Class 10 Model Activity Task Geography 2021 Part 5 / 4 / 3 / 2 / 1

পোস্টটি শেয়ার করুন

Class 10 Model Activity Task Geography 2021 Part 5 / 4 / 3 / 2 / 1 | Class 10 Model Activity Task Geography | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 ভূগোল |

তোমরা যারা ক্লাস 10 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ ( ২০২১ সাল ) জন্য Model Activity Task দেওয়া হয়েছে।  

তোমার ঘরে বসে এই Model Activity Task এর উত্তর গুলো তৈরি করো।  

বিঃদ্রঃ – অবশ্যই তোমরা আগে নিজেরা চেষ্টা করবে। কোনো প্রশ্ন যদি বুঝতে না পারো আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারো। 

Class 10 All Subject All Part 2021Answer Pdf
Class 10 Geography Part 1 Download
Class 10 GeographyPart 2 Download

Class 10 Model Activity Task Geography 2021 Part 5

১ ) বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :

১.১ ) যে জলবায়ুতে ঋতু পরিবর্তন হয় না সেটি হল –

উঃ – ঘ ) নিরক্ষীয় জলবায়ু। 

১.২ ) ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো –

উঃ – খ ) পৃথিবীর সাপেক্ষে চাঁদ ও সূর্যের সমকোণে অবস্থান – মরা কোটাল ।

১.৩ ) অতিবিরল জনঘনত্ব যুক্ত একটি রাজ্য হল – 

উঃ – ঘ ) সিকিম । 

২ ) স্তম্ভ মেলাও 

‘ ক ‘ স্তম্ভ‘ খ ‘ স্তম্ভ
২.১ ) বিশুদ্ধ কাঁচামালখ ) তুলো 
২.২ ) ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতগ ) ইয়াস 
২.৩ ) পেরু স্রোত ক ) আটকামা মরুভূমি 

৩ ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও 

৩.১ ) জোয়ার ভাটার সৃষ্টিতে কেন্দ্র বহির্মুখী বলের প্রভাব উল্লেখ করো । 

উঃ – পৃথিবীর আবর্তন এর প্রভাবে যে কেন্দ্রবিমুখ বলের সৃষ্টি হয় তা হল কেন্দ্র বহির্মুখী বল। এই বলের প্রভাবে সমুদ্রের জল বাইরের দিকে নিক্ষিপ্ত হওয়ার প্রবণতা লাভ করে এবং এটি মহাকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করে ।

অতএব চাঁদের আকর্ষণ এ পৃথিবীর যে অংশে জোয়ার হয় ঠিক তার প্রতিবাদ অংশে চাঁদের মহাকর্ষ শক্তি অপেক্ষা কেন্দ্র বহির্মুখী বল অধিক হওয়ায় সেখানেও সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে । এটি হলো গৌণ বা পরোক্ষ জোয়ার। এই জোয়ারে জল কম ফুলে ওঠে ।

৩.২ ) নিম্নলিখিত বিষয় এর ভিত্তিতে ঘূর্ণবাত ও প্রতিপ ঘূর্ণবাতের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো। 

ক ) বায়ুর চাপ 

খ ) স্থায়িত্ব 

গ ) আবহাওয়ার প্রকৃতি

উঃ – ক ) বায়ুর চাপ 

ঘূর্ণবাত – ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে নিম্নচাপ ও বাইরে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 

প্রতিপ ঘূর্ণবাত – প্রতিপ ঘূর্ণবাতের কেন্দ্রে উচ্চচাপ ও বাইরে নিম্নচাপ বিরাজ করে না। 

খ ) স্থায়িত্ব 

ঘূর্ণবাত – ঘূর্ণবাত স্বল্পস্থায়ী। 

প্রতিপ ঘূর্ণবাত – প্রতীপ ঘূর্ণবাত দীর্ঘস্থায়ী। 

গ ) আবহাওয়ার প্রকৃতি

ঘূর্ণবাত – ঘূর্ণবাতের সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং অতি প্রবল ঝড়সহ বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাত হয়। 

প্রতিপ ঘূর্ণবাত – এই সময়ে আকাশ মেঘ যুক্ত থাকে এবং শান্ত আবহাওয়া বিরাজ করে। 

৪ ) ভারতের কোন অঞ্চলে অধিকাংশ কফি উৎপাদন করা হয় ? এই বাগিচা ফসল চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের বর্ণনা দাও। 

উঃ – ভারতের অধিকাংশ কফি উৎপাদন যেসব রাজ্যে হয় তা হলো – কর্ণাটক ( প্রথম ) কেরল ( দ্বিতীয় )  ও তামিলনাড়ু ( তৃতীয় )

কফি চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ

ক ) জলবায়ু – কফি উষ্ণ ও আদ্র ক্রান্তীয় জলবায়ুর ফসল 

i ) উষ্ণতা – উচ্চভূমিতে  ১৪ – ২৬ ডিগ্রি এবং নিম্নভূমিতে ২০ – ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা প্রয়োজন।  

ii ) বৃষ্টিপাত – গড়ে ১০০ – ১৫০ সেমি। 

iii ) আদ্রতা – উষ্ণ ও আদ্র অবস্থা।  

খ ) ছায়া দানকারী বৃক্ষ – সরাসরি সূর্যকিরণ কফি গাছের ক্ষতি করে বলে কফি খেতে কলা, ভুট্টা প্রভৃতি ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগানো হয়। 

গ ) মাটি – মৃদু অম্লধর্মী পটাশ ও হিউমাস সমৃদ্ধ মাটি কফি চাষে আদর্শ। 

ঘ ) জমি – জলবিকাশের সুবিধা যুক্ত পাহাড়ের ঢালু জমি কফি চাষের পক্ষে আদর্শ। 

ঙ ) কুয়াশা – কুয়াশা কফি গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 

Class 10 Model Activity Task Geography Part 1

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও : 

১ ) চিত্রসহ নদীর সঞ্চয় কার্যের ফলে গড়ে ওঠা দুটি ভূমিরূপ এর বর্ণনা দাও। 

উত্তর – নদীর সঞ্চয় কার্যের ফলে গড়ে ওঠা ভূমিরূপ গুলির মধ্যে অন্যতম দুটি ভূমিরূপ হল –  প্লাবনভূমি ও স্বাভাবিক বাঁধ। 

প্লাবনভূমি – 

সমভূমিতে ভূমির ঢাল কম থাকে বলে নদী ধীরগতিতে প্রবাহিত হয়। বর্ষাকালের গতিপথের এই অংশে নদীতে হঠাৎ জল বেড়ে গেলে নদীর দু -কুল ছাপিয়ে উপত্যকায় বন্যা বা প্লাবন হয়।  প্লাবিত অঞ্চলে নদীর জলের সঙ্গে বাহিত কাদা, পলি, বালি ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে যে সমতলভূমির সৃষ্টি হয় তাকে প্লাবনভূমি বলে। 

উদাহরণ – বিহারের গঙ্গা নদীর গতিপথের দুইপাশে এই প্রকার ভূমিরূপ লক্ষ্য করা যায়। 

স্বাভাবিক বাঁধ –

সমভূমিতে নদীর গতিবেগ কম থাকে বলে ঊর্ধ্বপ্রবাহে জলের সঙ্গে যেসব পলি, বালি, কাদা বাহিত হয়ে আসে নদী আর সেগুলি বহন করতে পারে না। বন্যার সময় সেগুলি নদীর দুই তীরে ক্রমশ সঞ্চিত হয়ে বাঁধের মতো উঁচু হয়ে যায়। প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় গঠিত হয় বলে এর নাম স্বাভাবিক বাঁধ। 

উদাহরণ –  সমভূমিতে গঙ্গার দুই তীরে বা মিশরের নীলনদের দুই তীরে স্বাভাবিক বাঁধ দেখা যায়। 

২ ) মরু সম্প্রসারণ রোধের তিনটি উপায় উল্লেখ করো। 

উত্তর – মরু সম্প্রসারণ রোধ করার উপায়গুলি হলো – 

i ) কাঠকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা চলবে না।  এর বদলে গোবর গ্যাস, কেরোসিন, এলপিজি বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার করতে হবে। 

ii ) মরুভূমির প্রান্ত বরাবর নিবিড়ভাবে বনভূমি গড়ে তুলতে হবে। গাছ মরু প্রসারণ রোধ করে। এখন উদ্ভিদ রোপণ করতে হবে যা মরু জলবায়ুর উপযুক্ত। 

iii ) পশুচরণে মাটির ক্ষয় বাড়ে তাই পশুচারণ বন্ধ করতে হবে। 

৩ ) ভারতের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূলীয় সমভূমির মধ্যে পার্থক্য লেখ। 

উত্তর – পার্থক্যটি খাতায় তোমরা সাজিয়ে নেবে – 

পূর্ব উপকূল সমভূমি – 

i ) উপকূলে প্রায় সর্বত্র বালিয়াড়ি আছে। 

ii ) পূর্ব উপকূলভূমি প্রশস্ত গড়ে ১০০ কিমি। 

iii ) নদীর মোহনাগুলিতে বড় বড় ব দ্বীপ আছে। 

iv ) চওড়া উপকূল ভূমির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত। 

v ) বৃষ্টিপাত মাঝারি ধরনের। 

পশ্চিম উপকূল সমভূমি – 

i ) শুধু দক্ষিণঅংশে বালিয়াড়ি আছে। 

ii ) পশ্চিম উপকূল প্রশস্ত গড়ে 80 কিমি।

iii ) নেত্রাবতি নদীর মোহনায় একটি ছোট বদ্বীপ ছাড়া আর কোন নদীর মোহনায় বদ্বীপ নেই। 

iv ) সংকীর্ণ উপকূল ভূমির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নয়। 

v ) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি। 

৪ ) অতিরিক্ত ভৌমজল উত্তোলনের প্রভাবগুলি বর্ণনা করো। 

উত্তর – ভারতের যেসব স্থানে এখনো খালের মাধ্যমে জলের ব্যবহার সম্ভব হয়ে ওঠেনি সেখানে কূপ, নলকূপের মাধ্যমে জলসেচ করা হয়। এতে পরিবেশের নানা প্রভাব পড়ে। যেমন – 

i ) ভৌমজলের পতন – ভৌম জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের জন্য ভৌমজলের ভাণ্ডার দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে কুয়াগুলি শুকিয়ে যাচ্ছে এবং নলকূপ থেকে জল ওঠা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। 

ii ) আর্সেনিকের পরিমাণ বৃদ্ধি – আর্সেনিক প্রবন অঞ্চলে ভৌম জলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে ভৌম জলে আর্সেনিকের সংক্রমণ বাড়তে থাকে। 

iii ) নোনাভাব বৃদ্ধি – ভৌম জল বেশি ব্যবহৃত হলে জলের লবনতা বারে ফলে জমির উর্বরতা কমে যায়। 


আরও দেখো –

Life Science Class 10 Activity Task

Physical Science Class 10 Activity Task


Class 10 Model Activity Task Geography Part 2

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো  :

১ ) মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায় কেন ?

উত্তর –  মরু অঞ্চলে বায়ুর কাজের প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায় কারণ – 

i ) উষ্ণতার প্রভাব – মরু অঞ্চলে দৈনিক বার্ষিক উষ্ণতা খুব বেশি হওয়ায় যান্ত্রিক আবহবিকারের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় শিলা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাই পরিণত হয়। পরে বায়ু এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলি দিয়ে অবঘর্ষ ও ঘর্ষণ প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলা যেমন ক্ষয় করে তেমনি এগুলো উড়িয়ে নিয়ে অন্যত্র জমা করে ভূমিরূপ গঠন করে। 

ii ) বৃষ্টিপাতের স্বল্পতা – বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার জন্য মরু অঞ্চলে গাছপালা দেখা যায় না। গাছ বায়ুপ্রবাহকে বাধা প্রদান করে এবং বালিকণাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অগ্রসর হতে দেয় না। ফলে বৃক্ষ শুন্যতও মরু অঞ্চলে বায়ুর সক্রিয়তাকে সাহায্য করে। 

২ ) কিভাবে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন সুন্দরবনকে প্রভাবিত করছে ?

উত্তর – জলবায়ুর ক্রমাগত পরিবর্তন দেশের সবথেকে অনুন্নত সুন্দরবন এলাকার মানুষজনদের সংকটকে ভাবিয়ে তুলেছে অনেক গুণে।  বিশ্ব উষ্ণায়নের অভিঘাতে জলস্তর বাড়ছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে, বদলে যাচ্ছে বৃষ্টিপাতের ধরণ। 

সমীক্ষার রিপোর্ট বলা হয়েছে সুন্দরবনে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রতি দশকে বাড়ছে ০.৫ সেলসিয়াস করে।  সুন্দরবন এলাকার ৭০ % মানুষ কৃষিজীবী। সমুদ্রের জলস্তর বাড়াই প্রচুর পরিমাণ নোনাজল ঢুকে গিয়ে কৃষিজমির সর্বনাশ করছে।  জলবায়ু পরিবর্তনে সুন্দরবনের নদী ও ঘাঁরিতে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। রুজি রোজগারের সংকটে সেখানকার মানুষজনদের নাভিশ্বাস উঠছে। 

৩ ) বৃষ্টির জল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা কী ? 

উত্তর – i ) বৃষ্টির জল চুঁইয়ে চুঁইয়ে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এতে ভৌমজলের সঞ্চয় বাড়ে। 

ii ) বৃষ্টির জল পরিশ্রুত করে পানীয় জল হিসেবে গ্রহণ করা যায়। 

iii ) বর্তমানে পানযোগ্য স্বাদুজলের ব্যবহার আরো বেড়েছে তাই জলের যোগান বজায় রাখা খুব জরুরী। 

iv ) যেসব অঞ্চলে জল কম পাওয়া যায় সেইখানে এই জল জলের সমস্যার সমাধান করে। তাই বৃষ্টির জল সংরক্ষণ করা একটি সামাজিক ভূমিকা পালন করে। 

v ) শিল্প ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজে পর্যাপ্ত জলের যোগান বজায় রাখার জন্য জল সংরক্ষণ একান্ত প্রয়োজন। 

vi ) কৃষি কাজের চাহিদা পূরণের জন্য জল সংরক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন। 

৪ ) এল নিনো ও লা নিনা কিভাবে ভারতের মৌসুমী বায়ুকে প্রভাবিত করে ?

উত্তর – ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্বে পেরু, ইকুয়েডরে পশ্চিম উপকূল দিয়ে কোন কোন বছর ডিসেম্বর – জানুয়ারি মাসে যে দক্ষিণমুখী উষ্ণস্রোত বয়ে যায় তার নাম এল নিনো।  বিজ্ঞানীরা মনে করেন ক্রান্তীয় অঞ্চলে ব্যাপক বন্যা ও খরার কারণ হলো এল নিনো। 

এল নিনোর কারণে প্রবল বর্ষা হলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে বৃষ্টিপাত কমে গিয়ে খরা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।  এল নিনোর পর আবহাওয়া শান্ত হয়ে যায় ও পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। এই অবস্থাকে লা নিনা বলে। এই লা নিনার কারণে ভারতের যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয়। 


আরও দেখো –

English Class 10 Activity Task

History Class 10 Activity Task


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

আমি এই পোস্টটিতে তোমার সাথে শেয়ার করেছি –  Class 10 Model Activity Task Geography 2021 Part 5 / 4 / 3 / 2 / 1 | Class 10 Model Activity Task Geography | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 ভূগোল | ক্লাস ১০ মডেল আক্টিভিটি টাস্ক ভূগোল |

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।


পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Comment