Class 10 Model Activity Task Life Science Answer 2021

2119
Class 10 Model Activity Task Life Science Answer 2021
সরকারি সুবিধা,সরকারি প্রকল্প, শিক্ষামূলক পোস্ট,সমস্ত ধরনের অফার,ইনকাম সম্পর্কিত পোস্ট (Online Shikkha Site টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হন )Click Here

Class 10 Model Activity Task Life Science Answer 2021 Part 7 Answer [ October ] | [ 4th Part October ] Model Activity Task Class 10 Life Science Part 7 Answer | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 জীবন বিজ্ঞান উত্তর ২০২১ |

তোমরা যারা ক্লাস 10 এ পড়াশুনা করছো , তোমাদের জন্য এই বছর অর্থাৎ অক্টোবর মাসে যে নতুন ( ২০২১ সাল ) Model Activity Task দেওয়া হয়েছে। তার সমস্ত উত্তর এখান থেকে দেখে নাও ।

Class 10 All Subject Part 7 2021 [ October ]Answer Pdf
Class 10 Physical Science Part 7 [ October ]Answer Click

[ 4th Part ] Model Activity Task Class 10 Life Science Part 7 October

4th Part Class 10 Model Activity Task Life Science October 2021

১ ) প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে তার ক্রমিক সংখ্যা সহ বাক্যটি সম্পূর্ণ করে লেখ । 

১.১ ) পতঙ্গের সাহায্যে পরাগযোগ হয় যে উদ্ভিদে তা নির্বাচন করো – 

উঃ – খ ) আম

১.২ ) মানুষের অটোজোমে থাকা জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না যেটি তা শনাক্ত করো – 

উঃ – ঘ ) হিমোফিলিয়া । 

১.৩ ) YyRr জিনোটাইপ যুক্ত মটর গাছ থেকে কত ধরনের গ্যামেট উৎপন্ন হয় তা নিরূপণ করো – 

উঃ – ঘ ) চার ধরনের । 

২ ) A স্তম্ভে দেওয়া শব্দের সঙ্গে B স্তম্ভে দেওয়া সর্বপেক্ষা উপযুক্ত শব্দটির সমতা বিধান করে উভয় স্তম্ভের ক্রমিক নম্বর উল্লেখসহ সঠিক জোড়টি পুনরায় লেখ । 

২.১ ) স্পাইরোগাইরা D ) খন্ডীভবন
২.২ ) প্রকট বৈশিষ্ট্যC ) মটরের বেগুনি বর্ণের ফুল
২.৩ ) গ্রাফটিং A ) স্টক এবং সিয়ন 
২.৪ ) প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যE ) মটরের কুঞ্চিত বীজ 

৩ ) দুই – তিন বাক্যে উত্তর দাও

৩.১ ) ইতর পরাগযোগ এর একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা উল্লেখ করো । 

উঃ – ইতর পরাগযোগ এর একটি সুবিধা – 

i ) ইতর পরাগযোগ এর ফলে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদের আবির্ভাব ঘটে । 

ইতর পরাগযোগ এর একটি অসুবিধা –

i ) বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের মধ্যে পরাগ যোগ এর ফলে প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হয় । 

৩.২ ) শাখা কলমের সাহায্যে কিভাবে কৃত্রিম অঙ্গজ বংশবিস্তার করা হয় তা ব্যাখ্যা করো । 

উঃ – শাখা কলমের সাহায্যে উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড বা পাতা উদ্ভিদ দেহ থেকে কেটে মাটিতে রোপন করে,  কাটা অংশ থেকে মূল সৃষ্টি করে অপত্য উদ্ভিদ তৈরি করা হয় যেমন – 

স্টেম কাটিং – জবা, গোলাপ প্রভৃতির কান্ডের একটি শাখা কেটে, কাটা প্রান্ত IBA বা NAA নামক কৃত্রিম অক্সিন দ্রবণে কয়েকদিন ডুবিয়ে রেখে নরম মাটিতে পুঁতে দিলে নতুন চারা গাছে সৃষ্টি হয় । 

রুট কাটিং – পাতিলেবু, কমলালেবু, তেঁতুল প্রভৃতির শাখামূল কেটে নরম মাটিতে বসিয়ে দিলে, তা থেকে মূল ও মুকুল তৈরি হয়। মুকুল মাটির ওপর বৃদ্ধি পেয়ে নতুন চারা গাছ সৃষ্টি করে।  

৩.৩ ) মানব বিকাশের বার্ধক্য দশার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করো।  

উঃ – মানব বিকাশের বার্ধক্য দশার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য – 

i ) অস্থি ও অস্থিসন্ধি ক্ষয় পেয়ে যথাক্রমে অস্টিওপেরোসিস ও অষ্টিওআর্থাইটিস রোগ দেখা দেয় । 

ii ) দৃষ্টিশক্তি হ্রাস, ত্বকের কুঞ্চন, রক্তচাপ বৃদ্ধি, কানে কম শোনা প্রভৃতি সমস্যার বৃদ্ধি পায় । 

৩.৪ ) মেন্ডেল কিভাবে মটর ফুলে ইতর পরাগযোগ ঘটান তা আলোচনা করো । 

উঃ – বিজ্ঞানী মেন্ডেল তার পরীক্ষার জন্য মটর গাছ নির্বাচন করেছিলেন । তিনি কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা স্ত্রী ফুলের থলিটি সরিয়ে নির্বাচিত জনিতৃ উদ্ভিদের ফুলের পরাগরেণু সূক্ষ তুলির সাহায্যে স্ত্রী ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত করে ইতর পরাগযোগ ঘটান । 

৪ ) নিচের প্রশ্নটির উত্তর দাও । 

৪.১ ) ‘ সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে পিতার ভূমিকাই প্রধান ‘ – একটি ক্রশের সাহায্যে বক্তব্যটির সত্যতা বিশ্লেষণ করো । ‘ থ্যালাসেমিয়া রোগে ঘনঘন রক্ত বদলানোর প্রয়োজন হয় ‘ –  এর ফলে কি কি সমস্যা দেখা দিতে পারে তা আলোচনা করো । 

উঃ – লিঙ্গ নির্ধারণে পিতার ভূমিকা – 

পুত্র ও কন্যা সন্তান সৃষ্টি হওয়ার পিছনে পিতার ভূমিকাই প্রধান । পিতার সেক্স ক্রোমোজোম X ও  Y প্রকারের । যেহেতু মাতার সেক্স ক্রোমোজোম XX প্রকারের, তাই তাদের এক ধরনের গ্যামেট X তৈরি হয় । অপরপক্ষে পিতার দু ধরনের গ্যামেট X ও Y তৈরি হয় । যখন পিতার X গ্যামেট মাতার X গ্যামেটের সঙ্গে মিলিত হয় তখন কন্যা সন্তান সৃষ্টি হয় । আবার পিতার Y গ্যামেট যখন মাতার X গ্যামেটের সঙ্গে মিলিত হয় তখন পুত্র সন্তান সৃষ্টি হয় । অতএব সহজেই বলা যায় যে পুত্র ও কন্যা সন্তান সৃষ্টিতে পিতার ভূমিকাই প্রধান ।  

Model Activity Task Class 10 Life Science Part 7

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর বারবার রক্ত বদলানোর ফলে সৃষ্ট সমস্যা – 

i ) দেহের বিভিন্ন অঙ্গের প্রচুর পরিমানের লোহা সঞ্চিত হয় । 

ii ) লোহা সঞ্চয়ের ফলে হৃদপিণ্ড, যকৃত, প্লীহা ও অন্তঃক্ষরা তন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ বিশেষ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় । 

iii ) থাইরক্সিন হরমোনের ক্রিয়াশীলতা হ্রাস পায় । 

iv ) হার্টফেল, অস্বাভাবিক হার্টরেট প্রভৃতি রোগ লক্ষণও দেখা দেয় । 

আরও দেখো নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে –

Class 10 Bengali Part 7Task Answer
Class 10 Geography Part 7Task Answer
Class 10 History Part 7Answer Click

Class 10 Life Science Part 7 Answers | Class 10 Life Science October Answers | 4th Part Class 10 Model Activity Task Life Science 2021 | Class 10 Life Science 4th Part October 2021 |

[ 3rd Part ] Model Activity Task Class 10 Life Science Part 6 September

১ ) প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে তার ক্রমিক সংখ্যাসহ বাক্যটি সম্পূর্ণ করে লেখ । 

১.১ ) নিচের যে জোড়াটি সঠিক নয় তা নির্বাচন করো – 

উঃ – গ ) প্লাসমোডিয়াম – পুনরুৎপাদন । 

১.২ ) নিচের যে দুটি জিনোটাইপ গিনিপিগের কালো ও মসৃণ ফিনোটাইপ এর জন্য দায়ী তা চিহ্নিত করো – 

উঃ – খ ) BBrr ও Bbrr

১.৩ ) স্বাভাবিক পিতা এবং বর্ণান্ধতার বাহক মাতার বর্ণান্ধ কন্যা সন্তান জন্মানোর সম্ভাবনা নিরূপণ করো – 

উঃ – ক ) 0 % 

২ ) নিচের বাক্যগুলো সত্য অথবা মিথ্যা নিরূপণ করো । 

২.১ ) অযৌন জননে দুটি জনিত জীবের প্রয়োজন হয় । 

উঃ – মিথ্যা । 

২.২ ) সপুষ্পক উদ্ভিদে নিষেকের পর ডিম্বকটি ফলে পরিণত হয় । 

উঃ – মিথ্যা । 

২.৩ ) কোন জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বাহ্যিক প্রকাশকে ফিনোটাইপ বলে । 

উঃ – সত্য ।

৩ ) দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও । 

৩.১ )  নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে অযৌন ও যৌন জননের পার্থক্য নিরূপণ করো ।

গ্যামেট উৎপাদন

মাইটোসিস বা মিয়োসিস এর ওপর নির্ভরতা

উঃ –

গ্যামেট উৎপাদন অযৌন জননে গ্যামেট উৎপাদন হয় না । যৌন জননে গ্যামেট উৎপাদন হয় । এই জননে পুং গ্যামেট ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টি হয় ।
মাইটোসিস বা মিয়োসিস এর ওপর নির্ভরতাএই প্রকার জননে কেবল মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে । এই প্রকার জননে গ্যামেট উৎপাদনকালে মিয়োসিস এবং জায়গেট থেকে অপত্য জীব উৎপাদনকালে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে । 

৩.২ ) মাইক্রোপ্রপাগেশন পদ্ধতিতে কিভাবে প্লান্টলেট সৃষ্টি করা হয় তা একটি রেখাচিত্রের সাহায্যে দেখাও ।  

উঃ –  নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

class 10 model activity task life science part 6

৪ ) নিচের প্রশ্নটির উত্তর দাও । 

৪.১ ) একটি বিশুদ্ধ হলুদ ও গোল বীজযুক্ত মটর গাছের ( YYRR ) সঙ্গে একটি বিশুদ্ধ সবুজ ও কুঞ্চিত বীজযুক্ত মটর গাছের ( yyrr ) সংকরায়ন এর ফলাফল F2 জনু পর্যন্ত চেকার বোর্ডের সাহায্যে দেখাও । এই সংকরায়ন থেকে বংশগতির সূত্রটি পাওয়া যায় তা বিবৃতি করো । 

উঃ –  নিচের ছবি থেকে উত্তরটি দেখে নাও – 

model activity task class 10 life science part 6
3rd task class 10 life science

এই দ্বিসংকর জননের সংকরায়ন থেকে বংশগতির ‘ স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র ‘ টি পাওয়া যায় । 

স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র – কোন জীবের দুই বা ততোধিক যুগ্ম বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যগুলি জনিত্র জনু থেকে অপত্য জনুতে সঞ্চারিত হওয়ার সময় একত্রিত হলেও শুধুমাত্র গ্যামেট গঠনকালে এরা যে পরস্পর থেকে পৃথক হয় তাই নয়, উপরন্তু প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য তাদের ভাবে যেকোন বিপরীত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্ভাব্য সকল প্রকার সমন্বয়ে সঞ্চারিত হয় । 

Class 10 Life Science Part 6 Answers | Class 10 Life Science September Answers | 3rd Part Class 10 Model Activity Task Life Science 2021 | Class 10 Life Science 3rd Part September 2021 |

[ 2nd Part ] Model Activity Task Class 10 Life Science Part 5 August

১ ) প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে তার ক্রমিক সংখ্যাসহ বাক্যটি সম্পূর্ণ করে লেখ। 

১.১ ) পাতার মাধ্যমে প্রাকৃতিক অঙ্গজ বংশবিস্তার করে যে উদ্ভিদ সেটি নির্বাচন করো –

উঃ – ঘ ) পাথরকুচি। 

১.২ ) সংকরায়ন পরীক্ষার জন্য মেন্ডেলের মটরগাছ বেছে নেওয়ার সঠিক কারণটি স্থির করো – 

উঃ – মটর ফুল স্বপরাগী হওয়ার বাইরে থেকে অন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। 

১.৩ ) নিচের যে বক্তব্যটি সঠিক নয় সেটি চিহ্নিত করো – 

উঃ – রুই মাছের পটকার পশ্চাৎ প্রকোষ্ঠ অবস্থিত রেটিয়া মিরাবিলিয়া গ্যাস উৎপাদন করে। 

২ ) একটি শব্দে বা একটি বাক্যে উত্তর দাও 

২.১ ) মানব বিকাশের বয়সন্ধি দশার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো। 

উঃ –  বয়সন্ধি দশা হলো মানুষের মুখ্য বৃদ্ধিকাল। এই সময়ে পেশী ও অস্থির বৃদ্ধি, জনন অঙ্গের বৃদ্ধি, গ্যামেট উৎপাদন শুরু হয়। 

২.২ ) বিসদৃশ শব্দটি বেছে লেখ – মটরের সবুজ রঙের বীজ, মটরের সবুজ রঙের ফল, গিনিপিগের সাদা রংয়ের লোম, গিনিপিগের মশৃন লোম। 

উঃ – মটরের সবুজ রঙের ফল। 

২.৩ ) নিচে সম্পর্কযুক্ত একটি শব্দ জোর দেওয়া আছে। প্রথম জোড়াটির সম্পর্ক বুঝে দ্বিতীয় জোড়াটির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও। 

উঃ – ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র – ল্যামার্ক : প্রাকৃতিক নির্বাচন – ডারউইন। 

৩ ) দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও 

৩.১ ) স্বপরাগযোগের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা উল্লেখ করো। 

উঃ –  স্বপরাগযোগের একটি সুবিধা – 

এই পরাগযোগে একই প্রজাতির ফুলে পরাগযোগ এর জন্য প্রজাতির বৈশিষ্ট্য রক্ষা পায় এবং প্রজাতির মধ্যে  জনিত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। 

স্বপরাগযোগের একটি অসুবিধা  –

নতুন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উদ্ভিদ উৎপন্ন হয় না এবং অপত্য উদ্ভিদের অনাক্রমতা হ্রাস পায়।  

৩.২ ) একসংকর জননে F2 জনুর ফেনোটাইপিক অনুপাত সবসময় 3 : 1 নাও হতে পারে  – উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো। 

উঃ – অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে একসংকর জননে F2 জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত সবসময়  3 : 1 হয় না। 

যেমন সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদে একসংকর জননে F2 জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত সবসময় 1 : 2 : 1 হয় এবং জিনোটাইপিক  অনুপাত 1 : 2 : 1 হয়। 

সুতরাং একসংকর জননে F2 জনুর ফিনোটাইপিক অনুপাত সবসময়  3 : 1 নাও হতে পারে। 

৪ ) নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও 

৪.১ ) ডারউইনের মতবাদ অনুসারে যোগ্যতমের উদ্বর্তন কিভাবে ঘটে ব্যাখ্যা করো। শিম্পাঞ্জিরা বিভিন্নভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করে – বক্তব্যটির যথার্থতা উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো। 

উঃ – যোগ্যতমের উদ্বর্তন

ডারউইনের মতে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত জীবগুলির মধ্যে যাদের দেহে ছোট ছোট সহায়ক অভিযোজন মূলক বৈশিষ্ট্য এসে যায় তারাই জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় এবং বেঁচে থাকার অধিকারী হয়। অন্যরা কালক্রমে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। জীবন সংগ্রামে এই উত্তরনকে যোগ্যতমের উর্দ্ধতন বলা হয়। 

সমস্যা সমাধানে  শিম্পাঞ্জিদের বিভিন্ন আচরণগত বৈশিষ্ট্য

i ) ঔষধের ব্যবহার – শিম্পাঞ্জিরা পরজীবী দাঁড়া আক্রান্ত হলে ঔষধি গাছের পাতা খায় হলে পরজীবীদের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পায়। 

ii ) এরা শক্ত কাঠ বা পাথরের টুকরোকে হাতুড়ি বা নেহাই এর মত ব্যবহার করে বাদামের খোসা ছাড়ায়। 

iii ) এরা উইঢিবির  সন্ধান পেলে গাছের শাখা দিয়ে একটি লাঠির মত দণ্ড তৈরি করে ছুঁচালো প্রান্তটিকে  উই এর  ঢিবির মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়। উইপোকা গুলি তখন লাঠি বেয়ে সারিবদ্ধ ভাবে বাইরে বেরিয়ে আসে। শিম্পাঞ্জি তখন মহা আনন্দে তার ভোজ সারে।  

iv ) শিম্পাঞ্জিরা মানুষের মত গালে হাত দিয়ে ভাবনা চিন্তা করে এবং মানুষের মতোই দুঃখ-কষ্ট, আনন্দ, খুশি প্রভৃতি অনুভূতি প্রকাশ করতে পারে। 

v ) শিম্পাঞ্জিরা সবসময় তাদের বাচ্চাগুলিকে আগলে রাখে। 

Class 10 Life Science Part 5 Answers | Class 10 Life Science August Answers | 2nd Part Class 10 Model Activity Task Life Science 2021 | Class 10 Life Science 2nd Part August 2021 |

Class 10 Model Activity Task Life Science Part 1

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো :

১ ) স্নায়ুকোষের একটি পরিচ্ছন্ন চিত্র অঙ্কন করো এবং নিম্নলিখিত অংশগুলি চিহ্নিত করো। 

উত্তর – তোমরা নিজেরা বই থেকে দেখে করে নাও। 

২ ) জীবের মধ্যে প্রকরণ সৃষ্টিতে মিয়োসিসের ভূমিকা উল্লেখ করো। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের অ্যানাফেজ দশার তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। 

উত্তর – সমসংস্থ ক্রোমোজোমগুলির মধ্যে ক্রসিং ওভার ও জিনের পুনঃসংযুক্তির ফলে নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়।  ওই প্রকার কোষের মিলনে যেসব জীবের সৃষ্টি হয় তাদের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের সংযোজন ঘটে, যা ভেদ বা প্রকরণ সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 

অ্যানাফেজ দশার তিনটি বৈশিষ্ট্য –

i ) এই দশাটি ক্যারিওকাইনেসিস এর তৃতীয় ও সর্বাপেক্ষা স্বল্পস্থায়ী দশা। 

ii ) এই দশার শেষে সমসংখ্যক অপত্য ক্রোমোজোম বেমের বিপরীত মেরুতে পৌঁছায়। 

৩ ) অগ্রস্থ প্রকটতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যে উদ্ভিদ হরমোন তার তিনটি ভূমিকা লেখ।  রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন হরমোনের ভূমিকা উল্লেখ করো। 

উত্তর – অগ্রস্থ প্রকটতা সৃষ্টি করে অক্সিন হরমোন। 

ভূমিকা – 

i ) উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঞ্চলের কোষগুলির বিভাজনে অক্সিন হরমোন সাহায্য করে। 

ii ) অক্সিন হরমোন কোষের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 

iii ) ফটোট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন হরমোনের ভূমিকা –

রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন নামে দুটি হরমোনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।  রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে ইনসুলিন রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন এ পরিণত করে যকৃতে সঞ্চয় করে। অপরপক্ষে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে গ্লুকাগন যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে পুনরায় গ্লুকোজে বিশ্লিষ্ট করে রক্তস্রোতে পাঠায়। ফলে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে। 

৪ ) মাছের সন্তরণে পাখনার গুরুত্ব নির্ধারণ করো। হাঁটু ও কাঁধে কোন কোন ধরনের অস্থিসন্ধি দেখা যায় ?

উত্তর – মাছের সন্তরণে পাখনার গুরুত্ব – 

i ) একজোড়া শ্রেণি পাখনা জলের মধ্যে নির্দিষ্ট উচ্চতায় ভেসে থাকতে ও ওপরে নিচে ওঠানামা করতে সাহায্য করে। 

ii ) একজোড়া বক্ষ পাখনা মাছকে অগ্র ও পশ্চাৎ গমনে ও জলের ওপরে ও নিচে ওঠানামা করতে সাহায্য করে। 

iii ) পায়ু পাখনা জল কেটে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। 

iv ) পুচ্ছ পাখনা জলের মধ্যে দিক পরিবর্তনে ও অগ্রগমনে সাহায্য করে।  

v ) পৃষ্ঠ পাখনা দেহের ভারসাম্য বজায় রাখতে ও মাছের অগ্রগমনে সাহায্য করে

হাঁটুতে কব্জা সন্ধি দেখা যায়। 

কাঁধে বল ও সকেট অস্থিসন্ধি দেখা যায়। 

Class 10 Model Activity Task Life Science Part 2

নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর লেখো : 

১ ) একটি ইউক্যারিওটিক ক্রোমোজোমের অঙ্গ মস্থানের চিত্র অঙ্কন করে নিম্নলিখিত অংশগুলি চিহ্নিত করো। 

উত্তর – তোমরা নিজেরা বই থেকে দেখে করে নাও। 

২ ) প্রাণীর গমনের কারণ গুলি কি কি ? ফ্লেক্সোর ও এক্সটেনসর পেশীর কার্যপদ্ধতি পরস্পরের বিপরীতধর্মী – উপযুক্ত উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর – প্রাণীর গমনের কারণ – 

i ) শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রাণীরা স্থানান্তর গমন করে। 

ii ) প্রাণীরা খাদ্য সংশ্লেষ বিষয়ে স্বনির্ভর নয় তাই খাদ্য সন্ধানের জন্য তাদের স্থানান্তরের গমন করতে হয়। 

iii ) প্রাণীকুল যে জায়গায় বসবাস করে সেই জায়গায় যদি প্রাণীদের সংখ্যা বেড়ে যায় বা উপযুক্ত খাদ্যের অভাব দেখা দেয় কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়া জনিত কারণে বাঁচার তাগিদে প্রাণীরা সেই জায়গাটি ত্যাগ করে।  ও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। 

iv ) উপযুক্ত পরিমাণ আলো বাতাস এবং জল পাওয়ার জন্য প্রাণীরা অন্য জায়গায় গমন করে। 

ফ্লেক্সোর ও এক্সটেনসর পেশীর কার্যপদ্ধতি পরস্পরের বিপরীতধর্মী –

ফ্লেক্সোর পেশী কনুইয়ের উপরিস্থ বাইসেপস পেশি।  ফ্লেক্সোর পেশী দুটি অস্থি ভাঁজ হতে বা কাছাকাছি আসতে সাহায্য করে।  যেমন বাইসেপস পেশি কনুই সন্ধিকে ভাঁজ হতে সাহায্য করে। 

অপরপক্ষে এক্সটেনসর পেশী ভাঁজকরা অঙ্গকে দূরে সরে যেতে সাহায্য করে। যেমন ট্রাইসেপস পেশী সংকুচিত হলে ভাঁজকরা হাত সোজা হয়। 

৩ ) ‘ কোষচক্রের S দশাকে সংশ্লেষ দশা বলা হয় ‘ –  বাক্যটির যথার্থতা বিচার করো। DNA এবং RNA এর পার্থক্য উল্লেখ করো।  

উত্তর – কোষচক্রের দুটি পর্যায়ের মধ্যে একটি হল ইন্টারফেজ দশা।  এই পর্যায়ের একটি দশা হল S দশা।  এই দশায়  DNA সংশ্লেষ হয় বলে এই দশাকে সংশ্লেষ দশা বলা হয়। 

DNA এবং RNA এর পার্থক্য ( তোমরা খাতায় সাজিয়ে নেবে )

DNA – 

i ) নিউক্লিয়াসের ক্রোমোজোমে থাকে। 

ii ) পেন্টোজ শর্করা ডিঅক্সিরাইবোজ জাতীয়। 

iii ) সর্পিল ভাবে বিন্যস্ত থাকে। 

iv ) সাধারণত দ্বিতন্ত্রী। 

v ) বংশগতির ধারক ও বাহক হিসাবে কাজ করে। 

RNA –   

i ) কোষের সাইটোপ্লাজমে অধিক পরিমাণে থাকে। 

ii ) পেন্টোজ শর্করা রাইবোজ জাতীয়। 

iii ) রেখা কারে বিন্যস্ত থাকে। 

iv ) সাধারণত একতন্ত্রী।

v ) সাধারণত প্রোটিন সংশ্লেষে অংশগ্রহণ করে। 

৪ ) ‘ অ্যাড্রিনালিন হরমোন আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ‘ – ব্যাখ্যা করো। ট্রপিক ও ন্যাস্টিক চলন এর পার্থক্য লেখ। 

উত্তর – রাগ, দুশ্চিন্তা, ভয়, আনন্দ প্রভৃতি মানসিক উত্তেজনার সময় অ্যাড্রিনালিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে এবং অ্যাড্রিনালিন স্নায়ুতন্ত্র, শ্বাসতন্ত্র, রক্ত সংবহনতন্ত্রের উপর প্রভাব বিস্তার করে উত্তেজনাকে প্রশমিত করতে ও দেহকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সাহায্য করে। এজন্য অ্যাড্রিনালিন হরমোনকে আপৎকালীন হরমোন বলে।

ট্রপিক ও ন্যাস্টিক চলন এর পার্থক্য ( তোমরা খাতায় সাজিয়ে নেবে )

ট্রপিক চলন –

i ) অক্সিন হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয়। 

ii ) এটি একপ্রকার বৃদ্ধিজ চলন। 

iii ) এই চলন উদ্দীপকের উৎস বা গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। 

ন্যাস্টিক চলন – 

i ) হরমোনের কোন ভূমিকা নেই। 

ii ) এটি এক প্রকার রসস্ফীতি চলন। 

iii ) এই চলন উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 


তোমরা সকলে বাড়িতে মন দিয়ে পড়াশুনা করো।  আর রাজ্য সরকারের নিয়মকানুন মেনে চলো।  

Class 10 Model Activity Task Life Science Answer 2021 Part 7 Answer [ October ] | [ 4th Part October ] Model Activity Task Class 10 Life Science Part 7 Answer | মডেল আক্টিভিটি টাস্ক Class 10 জীবন বিজ্ঞান উত্তর ২০২১ |

আশা করি এই পোস্টটি তোমার অনেক উপকারে এসেছে। 

এই পোস্টটি তোমার উপকারে আসলে বন্ধুবান্ধবের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here