় । 

উঃ – ভুল । 

২.৩ ) শুষ্ক ও উষ্ণ আবহাওয়া চা চাষের পক্ষে আদর্শ । 

উঃ – ভুল । 

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও । 

৩.১ ) ‘ অক্ষাংশভেদে হিমরেখার উচ্চতা ভিন্ন হয় ।’ – ভৌগোলিক কারণ ব্যাখ্যা করো । 

উঃ – কোন স্থানে হিমরেখার উচ্চতা নির্ভর করে অক্ষাংশের ভিত্তিতে, অবস্থান, ভূমির উচ্চতা, ঋতু পরিবর্তন প্রভৃতির উপর । তাছাড়া আমরা জানি অক্ষাংশের মান বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা কমতে থাকে হিমরেখার উচ্চতা কমে । নিরক্ষরেখা থেকে ক্রমশ উত্তরে ও দক্ষিনে যেহেতু উষ্ণতা কমতে থাকে তাই হিমরেখার অবস্থান উচ্চতাও কমতে থাকে। শীতকালে উষ্ণতা কমে যায় বলে হিমরেখা পর্বতের নিম্নাংশে এবং গ্রীষ্মকালে উষ্ণতা বেড়ে যায় বলে পর্বতের উর্ধাংশে অবস্থান করে । তাই দেখা যায় হিমরেখা নিরক্ষীয় অঞ্চলে গড়ে ৫৫০০ মিটার, হিমালয় পর্বতে ৪৫০০ মিটার, আল্পস পর্বতে ২৮০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থান করে । 

৩.২ ) হিমালয় পর্বতমালা কিভাবে ভারতীয় জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে ? 

উঃ – ভারতের উত্তর দিকে বিশালকার প্রাচীরের মতো দণ্ডায়মান হিমালয় পর্বত আমাদের দেশের জলবায়ুকে নানাভাবে প্রভাবিত করে ।  

প্রচন্ড শীতের হাত থেকে রক্ষা করে – হিমালয় পর্বত সাইবেরিয়া থেকে আগত অতি শীতল ও শুষ্ক মহাদেশীয় মেরু বায়ু প্রবাহকে ভারতে প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করে । এই কারণে দক্ষিণ এশিয়া একই অক্ষাংশে অবস্থিত অন্যান্য মহাদেশের তুলনায় শীতকালে অধিক উষ্ণ হয় । 

বৃষ্টিপাত ঘটায় – হিমালয় পর্বত দক্ষিণে সমুদ্র থেকে আগত আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুকে প্রাচীরের মতো বাধা প্রদান করে । এর ফলে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর ওপরে ওঠে । এরপর ওই বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে উত্তর ভারতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ঘটায় । 

মরু জলবায়ু সৃষ্টিতে অবদান – আবহবিজ্ঞানীদের মতে মধ্য এশিয়ার গোবি ও তাকলামাকান মরুভূমি সৃষ্টির ক্ষেত্রে হিমালয় পর্বতের যথেষ্ট অবদান রয়েছে । ভারতের জলবায়ুর উপর এই দুই মরুভূমির প্রভাব কমবেশি অনুভূত হয় । 

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ব্যাপকতা হ্রাস – হিমালয় পর্বত এর জন্য শীতকালীন পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কেবলমাত্র উত্তর-পশ্চিম ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকে । এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় যে উত্তর-পূর্ব ভারতে হিমালয় ও পূর্বাঞ্চলের পর্বত গুলির মধ্যে যে সামান্য ফাঁক রয়েছে সেই ফাঁক দিয়ে অতি শীতল উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় প্রবেশ করে সমগ্র উত্তর পূর্ব ভারতের উষ্ণতার হ্রাস ঘটায় ।  

৪ ) প্রশ্ন – ভারতীয় জনজীবনে নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাব গুলি উল্লেখ করো । 

উত্তর – ভারতীয় জনজীবনে নগরায়নের নেতিবাচক প্রভাবগুলি নিম্নে বর্ণনা করা হলো – 

বসতির অভাব – ভারতীয় বড় বড় নগর গুলিতে জনসংখ্যার চাপ এতটাই বেশি যে সকল মানুষের জন্য বাসস্থান বা আবাসস্থল এর অভাব পরিলক্ষিত হয় । তাছাড়া মানুষ জীবিকার খোঁজে শহরে চলে এলে এখানে বাসস্থানের অভাব সৃষ্টি হয় । ফলস্বরূপ রেললাইনের পাশে, রাস্তার ধারে, খালপাড়ে, বস্তিতে মানুষ আশ্রয় নেয় । 

পরিবহন সমস্যা – ভারতীয় শহরগুলিতে পরিবহনগত সমস্যা গুলির মধ্যে অন্যতম হলো যানজট সম্পর্কিত সমস্যা যা ভারতে প্রায় প্রতিটি শহরে নিত্যদিনের একটি ঘটনায় পরিণত হয়েছে । বড় বড় নগর গুলির বিপুল পরিমাণ জনসংখ্যার ভিড় সামলানোর জন্য যে পরিমাণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার বিকাশ প্রয়োজন তা না থাকায় এই ভারতীয় শহর বা নগর গুলিকে এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয় । 

পানীয় জলের অভাব – মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন হয় জলের । কিন্তু বড় বড় শহরগুলিতে বসবাসকারী মানুষের ব্যবহার ও পানীয় জলের যে বিপুল চাহিদা, এছাড়া শিল্প-কারখানা গুলিতে প্রচুর পরিমাণ জলের যে চাহিদা দেখা যায় তা অনেক সময় পূরণ করা সম্ভব হয় না পানীয় জলের জন্য শহর ও নগর গুলিতে সমস্যা দেখা যায় । 

বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা – শহর বা নগর একটি দেশ বা অঞ্চলের প্রাণ কেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত হয় । মনুষ্য পরিষেবা মূলক প্রায় সব রকমের কার্যাবলীর উপস্থিতি শহর অঞ্চলে দেখা যায় । শিল্প, বাণিজ্য,  পরিবহন, সামাজিক কাজে তাই নগর বা শহর অঞ্চলে প্রচুর বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় । কিন্তু ভারতে প্রায় প্রতিটি শহরে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের যোগানে ঘাটতি দেখা যায় । 

কঠিন বর্জ্য পদার্থ জনিত সমস্যা – শহর অঞ্চলের কঠিন বর্জ্য পদার্থ জনিত সমস্যা একটি বড় সমস্যা । কঠিন পদার্থ গুলির মধ্যে অন্যতম হলো কাগজ, পলিথিন ব্যাগ, কাঁচ ও প্লাস্টিকের বোতল, গৃহস্থালির বর্জ্য, মেডিকেল বর্জ্য, শিল্প কারখানার বর্জ্য ইত্যাদি । প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণ বজ্র পদার্থ শহর অঞ্চলের সৃষ্টি হয়ে থাকে । যার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গার অভাব দেখা যায় । 

Class 10 Geography Part 6 Answers | Class 10 Geography September Answers | 3rd Part Class 10 Model Activity Task Geography 2021 | Class 10 Geography 3rd Part September 2021 |

[ 2nd Part ] Model Activity Task Class 10 Geography Part 5 August

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :

১.১ ) যে জলবায়ুতে ঋতু পরিবর্তন হয় না সেটি হল –

উঃ – ঘ ) নিরক্ষীয় জলবায়ু। 

১.২ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো –

উঃ – খ ) পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্যের সমকোণে অবস্থান – মরা কোটাল ।

১.৩ ) অতিবিরল জনঘনত্ব যুক্ত একটি রাজ্য হল – 

উঃ – ঘ ) সিকিম । 

২ ) স্তম্ভ মেলাও 

‘ ক ‘ স্তম্ভ‘ খ ‘ স্তম্ভ
২.১ ) বিশুদ্ধ কাঁচামালখ ) তুলো 
২.২ ) ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতগ ) ইয়াস 
২.৩ ) পেরু স্রোত ক ) আটকামা মরুভূমি 

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও 

৩.১ ) জোয়ার ভাটার সৃষ্টিতে কেন্দ্র বহির্মুখী বলের প্রভাব উল্লেখ করো । 

উঃ – পৃথিবীর আবর্তন এর প্রভাবে যে কেন্দ্রবিমুখ বলের সৃষ্টি হয় তা হল কেন্দ্র বহির্মুখী বল। এই বলের প্রভাবে সমুদ্রের জল বাইরের দিকে নিক্ষিপ্ত হওয়ার প্রবণতা লাভ করে এবং এটি মহাকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করে ।

অতএব চাঁদের আকর্ষণ এ পৃথিবীর যে অংশে জোয়ার হয় ঠিক তার প্রতিবাদ অংশে চাঁদের মহাকর্ষ শক্তি অপেক্ষা কেন্দ্র বহির্মুখী বল অধিক হওয়ায় সেখানেও সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে । এটি হলো গৌণ বা পরোক্ষ জোয়ার। এই জোয়ারে জল কম ফুলে ওঠে ।

৩.২ ) নিম্নলিখিত বিষয় এর ভিত্তিতে ঘূর্ণবাত ও প্রতিপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো। 

ক ) বায়ুর চাপ 

খ ) স্থায়িত্ব 

গ ) আবহাওয়ার প্রকৃতি

উঃ – ক ) বায়ুর চাপ 

ঘূর্ণবাত – ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ ও বাইরে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 

প্রতিপ ঘূর্ণবাত – প্রতিপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ ও বাইরে নিম্নচাপ বিরাজ করে না। 

খ ) স্থায়িত্ব 

ঘূর্ণবাত – ঘূর্ণবাত স্বল্পস্থায়ী। 

প্রতিপ ঘূর্ণবাত – প্রতীপ ঘূর্ণবাত দীর্ঘস্থায়ী। 

গ ) আবহাওয়ার প্রকৃতি

ঘূর্ণবাত – ঘূর্ণবাতের সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং অতি প্রবল ঝড়সহ বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাত হয়। 

প্রতিপ ঘূর্ণবাত – এই সময়ে আকাশ মেঘ যুক্ত থাকে এবং শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করে। 

৪ ) ভারতের কোন অঞ্চলে অধিকাংশ কফি উৎপাদন করা হয় ? এই বাগিচা ফসল চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও। 

উঃ – ভারতের অধিকাংশ কফি উৎপাদন যেসব রাজ্যে হয় তা হলো – কর্ণাটক ( প্রথম ) কেরল ( দ্বিতীয় )  ও তামিলনাড়ু ( তৃতীয় )

কফি চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ

ক ) জলবায়ু – কফি উষ্ণ ও আদ্র ক্রান্তীয় জলবায়ুর ফসল 

i ) উষ্ণতা – উচ্চভূমিতে  ১৪ – ২৬ ডিগ্রি এবং নিম্নভূমিতে ২০ – ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা প্রয়োজন।  

ii ) বৃষ্টিপাত – গড়ে ১০০ – ১৫০ সেমি। 

iii ) আদ্রতা – উষ্ণ ও আদ্র অবস্থা।  

খ ) ছায়া দানকারী বৃক্ষ – সরাসরি সূর্যকিরণ কফি গাছের ক্ষতি করে বলে কফি খেতে কলা, ভুট্টা প্রভৃতি ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগানো হয়। 

গ ) মাটি – মৃদু অম্লধর্মী পটাশ ও হিউমাস সমৃদ্ধ মাটি কফি চাষে আদর্শ। 

ঘ ) জমি – জলবিকাশের সুবিধা যুক্ত পাহাড়ের ঢালু জমি কফি চাষের পক্ষে আদর্শ। 

ঙ ) কুয়াশা – কুয়াশা কফি গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 

Class 10 Geography Part 5 Answers | Class 10 Geography August Answers | 2nd Part Class 10 Model Activity Task Geography 2021 | Class 10 Geography 2nd Part August 2021 |

Class 10 Model Activity Task Geography Part 1

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : 

১ ) চিত্রসহ নদীর সঞ্চয় কার্যের ফলে গড়ে ওঠা দুটি ভূমিরূপ এর বর্ণনা দাও। 

উত্তর – নদীর সঞ্চয় কার্যের ফলে গড়ে ওঠা ভূমিরূপ গুলির মধ্যে অন্যতম দুটি ভূমিরূপ হল –  প্লাবনভূমি ও স্বাভাবিক বাঁধ। 

প্লাবনভূমি – 

সমভূমিতে ভূমির ঢাল কম থাকে বলে নদী ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। বর্ষাকালের গতিপথের এই অংশে নদীতে হঠাৎ জল বেড়ে গেলে নদীর দু -কুল ছাপিয়ে উপত্যকায় বন্যা বা প্লাবন হয়।  প্লাবিত অঞ্চলে নদীর জলের সঙ্গে বাহিত কাদা, পলি, বালি ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে যে সমতলভূমির সৃষ্টি হয় তাকে প্লাবনভূমি বলে। 

উদাহরণ – বিহারের গঙ্গা নদীর গতিপথের দুইপাশে এই প্রকার ভূমিরূপ লক্ষ্য করা যায়। 

স্বাভাবিক বাঁধ –

সমভূমিতে নদীর গতিবেগ কম থাকে বলে ঊর্ধ্বপ্রবাহে জলের সঙ্গে যেসব পলি, বালি, কাদা বাহিত হয়ে আসে নদী আর সেগুলি বহন করতে পারে না। বন্যার সময় সেগুলি নদীর দুই তীরে ক্রমশ সঞ্চিত হয়ে বাঁধের মতো উঁচু হয়ে যায়। প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হয় বলে এর নাম স্বাভাবিক বাঁধ। 

উদাহরণ –  সমভূমিতে গঙ্গার দুই তীরে বা মিশরের নীলনদের দুই তীরে স্বাভাবিক বাঁধ দেখা যায়। 

২ ) মরু সম্প্রসারণ রোধের তিনটি উপায় উল্লেখ করো। 

উত্তর – মরু সম্প্রসারণ রোধ করার উপায়গুলি হলো – 

i ) কাঠকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না।  এর বদলে গোবর গ্যাস, কেরোসিন, এলপিজি বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার করতে হবে। 

ii ) মরুভূমির প্রান্ত বরাবর নিবিড়ভাবে বনভূমি গড়ে তুলতে হবে। গাছ মরু প্রসারণ রোধ করে। এখন উদ্ভিদ রোপণ করতে হবে যা মরু জলবায়ুর উপযুক্ত। 

iii ) পশুচরণে মাটির ক্ষয় বাড়ে তাই পশুচারণ বন্ধ করতে হবে। 

৩ ) ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলীয় সমভূমির মধ্যে পার্থক্য লেখ। 

উত্তর – পার্থক্যটি খাতায় তোমরা সাজিয়ে নেবে – 

পূর্ব উপকূল সমভূমি – 

i ) উপকূলে প্রায় সর্বত্র বালিয়াড়ি আছে। 

ii ) পূর্ব উপকূলভূমি প্রশস্ত গড়ে ১০০ কিমি। 

iii ) নদীর মোহনাগুলিতে বড় বড় ব দ্বীপ আছে। 

iv ) চওড়া উপকূল ভূমির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত। 

v ) বৃষ্টিপাত মাঝারি ধরনের। 

পশ্চিম উপকূল সমভূমি – 

i ) শুধু দক্ষিণঅংশে বালিয়াড়ি আছে। 

ii ) পশ্চিম উপকূল প্রশস্ত গড়ে 80 কিমি।

iii ) নেত্রাবতি নদীর মোহনায় একটি ছোট বদ্বীপ ছাড়া আর কোন নদীর মোহনায় বদ্বীপ নেই। 

iv ) সংকীর্ণ উপকূল ভূমির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নয়। 

v ) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি। 

৪ ) অতিরিক্ত ভৌমজল উত্তোলনের প্রভাবগুলি বর্ণনা করো। 

উত্তর – ভারতের যেসব স্থানে এখনো খালের মাধ্যমে জলের ব্যবহার সম্ভব হয়ে ওঠেনি সেখানে কূপ, নলকূপের মাধ্যমে জলসেচ করা হয়। এতে পরিবেশের নানা প্রভাব পড়ে। যেমন – 

i ) ভৌমজলের পতন – ভৌম জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য ভৌমজলের ভাণ্ডার দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কুয়াগুলি শুকিয়ে যাচ্ছে এবং নলকূপ থেকে জল ওঠা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। 

ii ) আর্সেনিকের পরিমাণ বৃদ্ধি – আর্সেনিক প্রবন অঞ্চলে ভৌম জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ভৌম জলে আর্সেনিকের সংক্রমণ বাড়তে থাকে। 

iii ) নোনাভাব বৃদ্ধি – ভৌম জল বেশি ব্যবহৃত হলে জলের লবনতা বারে ফলে জমির উর্বরতা কমে যায়। 

Class 10 Model Activity Task Geography Part 2

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো  :

১ ) মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায় কেন ?

উত্তর –  মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায় কারণ – 

i ) উষ্ণতার প্রভাব – মরু অঞ্চলে দৈনিক বার্ষিক উষ্ণতা খুব বেশি হওয়ায় যান্ত্রিক আবহবিকারের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় শিলা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাই পরিণত হয়। পরে বায়ু এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলি দিয়ে অবঘর্ষ ও ঘর্ষণ প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলা যেমন ক্ষয় করে তেমনি এগুলো উড়িয়ে নিয়ে অন্যত্র জমা করে ভূমিরূপ গঠন করে। 

ii ) বৃষ্টিপাতের স্বল্পতা – বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার জন্য মরু অঞ্চলে গাছপালা দেখা যায় না। গাছ বায়ুপ্রবাহকে বাধা প্রদান করে এবং বালিকণাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অগ্রসর হতে দেয় না। ফলে বৃক্ষ শুন্যতও মরু অঞ্চলে বায়ুর সক্রিয়তাকে সাহায্য করে। 

২ ) কিভাবে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন সুন্দরবনকে প্রভাবিত করছে ?

উত্তর – জলবায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তন দেশের সবথেকে অনুন্নত সুন্দরবন এলাকার মানুষজনদের সংকটকে ভাবিয়ে তুলেছে অনেক গুণে।  বিশ্ব উষ্ণায়নের অভিঘাতে জলস্তর বাড়ছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে, বদলে যাচ্ছে বৃষ্টিপাতের ধরণ। 

সমীক্ষার রিপোর্ট বলা হয়েছে সুন্দরবনে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রতি দশকে বাড়ছে ০.৫ সেলসিয়াস করে।  সুন্দরবন এলাকার ৭০ % মানুষ কৃষিজীবী। সমুদ্রের জলস্তর বাড়াই প্রচুর পরিমাণ নোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমির সর্বনাশ করছে।  জলবায়ু পরিবর্তনে সুন্দরবনের নদী ও ঘাঁরিতে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। রুজি রোজগারের সংকটে সেখানকার মানুষজনদের নাভিশ্বাস উঠছে। 

৩ ) বৃষ্টির জল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা কী ? 

উত্তর – i ) বৃষ্টির জল চুঁইয়ে চুঁইয়ে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এতে ভৌমজলের সঞ্চয় বাড়ে। 

ii ) বৃষ্টির জল পরিশ্রুত করে পানীয় জল হিসেবে গ্রহণ করা যায়। 

iii ) বর্তমানে পানযোগ্য স্বাদুজলের ব্যবহার আরো বেড়েছে তাই জলের যোগান বজায় রাখা খুব জরুরী। 

iv ) যেসব অঞ্চলে জল কম পাওয়া যায় সেইখানে এই জল জলের সমস্যার সমাধান করে। তাই বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করা একটি সামাজিক ভূমিকা পালন করে। 

v ) শিল্প ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজে পর্যাপ্ত জলের যোগান বজায় রাখার জন্য জল সংরক্ষণ একান্ত প্রয়োজন। 

vi ) কৃষি কাজের চাহিদা পূরণের জন্য জল সংরক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন। 

৪ ) এল নিনো ও লা নিনা কিভাবে ভারতের মৌসুমী বায়ুকে প্রভাবিত করে ?

উত্তর – ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বে পেরু, ইকুয়েডরে পশ্চিম উপকূল দিয়ে কোন কোন বছর ডিসেম্বর – জানুয়ারি মাসে যে দক্ষিণমুখী উষ্ণস্রোত বয়ে যায় তার নাম এল নিনো।  বিজ্ঞানীরা মনে করেন ক্রান্তীয় অঞ্চলে ব্যাপক বন্যা ও খরার কারণ হলো এল নিনো। 

এল নিনোর কারণে প্রবল বর্ষা হলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।  এল নিনোর পর আবহাওয়া শান্ত হয়ে যায় ও পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। এই অবস্থাকে লা নিনা বলে। এই লা নিনার কারণে ভারতের যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয়। 


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

Class 10 Model Activity Task Geography 2021 Part 7 Answer [ October ] | [ 4th Part October ] Model Activity Task Class 10 Geography Part 7 Answer | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 ভূগোল উত্তর ২০২১ |

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here